সেরা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার - লক্ষ্মীপুর

সন্ধ্যা নামলেই ক্লান্ত গলা

ফজরের আজানে গলাটা নিজে নিজেই বেরিয়ে আসে, জোর লাগে না। কিন্তু এশার নামাজে এসে সেই গলা শুকিয়ে খসখসে হয়ে যায়। শেষ লাইনগুলো পেছনের কাতারে পৌঁছায় শুধু এই কারণে যে তখন ঘরটা একদম নীরব। তাঁর বয়স সাতচল্লিশ। লক্ষ্মীপুরের এক পাড়ার মসজিদে তিনি ইমামতি করেন। দিনটা তাঁর চলে নামাজের হিসেবে: পাঁচ ওয়াক্ত ডাকা আর ইমামতি, ফাঁকে ফাঁকে বাচ্চাদের পড়ানো।

শুক্রবারে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় গলার। খুতবা লম্বা, হলঘর ভর্তি মানুষ। সন্ধ্যার নামাজে এসে গলার ভেতরটা যেন ঘষা লেগে জ্বলতে থাকে। যেসব দিনে কথা কম, সেসব দিন তুলনায় ভালো যায়। রাতে ঘুম ঠিকঠাক হলে সকালে আবার ফরসা গলাই ফিরে পান। তাই এতদিন নিজেকে বোঝাতেন, এটা শুধু ক্লান্তি। কিন্তু গত এক বছরে সেরে ওঠাটা ধীর হয়ে এসেছে। কোনো কোনো সকালে গলা আগের সন্ধ্যার জায়গা থেকেই শুরু হয়।

মাদরাসার এক বয়স্ক সহকর্মী বললেন এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কথা। তাঁর প্রথম বসা নাকি লম্বা হয়, আর বেশিরভাগটাই জুড়ে থাকে দিনটা আসলে কীভাবে কাটে, সেই প্রশ্ন। DoctorBD24-তে লক্ষ্মীপুরে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকা দেখতে গিয়ে তিনি সেই নারী ডাক্তারের নামটা পেয়ে রেখে দিলেন। তাঁর ইচ্ছা, সারাদিনে গলাটা কী কী পার হয়, তা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একবার শোনাবেন। তারপর কোনো পরামর্শের আগে শুনবেন, ডাক্তার এসব থেকে কী বুঝলেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

সন্ধ্যা নামলেই ক্লান্ত গলা

ভোরে ফরসা, সন্ধ্যায় ভাঙা

দিনের প্রথম আজানটা তাঁর কাছে সবচেয়ে সহজ কাজ। ঘুম থেকে ওঠা গলা ঠিকঠাক থাকে, সামনের কাতারের কাউকে কান খাড়া করতে হয় না। ঝামেলা বাড়ে যোহরের পরের পড়ানোয়। বাচ্চারা লাইনের পর লাইন তাঁর পেছনে পড়ে, আর প্রতিটা ভুল তাঁকে গলা ছেড়ে শুধরে দিতে হয়, একে একে সবার। আসরের নামাজে এসে গলায় শুকনো ভাব এসে যায়। আয়াতের ফাঁকে ফাঁকে কেশে গলা পরিষ্কার করেন তিনি। কোনো কোনো সন্ধ্যায় ভাঙা ভাবটা কথার ওপর ধুলো হয়ে বসে থাকে। তখন কারো প্রশ্নের উত্তর দেন ছোট ছোট বাক্যে, যাতে ভোরের জন্য গলাটুকু বাঁচে।

ঘণ্টা ধরে ধরে গলার ব্যবহার জানতে চান তিনি

প্রথম বসায় ডাক্তার গলা দিয়ে শুরুই করেন না। শুরু করেন দিনটা দিয়ে। কোন সময়টায় গলার ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে, কখন গলা বিশ্রাম পায়, মাঝখানে কতবার পানি খাওয়া হয়? তিনি ভেবেছিলেন, একঝলক দেখেই ছোট করে কিছু বলে দেওয়া হবে। তার বদলে ডাক্তার খাতা খুললেন।

তারপর প্রশ্ন ঘুরে যায় রাতের দিকে। ঘুম কেমন হয়, মুখ শুকিয়ে উঠে পড়েন কি না, শেষ নামাজের পর কী খাওয়া হয়? সাধারণ খুঁটিনাটিগুলো লিখে রাখেন তিনি। পুরো বিবরণটা সামনে না দাঁড়ালে কোনো কথাই এগোয় না।

