সেরা কিডনি বিশেষজ্ঞ - দিনাজপুর
আগের চেয়ে গাঢ় রং
প্রথমবার খেয়াল করেও তেমন গা করিনি। প্রস্রাবের রংটা আগের চেয়ে গাঢ় লাগছিল, শুধু এটুকুই। একদিনের অদ্ভুত সকালের ব্যাপার নয়। মাসের পর মাস, বারবার, সেই একই গাঢ় রং। আমার বয়স পঞ্চাশ, স্বামী জমিতে কাজ করেন, আমি সংসার সামলাই, সারাদিন ছোট ছোট জিনিস চোখে পড়ে। এই একটা বিষয় মাথা থেকে গেল না। এর পাশাপাশি ঘরের কাজেও আগের চেয়ে তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে উঠতে শুরু করলাম।
অনেকদিন ধরে গরমকেই দোষ দিয়েছি। সেটাই ছিল সহজ ব্যাখ্যা, আশপাশের সবাই তাতেই সায় দিত। তাই লোকে যেমন বলে, গ্লাসের পর গ্লাস বেশি করে পানি খেলাম। সপ্তাহের পর সপ্তাহ গেল। রংও বদলাল না, ক্লান্তিও কমল না, সহজ ব্যাখ্যাটা আর খাটল না। এক সন্ধ্যায় শেষ পর্যন্ত স্বামীকে সোজাসাপটা বলেই ফেললাম। আমরা দিনাজপুরে একজন কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে প্রথমবার বসার সময় নিয়েছি।
নিচের তালিকাতেই দিনাজপুরের কিডনি বিশেষজ্ঞদের নাম আসবে, এই জেলায় ডাক্তার যোগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। এই মুহূর্তে তালিকাটা এখনো খালি, তাই এখানে কোনো নাম দেখানো হচ্ছে না। চাইলে আপনি দিনাজপুরের সব ডাক্তারের সাধারণ তালিকা খুলে দেখতে পারেন, ওটা সব বিষয়ের ডাক্তারদের মিলিত তালিকা, কেবল কিডনির জন্য আলাদা করা নয়।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
আগের চেয়ে গাঢ় রং
একটা রং, যা বারবার চোখে পড়ল
একবার হলে কিছুই না। দুবার হলে কাউকে বলার মতোও নয়। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ সেই একই গাঢ় রং দেখলাম। এটা অভ্যাস হয়ে গেল। রংটা পঞ্চাশ বছর ধরে চেনা রঙের চেয়ে গাঢ় মনে হতো। অজান্তেই তুলনা শুরু করলাম, যেভাবে মানুষ বোঝে চেনা সিঁড়ির ধাপ বদলে গেছে। রোজকার জিনিস বারবার অবাক করার কথা নয়। এটা করল, মাসের পর মাস।
বেশি পানি খেয়েও কোনো বদল নেই
গরমটাই ছিল আমার ব্যাখ্যা, আর সেটা ছিল সুবিধাজনক ব্যাখ্যা। এখানে গ্রীষ্ম কঠিন, সবাই ঘামে, সবাই ক্লান্ত হয়। তাই বেশি পানি খেলাম, সারাদিন গ্লাসের পর গ্লাস। স্বামী সায় দিলেন। প্রতিবেশীরাও সায় দিলেন। রং দিল না। ক্লান্তিটাও না, যার জন্য দাঁড়িয়ে করা কাজের ফাঁকে বসে পড়তে হচ্ছিল। সপ্তাহের পর সপ্তাহ বেশি পানি খেয়েও যখন কিছু বদলাল না, সুবিধাজনক ব্যাখ্যাটা শেষ হয়ে গেল। এক সন্ধ্যায় স্বামীকে সোজা বললাম, বিষয়টা ঠিকমতো দেখানো দরকার।
স্বামীকে বলা, তারপর সময় নেওয়া
