সেরা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার - কুষ্টিয়া
প্রতি রাতে দুইবার ওঠা
প্রথমবার ঘুম ভাঙে রাত একটার দিকে। দ্বিতীয়বার তিনটের কাছাকাছি। বয়স পঞ্চাশ, কুষ্টিয়ায় গৃহিণী তিনি, আর বেশিরভাগ রাতেই তাঁকে দুইবার বিছানা ছেড়ে বারান্দার শেষ মাথার বাথরুমে যেতে হয়। তখন ঘর নীরব, উঠান অন্ধকার, আর ফিরে এসে ঘুমটা সহজে আর আসতে চায় না।
পাশে স্বামী ঘুমিয়ে থাকেন, আর তিনি জেগে শুয়ে পরের দিনের কাজের হিসাব মেলাতে থাকেন। কোনো কোনো রাতে শেষের দিকে ঘুম একেবারেই আসে না, তখন তিনি উঠে বসে ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষা করেন। ভোর হতে হতে জোগাড় হয় টুকরো টুকরো পাঁচ ঘণ্টার মতো ঘুম। সেই ক্লান্তি তাঁর সঙ্গে সঙ্গে চলে সারা দিন, রান্নাঘরে, কাপড় কাচায়, উঠানের কাজে।
তাঁর বোন গত বছর এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কাছে বসেছিলেন, বাড়ি ফিরে তিনি বলেছিলেন প্রশ্নের কথা, কত পেছনের কথা পর্যন্ত তিনি জানতে চেয়েছিলেন। DoctorBD24-তে কুষ্টিয়ার ডাক্তারদের তালিকা দেখতে গিয়ে তিনি সেই ডাক্তারের নামটা খুঁজে পেয়েছেন। তিনি চান, ঘণ্টা ধরে ধরে তাঁর রাতগুলো আগে শোনানো হোক, তারপর ডাক্তার কিছু বলুন। নিজের মুখে পুরোটা বলতে না পারলে গল্পটা অর্ধেক থেকে যাবে, এই ভাবনাটাই তাঁকে এগিয়ে নিচ্ছে।
2 available specialists found
প্রতি রাতে দুইবার ওঠা
বেশিরভাগ রাতেই দুইবার ওঠা
তাঁর রাতের আকারটা প্রায় বদলায় না। রাতের খাবারের পর ঘুম আসে, গভীর রাতে একবার ঘুম ভাঙে, তারপর বিছানায় ফিরলেও আগের মতো শান্তি মেলে না। এরপর দ্বিতীয়বার ওঠা, আর তার পরের সময়টাই সবচেয়ে কঠিন। আকাশ ফরসা না হওয়া পর্যন্ত তিনি জেগেই শুয়ে থাকেন।
সন্ধ্যায় কখন কী খান আর পান করেন, তা নিয়ে তিনি নিজে নিজে পরীক্ষা করেও দেখেছেন। আগে আগে রাতের খাবার, শুতে যাওয়ার আগে পানি কম। তবু দুইবার ওঠা সময় মেনেই এসেছে, ভাঙা ঘুমে দিনগুলোও চলেছে আগের মতোই।
ঘণ্টা ধরে ধরে তিনি রাতটা সাজিয়ে নেন
প্রথম বসায় তিনি রাতটাকে ধীরে ধীরে ভাগ করে নেবেন। সন্ধ্যায় খাওয়া হয় কখন। শুতে যান কটায়। প্রথমবার ঘুম ভাঙলে কেমন লাগে, দ্বিতীয়বার ওঠার পর লম্বা জাগনা সময়টায় তিনি কী করেন।
দিনের দিকটাও তাঁর কাছে গুরুত্ব পায়। কতটা ক্লান্তিতে দিন কাটে, দুপুরে ঝিমুনি আসে কি না, সন্ধ্যা নামলে ক্লান্তিটা কীভাবে টের পাওয়া যায়। তিনি ঘণ্টাগুলো পরপর লিখে নেন, তার পরই ধারাটা নিয়ে নিজের ভাবনা বলতে শুরু করেন।
রাতের এই লক্ষণগুলো দেখলে আজই চিকিৎসা দরকার
ভাঙা ঘুম নিজে নিজে আগাম ঠিক করা বসার অপেক্ষা করতে পারে। রাতের সব সমস্যা পারে না। কখনো একবারে প্রস্রাবই না হলে সেটা আগামী সপ্তাহের জন্য তুলে রাখার বিষয় নয়, সেদিনই হাসপাতাল বা নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাওয়ার বিষয়।
