সেরা নবজাতক বিশেষজ্ঞ - বগুড়া

খাওয়া অল্প, ঘুমটা গভীর

আমাদের ছেলেটা জন্ম নিয়েছে ছোট্ট হয়ে, ওই ওয়ার্ডে সে-সপ্তাহে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। হাসপাতালের ডাক্তাররা ওকে বাড়ি দেওয়ার আগে আরও কয়েকদিন রেখে দেখেছেন, কেমন খায়, কেমন ঘুমায়। বাড়ি আসার পর ছবিটা আরও পরিষ্কার। খায় ধীরে ধীরে, কয়েক গ্রাস মুখে নিয়েই চোখ বুজে আসে। আবার জাগাতে হলে ধৈর্য লাগে: পায়ে ভেজা কাপড় ছোঁয়ানো, নয়তো ঘরজুড়ে ধীরে ধীরে হেঁটে বেড়ানো।

এই কয়েক সপ্তাহের জন্য আমার মা আমাদের সঙ্গে এসে থাকছেন। জাগানো আর খাওয়ানোর কাজটা আমরা দুজনে ভাগ করে নিয়েছি। হাসপাতালের ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন, প্রথম সপ্তাহগুলোয় ওর দিকে ভালো করে নজর রাখতে হবে: ওজন, খাওয়া, গায়ের রঙ দিনে দিনে কেমন বদলায়। তাই ফলো-আপের জন্য আমি একজন নবজাতক বিশেষজ্ঞ চাই, যাঁর পুরো কাজটাই নবজাতকদের নিয়ে। প্রতিবার দেখাতে গিয়ে ওকে ঠিকমতো পরীক্ষা করা হোক, আর আমাদের প্রশ্নের উত্তর মিলুক সহজ ভাষায়। মা বারবার জানতে চান, আমরা আসলে কীসের দিকে নজর রাখছি। তাঁরও উত্তর পাওয়া উচিত।

বগুড়ার নবজাতক বিশেষজ্ঞদের প্রোফাইল নিচে দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময়সহ। খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে সুবিধামতো সময় মিলিয়ে দেখা যায়। পরিবারের অন্য দরকারে বগুড়ায় প্র্যাকটিস করেন এমন ডাক্তারদের বড় তালিকা থেকে জেলার সব ডাক্তারকে এক জায়গায় পাওয়া যায়।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

খাওয়া অল্প, ঘুমটা গভীর

আমাদের দিন এখন যেভাবে চলে

আমাদের পুরো দিনটা এখন ঘোরে ওর খাওয়াকে কেন্দ্র করে। প্রতিটা খাওয়ার সময় লিখে রাখি, কতটা খেল, তার আগে জাগাতে কতক্ষণ লাগল। ভালো একটা খাওয়া মানে ছোট্ট একটা জয়। একটা খাওয়া ফিরিয়ে দিলে পরের খাওয়ার সময় না আসা পর্যন্ত মনটা খচখচ করে।

রাতগুলো আরও বিচিত্র। ও নড়েচড়ে উঠলে আমি কোলে নিই, তারপর বুঝতে পারি না, ওর খিদে পেয়েছে নাকি শুধু কোলে থাকতে চায়। রাত তিনটায় ছোট ছোট প্রশ্নও বিশাল মনে হয়।

খাওয়ার নিয়মটা থাকবে ঠিক যেমন লেখা আছে

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার আগে ডাক্তাররা ওর খাওয়ার নিয়ম ঘণ্টা ধরে লিখে দিয়েছেন, সঙ্গে বাড়িতে দেওয়ার একটা ওষুধ ঠিক করে দিয়েছেন। সেই নিয়ম আমরা হুবহু মেনে চলি। ওকে শান্ত দেখাচ্ছে বলে কোনো খাওয়া বাদ দিই না। আমাদের রাত খারাপ গেছে বলে খাওয়ার ফাঁকও বাড়াই না। ওর ওষুধ বা খাওয়ায় বদল দরকার হলে সিদ্ধান্তটা যাঁরা ওর চিকিৎসা করছেন, তাঁদেরই। এই সিদ্ধান্ত আমাদের নয়, সদয় প্রতিবেশীদেরও নয়।

