সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - গাজীপুর
দুই হাসপাতালের রিপোর্ট, এক টেবিলে
আমি টঙ্গীতে একটা গার্মেন্টস অফিসে মার্চেন্ডাইজারের কাজ করি। দিন কাটে বায়ারের ইমেইল, ডেডলাইন আর ফ্যাক্টরির ফ্লোরে ওঠানামা করে। কয়েক মাস ধরে এর পাশাপাশি আরেকটা জিনিসও চলছে। দুপুর গড়ালেই মাথাব্যথা। সারা রাত ঘুমিয়েও না কাটা ক্লান্তি। সাধারণ খাবার খেলেও পেটের গণ্ডগোল। ভয়ের কিছু না। কাজ থামিয়েও দেয় না। শুধু প্রতিটা কাজ আগের চেয়ে ভারী লাগে।
এলাকার মানুষ যেভাবে করে, আমিও প্রথমে এক হাসপাতালে গেলাম। জবাবগুলো পাতলা মনে হওয়ায় পরে আরেকটায়। দুই জায়গাই মনোযোগ দিয়ে দেখেছে, দুজনেই রিপোর্ট দিয়েছে। ঝামেলাটা ঠিক সেখানেই। দুই রিপোর্টের ঝোঁক দুই দিকে। এই বিষয়ে আমার পড়াশোনা নেই, কোনটা ঠিক তা বিচার করা আমার সাজে না। যেটা পারি, দুই ফাইলই নিয়ে যাওয়া একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে, যাঁর প্রতিদিনের কাজই পুরো ছবিটা দেখা। সিরিয়ালটা আমার ছোট বোন নিয়ে দিয়েছে। তারিখ ঠিক হয়ে গেছে।
গাজীপুরের মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের প্রোফাইল এই পৃষ্ঠায় দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময়সহ, যাতে কয়েকটা দেখে তারপর পছন্দ করা যায়। আরও বিস্তৃতভাবে দেখতে চাইলে একই ডিরেক্টরিতে আছে গাজীপুরের সব ধরনের ডাক্তারের তালিকা। আমার পরিকল্পনা সোজা। এক ফোল্ডারে দুই রিপোর্ট, একজন ডাক্তার দুটো একসাথে পড়বেন।
9 available specialists found
অধ্যাপক ডা. সৈয়দ নাসির উদ্দিন
অধ্যাপক ডা. মো. আমির হোসেন
Prof. Col. Dr. Md. Mizanur Rahman
সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আহমেদুর রেজা
Dr. Sayed Mohammad Rijvee
Prof. Dr. Md. Mukhlesur Rahman
Prof. Dr. Kanuj Kumar Barman
Prof. Dr. Sheikh Abdul Fattah
Dr. Shamsad Begum
দুই হাসপাতালের রিপোর্ট, এক টেবিলে
একই সপ্তাহে তিনটা ঝামেলা
মাথাব্যথা একা আসে কমই। ব্যস্ত দিনে ওর সঙ্গে জুটে যায় ক্লান্তিটাও, দুপুরের খাবারের আগেই পেটও যোগ দেয়। ডেডলাইন এসবের জন্য সরে দাঁড়ায় না। নমুনা তাড়া করা, বায়ারকে জবাব দেওয়া, ফ্লোরে ওঠা, সবই চলছে। শুধু গতি কমে গেছে, আর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরি একদম খালি হয়ে। মাসের পর মাস একই ছাঁচে এই চলা দেখেই শেষে ঠিক করলাম, তিন জায়গায় তিনবার না গিয়ে একজন ডাক্তারকেই খুঁজব।
ফোল্ডারে যা যা যাবে
সবকিছুই যাবে। দুই হাসপাতালের রিপোর্ট, এখন যেসব প্রেসক্রিপশন মেনে চলছি সেগুলো, আর কোন অভিযোগ কখন দেখা দেয় তার একটা নোট। যতটা বুঝেছি, বিশেষজ্ঞ আগে পুরনো রিপোর্টগুলো পড়বেন, তিনটা সমস্যা মিলিয়ে আমার পুরো ইতিহাস শুনবেন, তারপর পরীক্ষা করে দেখবেন। রিপোর্ট ভালো করে না দেখে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। আর কোনো সমস্যা যদি স্পষ্টতই অন্য ধরনের ডাক্তারের বিষয় হয়, সেটা সরাসরি শুনতেই আমি পছন্দ করব। এই ডিরেক্টরি ঘাঁটতে গিয়ে দেখলাম, এর আরেক পৃষ্ঠায় গাজীপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকাও আছে। আজ আমার কাজ ওটা নিয়ে নয়। তবু পুরো ডিরেক্টরি এক জায়গায় থাকা সুবিধার।
