সেরা লিভার বিশেষজ্ঞ - দিনাজপুর
খাবারের গন্ধেই বমি ভাব
আমার বয়স পঁয়তাল্লিশ, দিনাজপুরে ধান চাষ করেই সংসার চলে। সপ্তাহ গড়াতে গড়াতে খাওয়ার রুচি কমে আসছে আমার। এখন চুলায় রান্না চাপলেই গন্ধে পেট উল্টে আসে, খেতে বসতেই পারি না। পেটের ওপর দিকে, পাঁজরের নিচে একটা ভোঁতা ব্যথা সারাদিন লেগে থাকে। মাঠের কাজেও আগের জোর নেই, বিকেলের আগেই ক্লান্ত হয়ে পড়ি।
গত বছর একজন লিভার বিশেষজ্ঞ দেখিয়েছিলেন, আমাদের সেই প্রতিবেশীই আমাকে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন। বসায় গিয়ে চাই, তিনি আমার মুখে পুরো ব্যাপারটা শুনুন, রুচি কতদিন ধরে কমছে আর ব্যথাটা কবে থেকে শুরু। আমাদের এখানকার ডাক্তার কিছুদিন আগে কয়েকটা রিপোর্ট করিয়ে দিয়েছিলেন। আগে তিনি সেই রিপোর্টগুলো পড়ে নিন, আমাকে পরীক্ষা করার কাজটা আসুক তার পরে। কাগজপত্র সামনে না এলে কোনো রায় শোনার তাড়া নেই আমার।
DoctorBD24-তে এই মুহূর্তে দিনাজপুরের কোনো লিভার বিশেষজ্ঞের প্রোফাইল নেই, তাই এখানে বুক করার মতো নামও পাওয়া যাচ্ছে না। তার বদলে আমি দিনাজপুরের ডাক্তারদের সাধারণ তালিকা ঘেঁটে দেখেছি, কে কোথায় বসেন আর কখন বসেন। প্রতিটি প্রোফাইলে চেম্বারের ঠিকানা পরিষ্কার করে দেওয়া আছে। পরে কোনো লিভার বিশেষজ্ঞ এই তালিকায় এলে নামটা সেখানেই পাওয়া যাবে।
1 available specialists found
ডাঃ রাইসুল আলম শুভ
খাবারের গন্ধেই বমি ভাব
থালা যেভাবে ফেরত যেতে শুরু করল
একটা সময় ছিল, সামনে যা দেওয়া হতো সব শেষ করে মাঠে ফিরতাম। এখন অর্ধেক খেয়ে থালা ঠেলে দিই। উঠানে ভাজাভাজির গন্ধ ভেসে এলেই পেটটা উল্টে আসে। পেটের ওপর দিকের ব্যথাটা বেশির ভাগ দিনই থাকে, ভোঁতা আর একটানা। বিকেল নাগাদ হাত-পা কাজের চেয়ে ভারী লাগে। হঠাৎ বড় কিছু ঘটেনি আমার সঙ্গে। ঠিক সেই কারণেই পিছিয়ে দেওয়া সহজ ছিল, আর এতদিন পিছিয়েও এসেছি।
বিশেষজ্ঞ যেভাবে ধরনটা বুঝতে চাইবেন
আগে তিনি প্রশ্ন করবেন, এটাই জানি। রুচি কমতে শুরু করেছে কত সপ্তাহ হলো। খাবারের গন্ধে অসুবিধাটা কবে থেকে। ব্যথাটা খাওয়ার পর আসে, নাকি নিজে নিজেই ওঠে। যতটা পারি ঠিকঠাক উত্তর দেব। তারপর আমাদের এখানকার ডাক্তারের করানো রিপোর্টগুলো তাঁর টেবিলে যাবে, সবগুলোই। নিজের হাতে পরীক্ষা আসবে তার পরে। আমার কথা, ওই কাগজপত্র আর তাঁর পরীক্ষা, এই তিনের ওপর দাঁড়ানো মত ছাড়া আর কোনো মত আমি চাই না।
মাঠের কাজ আর আমার নিয়মিত ওষুধ
