সেরা বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ - হবিগঞ্জ

এক বছর সবার কথা শুনে

হবিগঞ্জে এক চা-বাগানের অফিসে বসে আমার দিন কাটে কাগজপত্রে। অফিসের কাজ গোছানো, কিন্তু ঘরের জীবনটা তেমন ছিল না। বিয়ের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে, সন্তান এখনো আসেনি। আত্মীয়রা খেয়াল করেছেন, প্রতিবেশীরাও করেছেন, পরামর্শ সবার কাছেই তৈরি ছিল। পুরো একটা বছর আমরা সেই পরামর্শের পেছনেই ঘুরলাম। একজনের কথা শেষ হলে আরেকজন, তবু কেউ দুজনকে ঠিকমতো বসিয়ে শুনলেন না। পরামর্শগুলোর কোনোটা নিয়েই আমাদের আপত্তি ছিল না, ঘাটতি ছিল শোনার মানুষের।

এক সন্ধ্যায় বাড়ি শান্ত হলে আমি আর স্ত্রী অনেকক্ষণ কথা বললাম। ঠিক করলাম, পরের পদক্ষেপটা আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্তেই হবে। পারিবারিক আড্ডায় পাওয়া আরেকটা পরামর্শ নয়। নিজেরা সময় নিয়ে বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের কাছে বসব। তিনি চাইলে আগে স্ত্রীর কথা শুনবেন। তারপর আমারটাও, কারণ এই গল্পের দুটো দিকই আছে।

হবিগঞ্জে বসেন এমন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞদের তালিকা নিচে দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বুকিংয়ের তথ্যসহ। প্রোফাইল ধীরে পড়ে পরিবারের সুবিধামতো বসার সময় বেছে নিন। অন্য প্রয়োজনে ডাক্তার দরকার হলে হবিগঞ্জের সব ধরনের ডাক্তারের পুরো তালিকা দেখে স্থানীয় সব বিশেষত্ব যাচাই করতে পারেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

এক বছর সবার কথা শুনে

একটা বছর কেটে গেল নানা জনের পরামর্শে

শুরুটা এক ফুফুর হাত ধরে, যিনি শুধু ভালোই চেয়েছিলেন আমাদের। তারপর বাগানের এক সহকর্মী, তারপর স্ত্রীর দিকের কেউ একজন। প্রত্যেকে আন্তরিকভাবেই নিজের মতটা বলেছেন আমাদের ভালো চেয়ে। আমরা শুনেছি, মাথা নেড়েছি, কৃতজ্ঞ থাকার চেষ্টা করেছি। তবু সেই বৃত্তেই একটা বছর কেটে গেল।

ওই বৃত্তের কেউ আমাদের দুজনকে একসঙ্গে বসতে বলেননি কখনো। কতদিন ধরে চেষ্টা চলছে, সেটাও কেউ জানতে চাননি ঠিক করে। উত্তরগুলো গেছে আলাদা মানুষের কাছে, আলাদা ঘরে, টুকরো হয়ে। টুকরো জুড়ে কারো সামনে পূর্ণ ছবি তৈরি হয়নি।

শেষ পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তেই এলাম

নিজেরা সময় নেওয়ার অনুভূতিটা শুরু থেকেই অন্য রকম লাগল। তারিখটা আমরা বেছেছি, সঙ্গে কী নেব তাও আমরাই ঠিক করেছি। স্ত্রী কাপড়ের ব্যাগে আমাদের আগের কাগজ রাখেন বাড়িতে। যত এলোমেলোই হোক, সেই কাগজ আমাদের সঙ্গেই যাবে।

প্রথম বসায় তিনি মত গড়ার আগে দুজনের কথাই শোনেন। চেষ্টা কতদিন ধরে চলছে, এমন প্রশ্ন তাঁর কাছ থেকে আসবেই। হাতে থাকা আগের কাগজ শুরুতেই তাঁর টেবিলে পৌঁছানো ভালো। খণ্ড খণ্ড শোনা আর ভদ্র অনুমানে তিনি কিছু ঠিক করেন না।

