সেরা নবজাতক বিশেষজ্ঞ - চট্টগ্রাম

রাতে এখনো কান পাতি ওর শ্বাসে

আমাদের ছেলেটা জন্ম নিয়েছে সময়ের আগে, আর প্রথম দিনগুলোর কোনোটাই আমাদের কল্পনার মতো যায়নি। শ্বাস নিতে ওর সত্যিই কষ্ট হতো। দেখা যেত, প্রতিটা শ্বাসের জন্য ওর ছোট্ট বুকটা খাটছে, আর পরিবারের সবাই চারপাশে দাঁড়িয়ে প্রায় কিছুই বলছিল না। হাসপাতালের নবজাতকদের ওয়ার্ডে ও থাকল আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি দিন। ওই ওয়ার্ড থেকে বাড়ির দরজা পর্যন্ত হাঁটাটা মনে হয়েছে জীবনের দীর্ঘতম পথ।

এখন ও বাড়িতে। খায়, ঘুমায়, একটু একটু করে বাড়ে। তবু আমি আর ওর বাবা এখনো রাতে পালা করে জাগি। একজন জেগে থেকে শুনি, ওর শ্বাস কেমন চলছে। সামনের দেখাগুলোর জন্য আমি একজন নবজাতক বিশেষজ্ঞ চাই, যাঁর কাজ শুরু হয় বাচ্চার জীবনের প্রথম ঘণ্টা থেকে। যিনি আগে জন্মানো বাচ্চাদের ভালো জানেন, তাঁর হাতেই ওর শ্বাস, খাওয়া আর ওজন থাকুক।

চট্টগ্রামের নবজাতক বিশেষজ্ঞদের প্রোফাইল নিচে দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময়সহ। শহরজুড়ে ডাক্তার মিলিয়ে দেখতে চাইলে চট্টগ্রামে প্র্যাকটিস করেন এমন ডাক্তারদের ডিরেক্টরি থেকে জেলার তালিকা একসঙ্গে পাওয়া যায়।

1 available specialists found

ডাঃ জি. এম. তায়েব আলী

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশুরোগ)।
অবস্থান পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম

রাতে এখনো কান পাতি ওর শ্বাসে

বাড়িতে ওর যত্নের কিছুই আমরা বদলাই না

বাড়ি ফেরার সময় ওর সঙ্গে নির্দেশ এসেছে। সেগুলো আমরা অপরিবর্তনীয় বলে ধরে নিয়েছি: মেনে চলার মতো একটা খাওয়ার ধরন, আর নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়ার একটা ওষুধ। এর কোনোটাই আমরা নিজে থেকে বদলাই না। ভালো দিন গেছে বলে ওষুধ বাদ দিই না। বাজারে কারো পরামর্শে খাওয়ার ফাঁক অন্যভাবে চেষ্টাও করি না। ওর যত্নে বদল দরকার হলে যাঁরা ওর চিকিৎসা করছেন, তাঁরাই বদলাবেন। আমাদের কাজ হলো মেনে চলা, নজর রাখা, আর জানানো।

রাত ভাগ করা পাহারায়

রাতের প্রথম অর্ধেক ওর বাবা জাগেন, দ্বিতীয় অর্ধেক আমি। যে জেগে থাকে, সে শুনতে থাকে। বেশির ভাগ সময় শুনি সাধারণ বাচ্চার শ্বাসের শব্দ, আর নতুন বাড়ির শব্দ শেখার মতো করে আমরা ওর স্বাভাবিক শব্দগুলো শিখছি। বিশেষজ্ঞের কাছে আমার চাওয়া সহজ: এই ধাপে ওর শ্বাস কেমন হওয়া উচিত, আর কোনটা সত্যিই আমাদের ভাবানো উচিত, তা বলে দিন।

বিছানার পাশে আমরা একটা ছোট খাতাও রেখেছি। খাওয়া, জেগে থাকার সময়, শ্বাস নিয়ে অদ্ভুত কিছু, তাজা থাকতে থাকতেই লিখে রাখি। ক্লান্ত দুজন বাবা-মা সকালের মধ্যে ভুলে যায়।