নিজে থেকে কিছু বদলাব না
সেই বসা পর্যন্ত আমার চলতি নিয়ম যেমন আছে তেমনই থাকবে। প্রতিটা ওষুধ ঠিক যেভাবে আমার জন্য লেখা হয়েছে, সেভাবেই খেয়ে যাচ্ছি। তালিকায় কিছু বদলাতে হলে বদলটা আসবে যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন তাঁর কাছ থেকে। অথবা আসবে এই বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে, পুরো ছবি সামনে পাওয়ার পর। রান্নাঘরের টেবিলে বসে আমার আন্দাজ থেকে কখনোই নয়। রিপোর্ট নিয়ে দ্বিধা থাকা মানেই মাঝপথে কিছু থামিয়ে দেওয়ার কারণ নয়।
যা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না
বেশিরভাগ দিন আমি শান্তভাবেই তারিখটার জন্য অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু কিছু জিনিস সেই অপেক্ষা তুলে দেয়। বুকে ব্যথা। শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। হঠাৎ দুর্বলতা, কিংবা কোথা থেকে যেন এসে পড়া বিভ্রান্তি। কিছুতেই না নামা প্রচণ্ড জ্বর। বমির সঙ্গে রক্ত, কিংবা কাশতে গিয়ে রক্ত ওঠা। এর কোনো একটা দেখা দিলে ঘরে বসে দিন গুনব না। সেদিনই যাব, হাসপাতালে হোক কিংবা যাঁর কাছে সাধারণত দেখাই তাঁর কাছে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
দুই রিপোর্টে মিল নেই জেনেও কি দুটোই নিয়ে যাব?
হ্যাঁ। এই অমিলটাই এই যাত্রার পুরো কারণ। সঙ্গে চলতি প্রেসক্রিপশনগুলোও রাখুন, যাতে সব একসাথে পাশাপাশি দেখা যায়।
শুরু থেকে সবকিছু আবার বলতে হবে কি?
সম্ভবত হ্যাঁ, আর তাতে লাভই হয়। এই ধরনের বিশেষজ্ঞ শুধু সবচেয়ে নতুন অভিযোগ নয়, সব সমস্যা মিলিয়ে ইতিহাসটা শোনেন।
কোন দিন মাথাব্যথা বেশি হয়, লিখে রাখলে কাজে দেবে?
দেবে। তারিখ আর মোটামুটি সময় লেখা সাদামাটা নোটে এমন ছাঁচ ধরা পড়তে পারে, যা নিজে খেয়ালই করেননি।
আমার কোনো সমস্যা যদি অন্য ধরনের ডাক্তারের বিষয় হয়?
তাহলে সেটা স্পষ্ট করেই শুনতে পাবেন বলে ধরে নিন। কোন সমস্যা কার বিষয়, এই বাছাই এই ধরনের পরামর্শেরই অংশ।
ছোট বোন কি আমার সঙ্গে ঘরে ঢুকতে পারবে?
সাধারণত পারে। আরেকজন কানে শুনলে তারিখ, পুরনো রিপোর্ট আর পরে ভুলে যেতে পারেন এমন নির্দেশনায় সুবিধা হয়।
সিরিয়ালের আগেই অফিসে অজ্ঞান হয়ে গেলে বা কাশির সঙ্গে রক্ত উঠলে কি তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব?
অপেক্ষা করবেন না। অজ্ঞান হওয়া আর কাশিতে রক্ত ওঠা সেদিনেরই বিষয়। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ দুর্বলতা বা বিভ্রান্তি, আর কিছুতেই না নামা জ্বরও তাই। সেদিনই হাসপাতালে যান, কিংবা আপনার নিয়মিত ডাক্তারের কাছে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.