সেরা বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ - ফেনী
দোকান বন্ধের পর সন্ধ্যার বসা
আমার স্ত্রী এই দেখা নিয়ে এখন পর্যন্ত চারবার না বলেছেন। রাগ করে নয়। তিনি চুপ করে যান, তারপর অন্য প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর ভয়টা বোঝা কঠিন কিছু নয়। আমাদের মতো ছোট শহরে কেউ না কেউ চেম্বারে ঢুকতে দেখেই ফেলে। সন্ধ্যা নামতে নামতে পুরো গলিতে গল্প তৈরি হয়ে যায়। ফেনীতে আমার ছোট্ট একটা দোকান আছে। ওইসব গল্প আমি নিজের কাউন্টারে বসেই রোজ শুনি। তাই জোর করে বোঝানো ছেড়ে আমি অন্য পথে বুকিং দিয়েছি।
বসাটা সন্ধ্যায়, আমি দোকানের শাটার নামানোর পর। এটুকুতে তিনি রাজি হয়েছেন, কারণ সন্ধ্যার ভিড়ে যে গোপনীয়তা থাকে, সকালে তা থাকে না। আমরা দুজনে মিলে যাব একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের কাছে। প্রথমদিন তিনি শুধু শুনে গেলেও চলবে, কথা বলতে না পারলে জোর করা হবে না। বাড়িতে যা পুরনো কাগজপত্র আছে, আমি সেগুলো সঙ্গে নেব। সাড়ে চার বছরের সংসার, দেখা গেল, একটা পাতলা ফাইলেই ধরে যায়।
নিচে ফেনীতে বসেন এমন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞদের নাম আছে, প্রত্যেকের সঙ্গে চেম্বারের ঠিকানা আর বুকিংয়ের বিবরণ। অন্য ধরনের ডাক্তারের সঙ্গেও তুলনা করে দেখতে চাইলে ফেনীতে বসেন এমন সব ডাক্তারের তালিকা ঘাঁটতে পারেন। আমাদের সন্ধ্যার সময় ঠিক হয়ে গেছে। বাকি শুধু দোকান তালা দিয়ে বেরিয়ে পড়া।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
দোকান বন্ধের পর সন্ধ্যার বসা
তিনি বারবার বলছিলেন: লোকে জিজ্ঞেস করবে কোথায় গিয়েছিলে
তাঁর ভয় কখনো ডাক্তার নিয়ে ছিল না। ভয় ছিল পরে আসা প্রশ্নগুলো নিয়ে, চেনা মানুষদের মুখে। কে দেখেছে তোমাদের। কোথায় গিয়েছিলে। কী বলল ওরা। যেটুকু কথা দিতে পেরেছি, সেটা ছোট, কিন্তু সৎ: আমরা এমন একটা সময়ে যাব, যখন গলি নিজের কাজে ব্যস্ত থাকে। আর কেউ জিজ্ঞেস করলে উত্তর আমরা একসঙ্গেই দেব, নইলে দেব না।
চার দফা বোঝানোর কাজ যা পারেনি, ওই কথাটুকু তা করে দিল। সন্ধ্যার পরিকল্পনায় তিনি মাথা নাড়লেন। আমাদের সংসারে ওই মাথা নাড়াটাই একটা সম্মতি, যার মর্যাদা রাখতে হয়।
সন্ধ্যার বসা, শুধু দুজনের
প্রথম বসায় বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দুই সঙ্গীর কথাই শোনেন। বুকিংয়ের সময়ই এটা ঠিক হয়ে গিয়েছিল, আর এতে আমার স্ত্রীও একটু সহজ হয়েছেন। আমরা দুজনে কতদিন ধরে চেষ্টা করছি, তিনি তা জিজ্ঞেস করবেন। আগের কোনো কাগজ থাকলে নিজের মত দেওয়ার আগে সেগুলোও দেখে নেবেন। না দেখা কাগজের ওপর ভর করে তিনি কিছু ঠিক করে ফেলেন না।
আমার স্ত্রী চাইলে পুরো সময়টা চুপ করে বসে থাকতে পারেন। শোনাটাও অংশ নেওয়ারই একটা রূপ। তাঁর প্রশ্ন আসবে তাঁর নিজের সময়ে, নিজের মতো করে।