আমার নিয়মিত ওষুধ নিয়ে প্রশ্নই ওঠেনি

আমি প্রতিদিন একটা প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খাই, নিজের ডাক্তার শুরু করেছেন আগে। পরামর্শের বৃত্তে কেউ কখনো সেটা জানতে চাননি, মজার ব্যাপার। বসার সময় বিশেষজ্ঞকে ওষুধটার কথা আমরাই জানিয়ে দেব। তিনি যা-ই লিখে রাখুন, আমার নিয়ম লেখা অনুযায়ীই চলবে। বদলের সিদ্ধান্ত শুধু যিনি লিখে দিয়েছিলেন তাঁরই।

এর মধ্যে আপনার নিয়মিত ওষুধও আগের নিয়মেই খেতে থাকুন। নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের কারণে পুরনো নিয়মে অস্থিরতা আনার দরকার নেই। অস্ত্রোপচার সংক্রান্ত আলাদা প্রশ্ন কখনো উঠলে হবিগঞ্জে বসেন এমন জেনারেল সার্জনদের খুঁজে নিজে চেম্বারে কথা বলুন।

পরামর্শে থামে না যে ব্যথা

ঘরের ছোটখাটো দ্বিধায় পরামর্শ বেশ কাজে আসে সাধারণত। শরীর বিপদসংকেত দিলে পরামর্শে কিছুই হয় না তখন। তলপেটে কিংবা কোমরের গভীরে তীব্র ব্যথা তেমনই এক সংকেত। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রক্ত যাওয়া কিংবা হঠাৎ জ্ঞান হারানোও আরেক সংকেত।

এমন দিনে সব পরামর্শদাতাকে পাশ কাটিয়ে সোজা চিকিৎসায় যান। সেদিনই হাসপাতালে যাওয়াটাই সঠিক পদক্ষেপ হবে। কাছে হলে চেনা নিয়মিত ডাক্তারও প্রথম গন্তব্য হতে পারেন। বুক করা বসার অপেক্ষা সেখানে ভুল ধৈর্য হবে।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

এই অ্যাপয়েন্টমেন্টের কথা পরিবারকে জানাতেই হবে কি?

সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আপনারা দুজন দম্পতি হিসেবেই নেবেন। কোনো পরিবার প্রতিটা ধাপ জানায়, কেউ চিকিৎসার যাওয়া শুরুতে গোপন রাখে। বিশেষজ্ঞ আত্মীয়দের যুক্ত থাকা প্রত্যাশাই করবেন না।

দুজনের একসঙ্গে যাওয়াটা কি জরুরি?

একসঙ্গে গেলে অনেক ভালো, কারণ তাঁর প্রশ্ন যৌথ ইতিহাস নিয়ে। পুরো গল্পটা স্ত্রীর একা বয়ে নেওয়ার কথা নয়। যৌথ বসায় পরে সব আবার বলার ঝামেলাও এড়ানো যায়।

বাড়ি থেকে কোন কাগজগুলো সঙ্গে নেওয়া ভালো?

পরিবারে জমে থাকা আগের রিপোর্ট বা নোট যা আছে সঙ্গে নিন। পুরনো কাগজ দেখে তিনি আগে কী দেখা হয়েছে বুঝতে পারেন। আসার আগে সুন্দর করে সাজানোর দরকার নেই।

প্রথম বসাতেই কি তিনি আমাদের নিশ্চিত কোনো দিশা দেবেন?

সম্ভাবনা কম, কারণ প্রথম বসা মূলত শোনা আর পড়ার জন্যই। সিদ্ধান্তের আগে তিনি দুজনের কথা আর থাকা কাগজ চান। ধীরে শুরু হওয়া মানেই সাধারণত যত্নে এগোনো।

সাধারণ পরামর্শের চেয়ে বিশেষজ্ঞের বসা আলাদা কোথায়?

তিনি দুজন সঙ্গীকে এক ঘরে বসিয়ে ঠিকমতো শোনেন। প্রশ্নগুলো যৌথ সময়রেখা নিয়ে, এলোমেলো পরামর্শ নিয়ে নয়। মত দেওয়ার আগে আগের কাগজ পড়ে দেখা হয়।

কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সেদিনই হাসপাতালে যাওয়া দরকার?

তলপেটে তীব্র ব্যথা হলে দেরি না করে ভেতরে যান। অনেক বেশি রক্ত গেলে সেদিনই হাসপাতালের যত্ন দরকার। বাড়িতে একবার জ্ঞান হারালেও সেদিনই জরুরি পরীক্ষা করানো উচিত।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.