সেরা বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ - ময়মনসিংহ
যে অনুষ্ঠানগুলোয় যাওয়া বন্ধ
আমাদের বাড়িতে ব্যাপারটা ঘটেছে ধীরে ধীরে। বিয়ের দাওয়াত এলে আমি আর আমার স্ত্রী বইয়ের দোকানের হিসাবের খাতা থেকে মুখ তুলে একে অপরের দিকে তাকাতাম। সাড়ে ছয় বছরের সংসার, আর প্রতিটা পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষ হতে শুরু করেছে একইভাবে। কারো মা, কারো খালা, কোণায় বসা কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী কণ্ঠ: তো, খবর আছে নাকি? আমরা হাসতাম, কথা ঘোরাতাম, তারপর বাড়ি ফিরতাম একটা নীরবতায়, যেটা আমার এখন চেনা। এরপর আমরা না বলতে শুরু করলাম। চাচাতো ভাইয়ের অনুষ্ঠান, পাশের বাড়ির ভোজ। দুঃখিত, দোকান আছে। দুঃখিত, শরীরটা ভালো না। প্রশ্নের চেয়ে অজুহাত সহজ ছিল।
কিন্তু ঘরে বসে থাকাটা আমাদের কাছ থেকে এমন সব জিনিস কেড়ে নিচ্ছিল, যার হিসাব রাখিনি। তাই এবার অন্য কিছু করেছি আমরা। বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের কাছে দুজনে মিলে সময় নিয়েছি। সেখানে প্রশ্ন যা-ই হোক, জিজ্ঞেস করবেন এমন একজন, যাঁর কাজই দুই পক্ষের কথা শোনা আর যা জানা আছে, সেটা খতিয়ে দেখা।
ময়মনসিংহে বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ খুঁজলে এই পাতার নিচের তালিকায় তাঁদের প্রোফাইল যুক্ত হলেই দেখা যাবে। এই মুহূর্তে সেখানে কিছু নেই, এটা ডিরেক্টরির অবস্থা, আপনাদের অবস্থার কথা নয়। পুরো ময়মনসিংহের ডাক্তারদের ডিরেক্টরিতে জেলাজুড়ে ডাক্তারদের তালিকা আছে। বিশেষজ্ঞদের তালিকা তৈরি হওয়ার ফাঁকে এই বড় তালিকাটাই ঘেঁটে দেখা ভালো।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
যে অনুষ্ঠানগুলোয় যাওয়া বন্ধ
সাড়ে ছয় বছরে কমতে কমতে যাওয়া দাওয়াত
শুরুতে আমরা সব প্রশ্নে হেসে উত্তর দিতাম। তারপর সেই হাসিটাই কষ্টের হয়ে গেল। পারিবারিক অনুষ্ঠান মানেই সেজেগুজে শহর পেরিয়ে যাওয়া, আর অপেক্ষা করা, কখন কেউ কথা ঘুরিয়ে আমাদের দিকে আনবেন। আসতোই সেই মুহূর্ত। হয়তো অনেকে শুভ মনেই বলতেন, কেউ হয়তো শুধু কৌতূহলী ছিলেন। যেভাবেই হোক, সন্ধ্যা গড়ালে আমার স্ত্রী আস্তে আস্তে চুপ করে যেত। আর আমি সেটা লক্ষ করতে শিখেছি। এক শীতে হিসাব করে দেখলাম, দাওয়াতের অর্ধেকেও আমাদের যাওয়া হয়নি।
ঘরে বসে থাকার খেসারত
খেসারতটা প্রশ্নগুলো নয়। খেসারত তার চারপাশের সবকিছু। ভাগনের প্রথম জন্মদিনে যাওয়া হয়নি, শুনতে হয়েছে মাসের পর মাস। আমার স্ত্রী নিজের চাচাতো বোনদের ফোন করা বন্ধ করে দিলেন, কারণ প্রতিটা ফোন ঘুরে ফিরে একই জায়গায় আসত। যেসব অনুষ্ঠানে যেতাম, সেখান থেকে ফেরার পথের একটা রীতি ছিল। সে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকত, বাড়ি চোখে না পড়া পর্যন্ত কারো মুখে বেশি কথা থাকত না। সরে যাওয়াটাকে সুরক্ষা মনে হতো। ধীরে ধীরে সেটা ছোট হয়ে আসা জীবনের মতো লাগতে শুরু করল।
দুজনে মুখোমুখি, যেখানে শোনারই ব্যবস্থা