তিনি মাঝখানে কিছু না বলে পুরোটা শুনলেন, আর কদিনের মধ্যেই সময় নেওয়া হলো। কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে এই প্রথম বসায় তিনি আগে পুরো বর্ণনা শুনবেন। কত মাস ধরে রংটা এমন, তিনি জানতে চাইবেন। আমি কী চেষ্টা করেছি, ক্লান্তিটা দিনের সঙ্গে কীভাবে মেশে, তাও শুনবেন। কোনো মত দেওয়ার আগে আমার আগের রিপোর্টগুলো দেখা হবে, সেগুলো না দেখে কিছু ঠিক হবে না। দেখানোর ব্যবস্থা করতে গিয়ে স্বামী এই সাইটের দিনাজপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকাটাও দেখেছেন, জেলার তালিকাগুলো কীভাবে সাজানো বোঝার জন্য। আমার নিয়মিত ওষুধ আমাদের এই চেষ্টার মধ্যে পড়ে না। সেটা ঠিক যেভাবে আমার জন্য দেওয়া হয়েছে সেভাবেই চলবে, বদলালে শুধু যিনি দিয়েছেন তিনিই বদলাবেন।
রঙের পাশাপাশি যেদিকে চোখ রাখি
রং আর ক্লান্তি স্বাভাবিক গতিতে তাদের তারিখ পর্যন্ত যেতে পারে। অন্য লক্ষণ পারে না, সেগুলো এখন আলাদা করে মনে রাখি। প্রস্রাব খুব কম হওয়া, কিংবা একেবারে না হওয়া, আজই অপেক্ষা শেষ করে দেবে। ফোলার সঙ্গে একসঙ্গে শ্বাসকষ্ট এলেও তাই। থামতে না চাওয়া বমি ধৈর্য দিয়ে সামলানোর বিষয় নয়। খুব দুর্বল লাগা, কিংবা বিভ্রান্ত হয়ে ঠিকমতো ভাবতে না পারা, সেটাও সেই তালিকায় পড়ে। এসবের যেকোনো একটা হলে সামনে ঘেরা বিশেষজ্ঞের তারিখ নয়, সেদিনই হাসপাতাল বা চেনা ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
উঠোন থেকে আসা প্রশ্নগুলো
রঙের এমন বদল নিয়ে কি বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত?
আমার ক্ষেত্রে উচিত হয়ে দাঁড়াল, কারণ মাসের পর মাস এটা থেকে গেল। বেশি পানি আর সাধারণ ব্যাখ্যার পরেও টিকে থাকা বদল একবার পুরোপুরি বিশেষজ্ঞকে বলা দরকার।
প্রথম দিনে সঙ্গে করে কী কী নেব?
আগের যেসব রিপোর্ট হাতে আছে, পাওয়ার ক্রম অনুযায়ী নিয়ে যান। সঙ্গে বলতে পারলে ভালো, বদলটা প্রথম কবে খেয়াল করেছিলেন, আর তারপর থেকে কী চেষ্টা করেছেন।
রং আর ক্লান্তি দিন দিন কেমন থাকে, লিখে রাখা কি কাজে দেবে?
অনুভূতির চেয়ে ছোট্ট দৈনিক নোট বেশি কাজের। আমি লিখে রেখেছি কোন দিন বেশি ক্লান্ত লেগেছে, রং একই রকম ছিল কিনা। এ থেকে তিনি একটা ধরন পড়তে পারবেন।
বিশেষজ্ঞ আমার অভ্যাস নিয়ে কী কী জিজ্ঞেস করবেন?
পানি খাওয়া, কাজ, বিশ্রাম আর দিন কীভাবে কাটে, এসব নিয়ে প্রশ্ন আশা করুন। তিনি জিজ্ঞেস করবেন ধরনটা কতদিন ধরে চলছে, আপনার সাধারণ রুটিনও সেই বর্ণনার অংশ।
প্রথম দিনেই কি পরিষ্কার উত্তর পাব?
নাও পেতে পারি, আমি সেভাবে তৈরি হয়েই যাচ্ছি। তিনি কিছু ঠিক করার আগে আমার আগের রিপোর্টগুলো দেখবেন। প্রথম বসা সৎভাবে আরও প্রশ্ন দিয়েই শেষ হতে পারে।
প্রস্রাব প্রায় হচ্ছে না খেয়াল করলে কী করব?
তখন অপেক্ষা সেদিনই শেষ। প্রস্রাব প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফোলা শরীরে শ্বাস নিতে কষ্ট, এগুলো অপেক্ষার বিষয় নয়। বারবার বমি কিংবা খুব দুর্বল ও বিভ্রান্ত লাগলেও সেদিনই হাসপাতালে বা চেনা ডাক্তারের কাছে যান।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.