সেরা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন - বরিশাল

আসে আর মিলিয়ে যায় এমন ফোলা

আমার বয়স সাঁইত্রিশ, বরিশালে একটা স্কুলে পড়াই। কয়েক মাস আগে খেয়াল করলাম, তলপেটের নিচের দিকে, কুঁচকির কাছে একটা ফোলা জায়গা। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা কাশি দিলে সেটা বেরিয়ে আসে। শুয়ে পড়লে আবার ভেতরে সরে যায়, খুঁজেই পাই না। সারা দিন ক্লাসে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে মাথায় ওই চিন্তাটাই ঘোরে।

আগে একজন ডাক্তার আমাকে পরীক্ষা করে বলেছিলেন, অপারেশন লাগতে পারে। সত্যি বলতে কি, বড় করে কাটার কথা ভাবলেই ভয় লাগে। তাই এত দিন পিছিয়ে এসেছি। এখন চাই, একজন ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ভালো করে দেখে আমাকে সোজা উত্তর দিন। ছোট ছিদ্রের অপারেশন আমার ক্ষেত্রে খাটবে, নাকি খাটবে না? অস্পষ্ট উত্তরের চেয়ে পরিষ্কার না শোনাও আমার কাছে ভালো।

আগে বরিশালে চেম্বার করা ডাক্তারদের বড় তালিকা খুলে বাড়িতে বসে ধীরে ধীরে প্রোফাইলগুলো পড়ে নিতে পারেন। বরিশালে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনের তালিকা ওই সাধারণ তালিকারই অংশ, সেখানে সাধারণভাবে নামগুলো দেওয়া থাকে। স্কুল ছুটির পরের সময়ে আমি সাক্ষাত ঠিক করেছি, আর প্রশ্নগুলো কাগজে লিখে নিয়েছি যাতে ঘরে গিয়ে ভুলে না যাই।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

আসে আর মিলিয়ে যায় এমন ফোলা

দাঁড়ালেই ফোলাটা ফিরে আসে

ধরনটা এখন অদ্ভুত রকমের অনুমানযোগ্য। দুই তিনটা ক্লাস দাঁড়িয়ে নিই, কিংবা ঠান্ডায় কাশি দিই, ফোলাটা আবার বেরিয়ে আসে। তলপেটের নিচে, কুঁচকির কাছে বসে থাকে, নড়াচড়ায় সাবধান করে দেয়। রাতে শুয়ে পড়লে ভেতরে সরে যায়, যেন দিনে কিছুই হয়নি।

মিলিয়ে যায় বলেই নিজেকে বলেছি, অপেক্ষা করা যায়। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ সে ফিরে আসে, মনটাও ফিরে যায় ওই চিন্তায়। এই চক্রটা আপনারও চেনা হতে পারে। বারবার ফিরে আসা জিনিস পরীক্ষা করা দরকার। অপেক্ষা উত্তর দেয়নি, দুশ্চিন্তাই দিয়েছে।

বড় কাটার ভয়টা মুখে বলেই ফেললাম

সাক্ষাতে তিনি আমার ভয়ের কথাটা আগেই শুনবেন, কারণ পরিষ্কার করে বলার পরিকল্পনা করেছি। তিনি পুরো গল্পটাও আগে শুনবেন। ফোলাটা কবে দেখা দিল। কিসে বেরিয়ে আসে। বিশ্রাম নিলে কেমন আচরণ করে। তারপর তিনি আগের রিপোর্ট পড়বেন, জায়গাটা নিজে পরীক্ষা করবেন।

সেই পরীক্ষা আর রিপোর্ট সামনে আসার আগে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। ছোট ছিদ্রের অপারেশন খাটবে, নাকি খোলা অপারেশনই সৎ পথ, সেটা তার ব্যাখ্যার বিষয়। আমি সোজা উত্তরের জন্যই যাচ্ছি। বোঝানো একটা না উত্তরও কাজে আসবে।