এখন নবজাতক, চোখের পলকে শিশু

সব ঠিকঠাক চললে এই তীব্র নজরদারি মাসে মাসে নরম হয়ে আসবে। ও তখন এমন শিশু হবে, যার সাধারণ শৈশবের অসুখের জন্য ডাক্তার লাগে। তখন আমাদের শুরু হবে এই ডিরেক্টরির চট্টগ্রামের শিশু বিশেষজ্ঞদের তালিকা থেকে। তবে আজ ও এখনো একজন নবজাতক, যার পুষিয়ে নেওয়ার অনেকটা বাকি, আর নবজাতকের যত্ন আলাদা একটা দক্ষতা।

নজর থামিয়ে রওনা হওয়ার লক্ষণ

কিছু লক্ষণ নিয়ে আমরা বাড়িতে বসে তর্ক করব না। শ্বাস ওর জন্য কঠিন পরিশ্রম হয়ে ওঠা, কিংবা শ্বাসে থাম থাকা। ঠোঁটে বা মুখে নীলচে বা ধূসর রঙ। এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগে জ্বর। এর যেকোনো একটা দেখলেই, যেই সময়েই দেখা যাক, সোজা হাসপাতালে যাব।

কাঁপুনি শুরু হলেও তাই, খিঁচুনি হলেও তাই। নেতিয়ে গেলে, জাগানো না গেলে, কিংবা একের পর এক খাওয়া ফিরিয়ে দিলেও তাই। আর ঘুম গভীর হওয়ার সঙ্গে হলদে রঙ ছড়িয়ে গেলে সেটা পরের দেখার জন্য নোট নয়, হাসপাতালের যাত্রা।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ঘুমের মধ্যে মাঝে মাঝে ওর শ্বাস দ্রুত চলে। সময়গুলো লিখে রাখব?

লিখে রাখুন। তার আগে ও কী করছিল, কীভাবে শান্ত হলো, তাও লিখুন। লিখে রাখা ধরন বিশেষজ্ঞের কাছে অনেক বেশি কাজের, শুধু শ্বাস দ্রুত চলে এমন সাধারণ অনুভূতির চেয়ে।

দেখায় দেখায় ওর বাড়তি কীভাবে বুঝবেন বিশেষজ্ঞ?

ওজন মেপে, খাওয়া দেখে, আর প্রতিটা দেখা আগেরটার সঙ্গে মিলিয়ে। আগে জন্মানো বাচ্চার বাড়তি পড়তে হয় একটা দিশা হিসেবে, একদিনের একটা সংখ্যা হিসেবে নয়।

হাসপাতালের কাগজ সবটা পড়তে না পারলেও কি নিয়ে যাব?

প্রতিটা পৃষ্ঠাই নিয়ে যান। নবজাতকদের ওয়ার্ডে ওর দিনগুলো সেখানে লেখা আছে। নিজের নোট যোগ করার আগে বিশেষজ্ঞ সেই গল্পটাই আগে চাইবেন।

ওর বাবা রাতের পাহারায় থাকেন। তিনিও কি দেখাগুলোতে আসতে পারবেন?

তাঁকে নিয়েই আসুন। আমি ঘুমিয়ে থাকা রাতগুলো তিনি দেখেন, তাঁর রাতগুলো আমি। দুজনের দেখা মিললে ছবিটা পূর্ণ হয়, আর বিশেষজ্ঞ দুজনকেই জিজ্ঞেস করতে পারেন।

কোনো দিন ও ভালো খায়, কোনো দিন কম। এই ধরনটাই কি বলার মতো?

বলার মতোই। কোন দিন, আর সেদিন আর কী আলাদা ছিল, বলুন: ঘুম, আবহাওয়া, মেহমান, আপনার নিজের বিশ্রাম। এই সপ্তাহগুলোয় খাওয়া সোজা রেখায় চলে না, আর খুঁটিনাটি তাঁর বিচারে সাহায্য করে।

রাত দুইটায় ওর শ্বাস ঠিকঠাক মনে না হলে ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

ভোরের অপেক্ষা নয়। কষ্টের বা থেমে যাওয়া শ্বাস, ঠোঁট নীলচে হওয়া, এক মাসের আগের জ্বর, কাঁপুনি, নেতিয়ে যাওয়া, কিংবা খাওয়া ফিরিয়ে দেওয়া: সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.