এই দেখার জন্য তাঁর ওষুধের নিয়ম বদলাবে না
তিনি একটা ওষুধ নিয়মিত খান, এসব শুরু হওয়ার অনেক আগেই তাঁর নিজের ডাক্তারের লিখে দেওয়া। নতুন চেম্বারে যাওয়া ওই নিয়মে কোনো বদল আনে না। আমরা যা যা নতুন করে শুরু করছি, তার মাঝখানেও ওষুধটা প্রতিদিন ঠিক যেভাবে বলা আছে সেভাবেই চলবে। বদলাতে হলে বদলাবেন শুধু যিনি ওটা লিখে দিয়েছেন, ব্যস।
শুরুর দিকেই ওষুধটার কথা তাঁকে জানিয়ে দেব, যাতে তিনি নিজের নোটে তুলে রেখে ওখানেই রেখে দিতে পারেন। এই একই সাইট পরিবারগুলোকে অন্য ধরনের ডাক্তার খুঁজতেও সাহায্য করে, যেমন ফেনীর জেনারেল সার্জনরা। আজকের কাজটা শুধু আমাদের দুজনের: বন্ধ দোকান, পাতলা ফাইল, প্রথম একটা কথোপকথন।
চেম্বার নয়, হাসপাতালে পাঠায় যেসব লক্ষণ
আমাদের পুরো পরিকল্পনা সাজানো একটা শান্ত সন্ধ্যার বসা ঘিরে। একটা পরিস্থিতি সেই পরিকল্পনা পুরোপুরি ভেঙে দেয়, আর দেওয়াটাই উচিত। তলপেটের প্রচণ্ড ব্যথা চেম্বারে বসে আলোচনার বিষয় নয়। তাঁর স্বাভাবিক ধারার চেয়ে অনেক বেশি রক্ত যাওয়াও নয়। হঠাৎ জ্ঞান হারানোও নয়, যখনই ঘটুক, যেখানেই ঘটুক।
এরকম লক্ষণ দেখা দিলে সেদিনই হাসপাতালে ছুটতে হয়, অথবা ভরসার কোনো চেনা ডাক্তারের কাছে। বিশেষজ্ঞের সন্ধ্যার তালিকার জন্য বসে থাকার বিষয় এটা নয়।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
সন্ধ্যার বসা কি সত্যিই তালিকায় পাওয়া যায়?
পাওয়া যায়। নিচে প্রতিটি নামের পাশে চেম্বারের সময় দেওয়া আছে। যেই সময়টায় দুজনে তাড়াহুড়ো ছাড়া পৌঁছাতে পারবেন, সেটাই বেছে নিন।
আমার স্ত্রী প্রথম দেখায় বেশি কথা না বলে শুধু শুনতে পারেন?
পারেন। শোনাটাও অংশ নেওয়ার মধ্যে পড়ে। ভদ্র কোনো বিশেষজ্ঞ কারো মুখ থেকে জোর করে কথা বের করবেন না।
প্রশ্ন কি শুধু তাঁকেই করা হবে, নাকি আমাদের দুজনকেই?
দুজনকেই। স্বামীর কথাও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ শোনেন, কারণ আপনারা যে বছরগুলোর কথা বলছেন, সেগুলো দুজন মানুষের বছর।
বাড়ি থেকে কী কী কাগজ নিয়ে যাব?
আগের যত রিপোর্ট বা কাগজ হাতে আছে, যত কমই হোক, সব নিয়ে যান। আগে যা আছে তিনি সেগুলো দেখে নেন, তারপর ঠিক করেন আর কী দেখা বাকি। ফাইল পাতলা হলে লজ্জার কিছু নেই।
প্রথম বসাতেই কি কিছু ঠিক হয়ে যায়?
প্রায় কিছুই নয়, আর সেটা পরিকল্পনা করেই। কাগজ পড়া আর দুই সঙ্গীর কথা শোনার আগে তিনি কিছু ঠিক করেন না। প্রথম সন্ধ্যাটা মূলত শোনার জন্যই।
আজ রাতে তিনি ব্যথায় দ্বিগুণ হয়ে কুঁকড়ে আছেন। তবু কি সন্ধ্যার স্লট পর্যন্ত অপেক্ষা করব?
করবেন না। ওই তীব্রতার ব্যথা, অস্বাভাবিক বেশি রক্ত যাওয়া কিংবা জ্ঞান হারানো মানেই আজই হাসপাতাল। সন্ধ্যার স্লটটা ছেড়ে দিয়ে পরে আবার বুক করা যাবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.