যে লক্ষণে সোজা হাসপাতাল

কিছু লক্ষণ এই বাড়িতে সিরিয়ালের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, কিংবা শ্বাস থেমে থেমে চললে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতাল। ঠোঁট বা মুখ নীলচে কিংবা ধূসর হয়ে গেলেও তাই। এক মাসের কম বয়সী বাচ্চার জ্বর মানেই সেদিনই দেখানো।

কাঁপুনি বা খিঁচুনিও এই তালিকায় আছে। বাচ্চা নেতিয়ে গেলে, কিংবা কোনোমতে জাগানো না গেলেও তাই। আর গা জুড়ে হলদে রঙ ছড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে ঘুম যদি গভীর থেকে আরও গভীর হয়, সকাল পর্যন্ত বাড়িতে বসে দেখা যাবে না।

বড় হওয়ার পথে যত্নও বদলাবে

নবজাতকের এই সপ্তাহগুলো কেটে যাবে, ধীরে ধীরে, তারপর একসময় হুড়মুড় করে। তারপর ওর দরকার হবে শৈশবের সাধারণ অসুখবিসুখের জন্য একজন ডাক্তার, যেগুলো সব শিশুরই হয়। এই ডিরেক্টরিতে জীবনের ওই ধাপের জন্য বগুড়ার শিশু বিশেষজ্ঞদের তালিকা রাখা আছে। আপাতত ওর জগৎ মানে খাওয়া আর গ্রাম, আর নবজাতক বিশেষজ্ঞ ঠিক সেই জগৎটাই পড়তে জানেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

খাওয়ার মাঝখানে প্রায় প্রতিবারই ও ঘুমিয়ে পড়ে। এটা কি বলা উচিত?

সবার আগে এটাই বলুন। বিশেষজ্ঞ শুধু কতটা খেল তা দেখেন না, কীভাবে খেল তাও দেখেন। যে বাচ্চা খাওয়ার সময় জেগে থাকতে পারে না, সে তাঁকে শোনার মতো কিছু বলছে।

বিশেষজ্ঞ কি প্রতিবার ওর ওজন মাপতে চাইবেন?

প্রথম দিকের দেখাগুলোয় সম্ভবত প্রতিবারই। একবারের ওজন একা কিছু বলে না। আসল হলো সপ্তাহে সপ্তাহে সংখ্যাগুলো যে রেখা টানে, আর খাওয়া ও ওজন একসঙ্গে এগোচ্ছে কিনা।

প্রথম দেখায় কী কী সঙ্গে নেব?

হাসপাতালের কাগজ আর লিখে দেওয়া খাওয়ার নিয়মটা নিন, যেসব পৃষ্ঠা পুরো পড়তে পারেন না সেগুলোও। আমি প্রতিদিনের খাওয়ার সময়ও লিখে রাখছি। ছোট ছোট নোট চেম্বারে অনেক অনুমান বাঁচায়।

মা বলেন, ছোট বাচ্চারা নিজে নিজেই পুষিয়ে নেয়। তবু কি বিশেষজ্ঞ দরকার?

অনেক ছোট বাচ্চা সত্যিই ধীরে ধীরে বাড়ে, শেষটা নিয়ে মা হয়তো ঠিকই বলছেন। কিন্তু পুষিয়ে নেওয়াটা ঘটতে দেখতে হয়, ধরে নেওয়া যায় না। দেখাগুলোই আমাদের জানার উপায়।

মা কি আমাদের সঙ্গে চেম্বারে ঢুকতে পারবেন?

আশা করি পারবেন। এই বাড়ির অর্ধেক খাওয়ানো তিনিই করেন; পরামর্শটা তাঁর নিজের কানে শোনা উচিত। সিরিয়াল নেওয়ার সময় জিজ্ঞেস করে নিন। ক্লান্ত একা মায়ের চেয়ে দুজন শ্রোতা বেশি মনে রাখে।

কোনো রাতে যদি ওকে জাগানোই না যায়, সিরিয়ালের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। যে বাচ্চা জাগে না, কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট পায় বা শ্বাসে থাম পড়ে, তাকে সেদিন রাতেই হাসপাতালে নিতে হয়। ঠোঁট নীলচে হওয়া, এক মাসের কম বয়সে জ্বর, কাঁপুনি, কিংবা সব খাওয়া ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাই।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.