নিয়মিত ওষুধ চলবে প্রেসক্রিপশনের লেখা অনুযায়ীই

তিনি প্রতিদিন সকালে প্রেসক্রিপশনের একটা ওষুধ খান, অন্য একটা বিষয়ে, যেটা তাঁর নিজের ডাক্তার দেখভাল করেন। এই বসায় সেই নিয়মে কিছু বদলাবে না। মাত্রা নয়, সময় নয়, ওষুধটাও নয়। কখনো বদল দরকার হলে বদলাবেন সেই ডাক্তারই, যিনি প্রেসক্রিপশনটা লিখে দিয়েছিলেন। অন্য কারো হাতে সেই সিদ্ধান্ত নেই। ডাক্তার জানতে চাইবেন তিনি কী খান, যাতে তাঁর খাতায় হিসাবটা পুরো থাকে।

গলার কোনো কোনো সমস্যা সার্জনের সামনেই তোলা দরকার

গলার সব সমস্যা ধারাবিবরণের খাতায় তোলার মতো নয়। ঘাড়ের কোনো ফোলা যদি মাসের পর মাস বেড়েই চলে, সেটা সার্জনের চোখে দেখানো দরকার। গলার ভাঙা ভাব কোনো সকালে আর না সারলে, থেকে গেলেও একই কথা।

তাঁর গলা কখনো সেদিকে মোড় নিলে পরিবারকে অন্ধকারে হাতড়াতে হবে না। DoctorBD24-তে লক্ষ্মীপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকা এক পেজেই দেওয়া আছে, বাসায় বসে সবাই মিলে দেখে নেওয়া যাবে।

গলার এই লক্ষণগুলো দেখলে সেদিনই হাসপাতাল

ক্লান্ত গলা আগে থেকে ঠিক করা বসার জন্য অপেক্ষা করতে পারে। শ্বাসনালি সরু হয়ে আসা পারে না। বসে থাকা অবস্থাতেও শ্বাস নিতে কষ্ট হলে মানে সেদিনই হাসপাতাল। নিজের থুথু গিলতে না পারলেও একই কথা। গলা হঠাৎ একদম বসে যাওয়াও এই তালিকায় পড়ে। কাশির সঙ্গে রক্ত উঠলেও তাই।

সেদিন বসাটা কোনো তর্ক ছাড়াই পিছিয়ে যাবে। তিনি সেদিনই জরুরি চিকিৎসার জায়গায় যাবেন। ধারাবিবরণের লম্বা আলাপটা হবে পরে, শ্বাস আবার সহজ হলে।

বসতে যাওয়ার আগে তাঁর জমিয়ে রাখা প্রশ্ন

তিনি কি শুধু আমার গলার কথাই শুনবেন?

শুধু গলার কথা নয়। তিনি শুনতে চাইবেন সারাদিনে গলাটা কীভাবে ব্যবহৃত হয়। মাঝখানের ঘুম, খাবার আর পানির কথাও আসবে।

আমার কোনো রিপোর্ট বা পরীক্ষা করা নেই। তাতে কি আসে যায়?

নিজের ধারাবিবরণটাই নিয়ে যান। কোন দিন সবচেয়ে খারাপ যায়, কোন সকালে গলা ফরসা থাকে।

প্রথম বসায় কি অনেকক্ষণ লেগে যায়?

সাধারণ দেখানোর চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। হাতে সময় নিয়ে যান, যাতে তাড়াহুড়ো না পড়ে।

আমার গলা প্রতি সকালেই সেরে ওঠে। তবু কি বলা দরকার?

যেভাবে চলছে, ঠিক সেভাবেই বলুন। রোজ ক্লান্ত হয়ে সকালে সেরে ওঠা গলার বিবরণটাই তিনি পুরোটা শুনতে চান।

যাওয়ার আগে কয়েকদিন গলাকে পুরো বিশ্রাম দিয়ে যাব?

নিয়মিত রুটিনটাই চালিয়ে যান। তিনি চান আসল ধারাটা, বিশ্রাম দিয়ে সাজানো রূপটা নয়।

আজ সকাল থেকে গিলতে প্রায় পারছি না, শ্বাসেও টান লাগছে। বসা শনিবারে। কী করা উচিত?

শনিবার পর্যন্ত বসে থাকবেন না। আজই হাসপাতালে যান। সুস্থ ও নিরাপদ হলে বসাটা আবার ঠিক করা যাবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.