আমার অল্প কয়েকটা নিয়মিত ওষুধ আছে, সেগুলো প্রেসক্রিপশনে যেভাবে আছে সেভাবেই চলছে। রুচি নেই বলে একদিনের ওষুধ বাদ দেওয়া চলে না, শরীর খারাপ লাগছে বলে নিজে থেকে নতুন কিছু যোগ করাও না। তালিকায় কখনো বদল লাগলে সেটা ঠিক করবেন প্রেসক্রিপশন লেখা ডাক্তার, আমাকে সামনে বসিয়ে। বিশেষজ্ঞ যেন তালিকাটা এখন যেমন আছে ঠিক তেমনই দেখেন। ডাক্তারদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়ার সময় আমার স্ত্রী দিনাজপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকাও পড়ে দেখেছেন, শহরে আর কারা বসেন বোঝার জন্য।
যে লক্ষণে দেরি চলবে না
বুক করা বসার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা এক জিনিস। কিছু বদল সেই অপেক্ষা শেষ করে দেয়। রক্তবমি হলে সেদিনই রওনা হব। পায়খানা কালো হয়ে গেলেও একই কথা। হঠাৎ মাথা পরিষ্কার না হওয়ার বেলায়ও তাই। ঘুমঘুম ভাবটা এত গাঢ় যে বাড়ির লোকের মনে ভয় ঢুকে গেলে সেটা রাত পার করা যায় না। পেটের ব্যথা তীব্র হয়ে উঠলেও তাই। আর ফোলার সঙ্গে শ্বাস নিতে কষ্ট শুরু হলে বাড়িতে বসে থাকা চলে না। এর একটা দেখা দিলে সেদিনের গন্তব্য হাসপাতাল, সেটা না হলে কাছের নিয়মিত ডাক্তার।
প্রথম ফোনে জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন
খাবারের গন্ধের কথাই বলব, নাকি শুধু ব্যথাটার কথা?
দুটোই বলুন, যেভাবে এসেছে সেই ধারায়। কোনো একটা অংশের চেয়ে পুরো ধরনটাই তাঁর কাছে বেশি জরুরি।
আমার কাগজপত্রের মধ্যে তিনি কোনগুলো আগে দেখতে চাইবেন?
এখানকার ডাক্তারের করানো রিপোর্টগুলো, সঙ্গে প্রতিদিন খাওয়া ওষুধের তালিকা। মুখস্থ নয়, আসল কাগজগুলোই সঙ্গে নিন।
বসার দিন পর্যন্ত মাঠে ধানের কাজ চালিয়ে যেতে পারব?
সাধারণ দিনে সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করুন, ক্লান্তি জানান দিলে বিশ্রাম নিন। সেদিনই যাওয়ার মতো কোনো লক্ষণ দেখা দিলে কাজ থামিয়ে চলে যান।
এক বসাতেই কি পুরো ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে?
সবসময় নয়। রিপোর্ট পড়ে, পরীক্ষা করেও তিনি পুরো কথা বলার আগে সময় চাইতে পারেন। সেটা যত্নের কাজ, দেরি নয়।
রুচি কমে যাচ্ছে। অপেক্ষার দিনগুলোতে জোর করে খাব?
জোর করে খেয়ে তেমন লাভ হয় না। যতটা পারা যায় খান, ওষুধগুলো চালিয়ে যান, আর রুচির প্রশ্নটা বসায় তাঁকে সরাসরি করুন।
কোন ধরনের বদল দেখলে অপেক্ষা না করে সেদিনই বেরিয়ে পড়ব?
রক্তবমি। কালো পায়খানা। হঠাৎ করে মাথা পরিষ্কার না হওয়া। ডাকলেও সাড়া মেলে না এমন ঘুমঘুম ভাব। তীব্র পেটের ব্যথা। ফোলার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। একটা হলেই সেদিন রওনা হন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.