প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলেও একই কথা। পিঠে ব্যথার সঙ্গে জ্বর এলে, কিংবা বমি শুরু হয়ে থামতে না চাইলেও তাই। এমন দিনে বসাটা সরে যাবে, আগে আসবে চিকিৎসা, সেদিনই।
রাতের ওষুধটা থাকবে নিজের ডাক্তারের দেওয়া নিয়মেই
তিনি রাতে একটা ওষুধ খান, নিজের ডাক্তারের লিখে দেওয়া, আলাদা একটা বিষয়ের জন্য, যেটা সেই ডাক্তারই দেখেন। এই বসা সেই ব্যবস্থায় হাত দেয় না। হোমিওপ্যাথি শুরু করা মানে ভালো রাতে ওষুধটা ফাঁক দেওয়ার কিংবা নিজে থেকে চুপচাপ বন্ধ করে দেওয়ার কোনো কারণ নয়।
ওষুধটা থাকবে ঠিক তাঁর ডাক্তারের দেওয়া নিয়মে, একই সময়ে, একই ধারায়। কখনো বদল দরকার হলে সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র ওষুধ লিখে দেওয়া ডাক্তারেরই।
গল্পটা কখনো সার্জনের দিকে গেলে
তিনি যা বর্ণনা করেন, তার বেশিরভাগই পরামর্শের ঘরের বিষয়, আর সম্ভবত সেখানেই থাকবে। তবে মাঝে মাঝে এমন বিবরণে এমন কোনো দিক থাকে, যেখানে বরং সার্জনের হাতে-চোখে দেখা দরকার হয়ে পড়ে।
তাঁর ক্ষেত্রে তেমন হলে পরিবারকে অন্ধের মতো খুঁজতে হবে না। DoctorBD24-তে কুষ্টিয়ার জেনারেল সার্জনদের তালিকা এক পেজে গুছিয়ে রাখা আছে, সবাই মিলে দেখে নেওয়ার জন্য।
আগে তিনি যেগুলো পরিষ্কার করে নিতে চান
ঘুমানোর আগে অভ্যাসে দুই গ্লাস পানি খাই। তিনি কি শোনার আগেই সেটা বদলাতে বলবেন?
আগে তিনি শুনবেন। সন্ধ্যার অভ্যাসগুলো তাঁর লিখে রাখা বিবরণেরই অংশ। সত্যি করে বলুন, তাঁকে পরপর প্রশ্ন করতে দিন।
কোনো রাতে একবারই উঠি। সেসব রাতের কথাও কি তাঁর দরকার পড়বে?
দুটোই লাগবে। ধারার বাইরের রাতগুলোও তাঁকে অনেক কিছু বলে দেয়।
দ্বিতীয়বার ওঠার পর অনেকক্ষণ জেগে থাকি। এটা কতটা বিস্তারিত বলব?
পুরোটাই বলুন। কতক্ষণ জেগে থাকেন, আর সেই ক্লান্তি পরের দিনে কী করে, এসব মিলিয়েই তিনি ছবিটা গড়েন।
রাতে যে ওষুধটা খাই, সেটা আমার নিজের ডাক্তারের দেওয়া। তাঁর কাছে বসলে কি তাতে কোনো বদল আসবে?
কোনো বদল আসবে না। ওষুধটা চলবে প্রেসক্রিপশনমতোই, বদলাতে পারবেন শুধু যিনি লিখেছেন তিনি।
দিনের বেলা শরীর ভার লাগে, ঘুম ঘুম পায়। দিনের ছবিটাও কি তিনি চাইবেন?
চাইবেন। তাঁর কাছে রাত আর দিন একটাই বিবরণ, তাই দিনের ক্লান্তির কথাও তাঁকে বলুন।
কাল রাতে একবারও প্রস্রাব হয়নি, সকালে পিঠে ব্যথা নিয়ে জ্বর এসেছে। আগামী সপ্তাহে বসা ঠিক আছে। ততদিন অপেক্ষা করা যাবে?
যাবে না। প্রস্রাব একদম আটকে যাওয়ার সঙ্গে জ্বর আর পিঠে ব্যথা থাকলে মানে আজই হাসপাতাল। বসাটা সরিয়ে নিরাপদ কোনো সপ্তাহে নিন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.