সেরা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার - হবিগঞ্জ

সন্ধ্যা নামলেই ভারী পা

দিনের শেষ সারির পাতা তোলা শেষ হতে না হতেই পা দুটো যেন ভেজা বালুতে ভরে ওঠে। বয়স আটান্ন; ছেলেবেলা থেকেই হবিগঞ্জের চা-বাগানে কাজ করছেন তিনি। ভারী ভাবটা বিকেলের মাঝামাঝি থেকে পায়ের গোছায় জমতে থাকে। বাড়ি ফেরার পথজুড়ে সেটা সঙ্গ দেয়, উঠান অবধি ভারী পা টেনে নিয়ে যায়।

কাজের দিন আর ছুটির দিনের গল্প দুই রকম। বাগানের পথে ঢাল বেয়ে সারাদিন হাঁটার পর পা এত ক্লান্ত হয় যে রাতে ঘুমের বারোটা বাজে। আবার বাড়িতে যন্ত্রপাতি মেরামত আর প্রতিবেশীদের সঙ্গে বসে কাটানো দিনে পা নিয়ে ভাবনাই থাকে না। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ভারটা গরমের মাসের তুলনায় কম মনে হয়, যদিও জোর দিয়ে বলতে পারবেন না।

পাশের বাড়ির ছেলেটা DoctorBD24-তে হবিগঞ্জের ডাক্তারদের তালিকা থেকে এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের নাম দেখাল তাঁকে। মনে ধরেছে ডাক্তারের ধরনটা: প্রথম বসায় কোনো সিদ্ধান্তের কথা নয়, আগে লম্বা করে শুধু প্রশ্ন। তিনি চান পুরো অবস্থাটা একবারে বলতে: কোন দিনে ভার বাড়ে, কোন দিনে থাকে না, কী করলে একটু হালকা লাগে। তারপর শুনতে চান, এসব শুনে তিনি কী বুঝলেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

সন্ধ্যা নামলেই ভারী পা

কাজের দিনে ঢল, ছুটির দিনে শান্ত

ইদানীং তিনি নিজেই ধাঁচটা লক্ষ করতে শুরু করেছেন। যেদিন বাগানের দূরের সেকশনে কাজ পড়ে, হাঁটাও সবচেয়ে বেশি, সেদিন ভারটা তাড়াতাড়ি আসে। কাছের সারিতে কাজ হলে ভার আসে দেরিতে, হালকাও থাকে।

সন্ধ্যায় তাঁর ইচ্ছে হয় বারান্দার রেলিংয়ে পা তুলে বসতে। পা উঁচু করে বসে থাকলে ভারটা ধীরে ধীরে সরে যায়। সকাল হলে পা আবার আগের মতো নিজের মনে হয়।

প্রশ্নে প্রশ্নে তিনি হেঁটে যান বাগানের দিনটা

প্রথম বসায় তিনি শোনেন কাজ ধরে ধরে। কোন সারিতে কাজ, কোন ঢালে ওঠানামা, পায়ের ভার শুরু হওয়ার আগে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। রাতে পায়ে কী হয়, খিঁচুনি আসে কি না, ছটফটানি থাকে কি না, সেগুলোও জানতে চান।

প্রশ্ন পায়ের গণ্ডি ছাড়িয়েও যায়। ভারী দিনের পর ঘুম কেমন, দুপুরে কী খান, চা পান করেন কি না, সঙ্গে কতটুকু পানি নিয়ে যান। নিজের মত দেওয়ার আগে সবটা তিনি লিখে রাখেন।

ভারী পা কখনো সার্জনের কাছে পাঠায়

বেশিরভাগ সন্ধ্যার গল্পটা বসে শোনার ঘরেরই গল্প। কিন্তু এক পায়ে বাড়তে থাকা ফোলা, কিংবা শুধু এক দিকের বদল দেখলে জায়গাটা সার্জনের সামনে।

সেই দরকারে DoctorBD24-তে হবিগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের নাম এক পেজেই গোছানো আছে। পরিবারের সবাই মিলে বাড়িতে বসে ধীরেসুস্থে নামগুলো দেখে নেওয়া যায়।

সকালের ট্যাবলেটটা এই দেখানোর অংশ নয়

আরেকটা ব্যাপারে নিজের ডাক্তারের দেওয়া একটা ট্যাবলেট তিনি রোজ সকালে খান। এই বসায় সেটা নিয়ে কোনো কথা ওঠে না। হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখাতে শুরু করেছেন বলেই সেটা বাদ দেওয়া, কমিয়ে ফেলা কিংবা বাগানের দিনে খাওয়া ছাড়ার কোনো মানে হয় না।

ওষুধটা চলবে নিজের সময়ে, আগের মতোই। কখনো বদল দরকার হলে সেই সিদ্ধান্তটা শুধু প্রেসক্রিপশন লিখে দেওয়া ডাক্তারের।

পায়ের এই লক্ষণ দেখলে আজই হাসপাতাল

রাত পেরোলেই সেরে ওঠা ক্লান্ত পা ঠিক করা বসার অপেক্ষা করতে পারে। কিছু পায়ের সমস্যা তা পারে না। হঠাৎ এক পা ফুলে ওঠা মানে সেদিনই যাওয়া। এক পা ফ্যাকাশে কিংবা নীলচে হয়ে যাওয়াও তাই।

এর সঙ্গে বুকে ব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট জুড়লে দিনটাই বদলে যায়। সেদিন বসার কথা ভুলে আগে হাসপাতাল, সেদিনই।

যাওয়ার আগে তাঁর যা জানা দরকার

তিনি কি শুধু পায়ের কথা শুনবেন, নাকি বাগানের কাজের কথাও?

দুটোই শুনবেন। কাজটাই আপনার বিবরণের অর্ধেক; কোন পথে কত হাঁটেন, সেই কথাও তিনি জানতে চাইবেন পায়ের ভার যতটা মন দিয়ে।

যেদিন পা ভালো থাকে, সেদিন গেলেও চলবে?

চলবে। ভালো দিনের কথাও তাঁর কাজে লাগে; খারাপ দিনগুলোর বিবরণ মনে করে বললেই হবে।

রোজ সকালে একটা ট্যাবলেট খাই। সেটা কি চলবে?

চলবে, নিজের সময়ে আর নিজের মাপে। বদলানোর অধিকার শুধু যিনি প্রেসক্রিপশন দিয়েছেন তাঁর।

সঙ্গে করে কী নিয়ে যাব?

এখন যেসব প্রেসক্রিপশন মেনে চলছেন, সেগুলো নিয়ে যান। নিজের কোনো কথা ভাবার আগে তিনি সেগুলো দেখে নেন।

প্রথম বসার কতটা সময় জুড়ে শুধু প্রশ্ন চলবে?

বেশিরভাগটাই। তিনি আগে ধাঁচটা গড়ে নেন; হাতে সময় নিয়ে যাওয়াই ভালো।

আজ সন্ধ্যায় এক পা হঠাৎ ফুলে ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। রোববার বসা ঠিক আছে। অপেক্ষা করব?

অপেক্ষা করবেন না। এমন পা নিয়ে আজই হাসপাতালে যান; বসাটা অন্য সপ্তাহে সরিয়ে নেওয়া যাবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.