রিপোর্ট আর নিয়মিত ওষুধ গুছিয়ে নেওয়া

রোজকার ওষুধ প্রেসক্রিপশনের নিয়মেই খেয়ে যাব, নিজে থেকে কিছু বদলাব না। বদল লাগলে সিদ্ধান্ত নেবেন শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন। অপারেশনের আগে তাকে জিজ্ঞেস করব কোন ওষুধ থামাতে হবে, উত্তরটা লিখেও রাখব। স্কুলে কেউ বলল বলেই নিজে থেকে একটা ট্যাবলেটও বন্ধ করব না।

নিজের প্রস্তুতিতে সংশ্লিষ্ট তালিকা কোথায় আছে জেনে রাখতে পারেন। ছোট ছিদ্রের তালিকার পাশাপাশি বরিশালের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারেন। প্রতিটি সাক্ষাতে রিপোর্ট সঙ্গে নিন, যাতে প্রত্যেক সার্জন একই কাগজ দেখতে পান।

আজই যেতে হবে এমন ব্যথা

বেশিরভাগ দিন ফোলাটা শান্ত থাকে, শুধু আসে আর যায়। অন্য রকম দিনে অন্য রকম সাড়া দরকার। তীব্র পেটব্যথা বাড়িতে বসে সহ্য করার বিষয় নয়। বমি না থামলে অপেক্ষা সেখানেই শেষ হওয়া উচিত। জ্বর বেশি হলে কিংবা অজ্ঞান হয়ে গেলেও সেদিনই চিকিৎসা দরকার।

আমার জন্য সবচেয়ে পরিষ্কার সংকেত হলো, ফোলা জায়গায় ব্যথা বেড়ে শুয়ে পড়লেও ভেতরে না ফেরা। তার মানে সেদিনই, কোনো তর্ক ছাড়া। দেরি না করে হাসপাতালে যান, কিংবা নিজের নিয়মিত ডাক্তারকে দেখান।

যে সৎ উত্তরগুলো শুনতে চাই

তিনি কি দাঁড়ানো আর শোয়া দুই অবস্থাতেই নিজে পরীক্ষা করবেন?

আশা করুন, তিনি নিজেই পরীক্ষা করবেন, কারণ দুই অবস্থায় ফোলাটার আচরণ আলাদা। কোনো বিচারের আগে তিনি আগের রিপোর্টও পড়বেন। দাঁড়ানো, কাশি আর শোয়া, প্রতিটাই তাকে কিছু দেখায়।

ছোট ছিদ্রের পদ্ধতি আমার জন্য নয় বললে কী হবে?

তাহলে তিনি কেন তা ব্যাখ্যা করবেন, আর খোলা অপারেশনই হয়তো আপনার ক্ষেত্রে সৎ পথ হবে। এটা এড়িয়ে যাওয়া নয়, আসল উত্তর। পরিষ্কার শুনলে চোখ খুলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

অপারেশনের আগে কোনো ওষুধ থামাব?

নিজের আন্দাজে কখনো কিছু থামাবেন না। আপাতত নিয়মিত ওষুধ প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী খেতে থাকুন। অপারেশনের আগে সার্জনকে জিজ্ঞেস করুন, কোন ওষুধ থামাতে হবে আর কোনটা চলবে। উত্তরটা লিখে রাখুন।

প্রথমবার যাওয়ার দিন সঙ্গে কী রাখব?

আগের সব রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিন। ফোলাটা কখন বেরোয় আর কখন সরে যায়, তা নিয়ে ছোট নোট যোগ করুন। পরীক্ষার জন্য সুবিধাজনক পোশাক পরে যান।

তিনি কি পরে কী হবে তা হুবহু বলে দিতে পারেন?

কোনো সতর্ক সার্জন পরীক্ষার আগে হুবহু কথা দেন না। তিনি যা দিতে পারেন তা হলো পছন্দগুলোর পরিষ্কার ছবি। আগাম নিশ্চয়তায় সাবধান থাকুন।

কোন অবস্থায় সেদিনই ডাক্তার দেখানো জরুরি?

ফোলা জায়গায় ব্যথা বেড়ে ভেতরে না ফিরলে সেদিনই চিকিৎসা দরকার। তীব্র পেটব্যথা আর না থামা বমিও তাই। বেশি জ্বর বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও এই তালিকায় পড়ে। এমন দিনে নিজের নিয়মিত ডাক্তারকে দেখান, নয়তো সোজা হাসপাতালে চলে যান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.