বিশেষজ্ঞের ঘর আর আত্মীয়ের বৈঠকখানা এক জায়গা নয়। ওখানকার প্রশ্নের একটা উদ্দেশ্য থাকে। বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ জানতে চাইবেন আমরা কতদিন ধরে চেষ্টা করছি, আমার স্ত্রীর কথা শুনবেন, তারপর আমার কথা। আর কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে আগের রিপোর্টগুলো খতিয়ে দেখবেন। রিপোর্ট না দেখে কিছুই ঠিক হয় না। এই ক্রমটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পথে অন্য ধরনের ডাক্তারের দরকার পড়লে ডিরেক্টরিতে তাঁদের তালিকাও আছে। যেমন ময়মনসিংহের জেনারেল সার্জন। আর এই পুরো সময়ে আমরা বাড়ির একটা নিয়ম ধরে রেখেছি। কারো নিয়মিত প্রেসক্রিপশনের ওষুধ চললে সেটা ঠিক যেমন দেওয়া হয়েছে, তেমনই চলবে। এসব অ্যাপয়েন্টমেন্টে পুরনো প্রেসক্রিপশন বদলায় না। বদলাতে পারেন শুধু যিনি সেটা লিখেছেন, সেই ডাক্তারই।
আবার বাইরের দুনিয়ার দিকে
একটা বসায় সাড়ে ছয় বছরের উত্তর মিলবে, এমন আশা আমার নেই। কিন্তু এটা সামনের দিকে ফেলা একটা পা। আর তারিখটা আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে মিলেই ঠিক করেছেন, এতেই এটা লুকিয়ে থাকার চেয়ে আলাদা। অনুষ্ঠানে আবার যাওয়া হলে যাব। প্রশ্ন তখনো আসতে পারে, দম্পতিরা যেভাবে সামলান, সেভাবেই সামলাব। কিন্তু জরুরি অবস্থা আলাদা ব্যাপার। কারো তলপেটে তীব্র ব্যথা উঠলে সেদিনই হাসপাতালে বা নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রক্তপাত কিংবা মাথা ঘুরে গেলেও তাই। সেটার জন্য বুক করা অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা চলে না।
প্রথমে যা যা জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলাম
বিশেষজ্ঞ কি স্ত্রীর পাশাপাশি স্বামীকেও দেখেন?
হ্যাঁ। দুজনের জন্যই সময় নিন, কথাটা পরিষ্কার করে বলুন। প্রথম দেখায় দুই পক্ষের কথাই শোনা হয়, কারণ প্রশ্নটা দম্পতির, একজনের নয়।
প্রথম বসায় কী কী নিয়ে যাব?
আগের যেসব রিপোর্ট আছে, যেভাবে আছে সেভাবেই। বিশেষজ্ঞ আগে সেগুলোই দেখেন, তাই এলোমেলো গোছাও খালি হাতের চেয়ে ভালো।
প্রথম দিনেই কি কারণটা জানতে পারব?
সম্ভবত না। প্রথম দিনটা শোনার আর সঙ্গে আনা কাগজ পড়ার দিন। কারণ জানা গেলে সেটা আসে এর পরে।
দুজনেই থাকতে পারব, এমন সময় কীভাবে নেব?
বুক করার সময় সরাসরি চেয়ে নিন, আর এমন সময় বেছে নিন যখন দুজনেই সত্যিই যেতে পারবেন। একজনের একা তাড়াহুড়ো করে যাওয়া বসা অর্ধেক উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলে।
আসতে এতটা দেরি করে ফেললাম, এটা কি ঠিক আছে?
হ্যাঁ। দম্পতিরা এই দরজায় সব পর্যায়েই আসেন। বছর ধরে অপেক্ষা করলেও প্রথম আলাপের যোগ্যতা হারায় না।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগেই জরুরি কিছু ঘটলে কী করব?
তখন সেদিনের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টের মূল্য থাকে না। তলপেটে তীব্র ব্যথা, অতিরিক্ত রক্তপাত বা মাথা ঘুরে গেলে সেদিনই হাসপাতালে বা নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যান।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.