সেরা বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ - নারায়ণগঞ্জ
ফোনে জমা এক বছরের তারিখ
এক বছর ধরে ফোনে তারিখগুলো টুকে রাখছেন তিনি। ছোট্ট একটা নোটে মাসের পর মাসের হিসাব, কাউকে না জানিয়ে। বয়স আটাশ, বিয়ে হয়েছে চার বছর। নোটটা গোপন কিছু নয় আসলে। শুধু মুখে বলার মতো মন তখনও তৈরি হয়নি। মাঝে মাঝে রাতে একা নোটটা খুলে দেখতেন, তারপর আবার বন্ধ করে রাখতেন। ওজনটা একাই বয়ে বেড়াতে হতো।
স্বামী ডাইং কারখানায় কাজ করেন, ডিউটির পালা বদলায় বারবার। কোনো সপ্তাহে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন, কোনো সপ্তাহে ভোরে বেরিয়ে যান। দুজনের সময় মেলাই ভার। সংসারের বেশির ভাগ পরিকল্পনাই ওই পালার ওপর দাঁড়িয়ে ঠিক হয়। বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দেখানোর কথা উঠলে তাই সময়টাও ঠিক করতে হলো দুজনে মিলে, তাঁর ডিউটির পালা হিসাব করে।
এবার তিনি ফোনটা সঙ্গেই নিচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জে বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ খুঁজলে শুরুটা জেলার ডাক্তারদের তালিকা থেকে করাই ভালো: নারায়ণগঞ্জের ডাক্তার। এই পেজের নিচের তালিকায় জেলার বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞদের নাম যুক্ত হলেই সেখানেই আসবে। তালিকা বদলাতে থাকে, তাই মাঝে মাঝে পুরো তালিকাটা আবার দেখে নেওয়া ভালো।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
ফোনে জমা এক বছরের তারিখ
কাউকে না বলা সেই নোটটা
শুরুটা হয়েছিল একটা তারিখ দিয়ে, যেটা মনে থাকবে কিনা সেই ভরসা ছিল না। তারপর আরেকটা, তারপর আরও। এক বছর পর ফোনে জমে গেল বারো মাসের ছোট ছোট এন্ট্রি, আর তিনি কাউকেই দেখাননি।
লুকোনোর জন্য নয়। মুখে বললে কথাটা পাকা হয়ে যেত, তার আগেই হয়তো মন চাইছিল না। কিন্তু একা বয়ে বেড়ানো হিসাব ভারী হয়। নতুন এন্ট্রি মানেই একই প্রশ্ন ফিরে আসা, নিজের কাছেই।
ডিউটির পালা আর সংসারের ঘড়ি
তাঁর রোস্টার ঘোরে লেগেই থাকে। দিনের পালা, সন্ধ্যার পালা, রাতের পালা, আবার ঘুরে দিন। বাজারের কেনাকাটা থেকে আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়া, সবই ওই রোস্টার দেখে। দুজনের ফাঁকা সময় একসঙ্গে পড়ে কমই।
বিশেষজ্ঞের সময় নিতেও একই হিসাব লেগেছে। দিনের পালা টানা কয়েক দিন পড়ে এমন সময় বেছে নিয়েছেন ওঁরা, যাতে স্বামী মজুরি না হারিয়ে পাশে বসতে পারেন। একটু দেরি হয়েছে, ঠিকই। তবে তাড়াতাড়ির চেয়ে দুজনে যাওয়াটাই বড় ছিল।
ফোনটা এবার টেবিলের ওপর
বসায় গিয়ে এবার তিনি ফোনটা বের করে সামনে রাখবেন। বিশেষজ্ঞ জানতে চাইবেন কতদিন ধরে চেষ্টা চলছে, দুজনের কথাই শুনবেন। পুরনো রিপোর্ট যা আছে, সেগুলোর পাশাপাশি এই নোটটাও দেখবেন। রিপোর্ট ঠিকমতো না দেখে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না, এই ক্রমটাই নিয়ম।
পথে অন্য ধরনের প্রশ্ন উঠলে অন্য ধরনের ডাক্তারের কথাও ভাবতে হয় কখনো। অপারেশনের মতামত দরকার কিনা জানতে চাইলে জেলার নারায়ণগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞকেই জিজ্ঞেস করুন, ওই পথটা আপনাদের ক্ষেত্রে খাটে কিনা।
নতুন ডাক্তার দেখালেই পুরনো নিয়ম বদলায় না। দুজনের যারই নিয়মিত প্রেসক্রিপশনের ওষুধ চলছে, সেটা ঠিক যেভাবে লেখা আছে সেভাবেই চলবে। ওষুধ বদলানো বা বন্ধ করার ক্ষমতা শুধু যে ডাক্তার লিখে দিয়েছেন তাঁর।
এই বসায় যা মিটবে বলে আশা
প্রথম দিনেই সব উত্তর মিলবে, এমন আশা তিনি করেন না। তাঁর চাওয়া ছোট। তারিখ, প্রশ্ন আর অপেক্ষা, এসব যেন এবার থেকে দুজন মানুষ আর একজন ডাক্তার মিলে ভাগ করে নেন। ফোনে একা জমে থাকা নয়।
তবে কিছু ব্যাপার সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। তলপেটে তীব্র ব্যথা, খুব বেশি রক্তপাত কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো হলে সেদিনই হাসপাতালে বা চেনা ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। সময়ের তারিখ অপেক্ষা করতে পারে, ওসব পারে না।
ফোনটা হাতে দেওয়ার আগে
এক বছর ধরে ফোনে তারিখ টুকে রেখেছি। এগুলো নিয়ে যাওয়া কি কাজে লাগবে?
অবশ্যই নিয়ে যান। সৎভাবে রাখা সাধারণ হিসাবই বিশেষজ্ঞকে শুরুতে পরিষ্কার একটা ধারণা দেয়। মুখস্থ করে বলার দরকার পড়ে না।
বিশেষজ্ঞ কি আমার স্বামীর কথাও শুনতে চাইবেন?
সেটাই আশা করুন। প্রথম বসায় সাধারণত দুজনের কথাই ওঠে। কতদিনের চেষ্টা, কার কী মনে হয়েছে, এসবই।
আগের রিপোর্টগুলো কি সঙ্গে নেব?
সবগুলো নিন, পুরনো হলেও। বিশেষজ্ঞ আগে সেসব রিপোর্টই দেখেন, তারপর কোনো কথা বলেন।
ডিউটির পালা বুঝে কি বসার সময় ঠিক করা যায়?
সময় নেওয়ার সময় জিজ্ঞেস করে নিন। অনেক দম্পতিই রোস্টার দেখে ঠিক করেন। দিনের পালার মধ্যে সময় চাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
সবকিছু গুছিয়ে বলতে না পারলে কী হবে?
কিছু হবে না। নোটটা দেখান, যেটুকু পারেন বলুন, বাকিটা বিশেষজ্ঞ জিজ্ঞেস করে নেবেন। তৈরি কথা লাগে না।
সময়ের আগেই যদি হঠাৎ খুব খারাপ কিছু হয়?
তারিখের অপেক্ষা করবেন না। তলপেটে তীব্র ব্যথা, অতিরিক্ত রক্তপাত বা অজ্ঞান ভাব হলে সেদিনই হাসপাতাল বা চেনা ডাক্তার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.