সেরা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার - গাজীপুর
সর্দি সারলেও থেকে যাওয়া কাশিটা
সর্দি চলে যায়, কাশি থেকে যায়। নাক পরিষ্কার হয়, গা-ভার ভাবটাও উঠে যায়, তবু কাশিটা কারখানার ফ্লোরে তাঁর পেছন পেছন সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘোরে। বয়স একত্রিশ, গাজীপুরে এক পোশাক কারখানায় তিনি সুপারভাইজার। ধারাটা এতবার ফিরেছে যে এখন তিনি দিনে নয়, সপ্তাহে হিসাব করেন।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি সকালে। শিফট শুরু হয়, ফ্লোর গরম হয়ে ওঠে, আর সেলাই আর গোনার প্রথম পর্বের সঙ্গেই কাশির ধাক্কাগুলো এসে যায়। সহকর্মীরা এখন মুখ তুলে তাকায়। বিকেলের দিকে সাধারণত পাতলা হয়ে আসে, এটাই তাঁর ধাঁধার অংশ। যে কাশি দুপুরে এত ভদ্র থাকে, তাঁর মনে হয়, সকালের নাশতার সময় তার থাকার কথাই নয়।
এক জ্যেষ্ঠ সহকর্মী তাঁকে এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কথা বলেছেন, যিনি কোনো পরামর্শের আগে পুরো ইতিহাসটা শোনেন। DoctorBD24-তে গাজীপুরে বসেন এমন ডাক্তারদের দেখতে গিয়ে তিনি ওই নারী ডাক্তারের নামটা পেয়ে পেজটা রেখে দিয়েছেন। এক বসায় কাশি নিয়ে তর্ক শেষ হয়ে যাবে, এমন আশা তিনি করেন না। তিনি চান ডাক্তার আগে পুরো চক্রটা শুনুন, সর্দি, শিফটের সময়, ধুলো, সবটুকু।
1 available specialists found
Dr. Md. Ishak
সর্দি সারলেও থেকে যাওয়া কাশিটা
সপ্তাহ গুনে গুনে তিনি শুরু করেন
প্রথম বসায় তিনি তাঁর বুক দিয়ে নয়, ক্যালেন্ডার দিয়ে শুরু করেন। গত সর্দিটা কবে শুরু হয়েছিল, কবে শেষ হলো, আর ঠিক কোন সপ্তাহে কাশিটা তাকে ছাড়িয়ে রয়ে গেল?
তারিখগুলো তিনি পাশাপাশি লিখে রাখেন। তারপর আসে কাজের খুঁটিনাটি, তিনি কোন কোন শিফটে ঘোরেন, ফাঁকে ঘুম কতটুকু পান। কাশিটা কীসে কমে আর কীসে ওঠে, সেটা তাঁর কাছে কাশিটার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
কারখানার বাতাস, রাতের শিফট, ধীর সকাল
কারখানার ফ্লোরের বাতাসের নিজের একটা চরিত্র আছে। তাতে ঝুলে থাকে আঁশ, মেশিন ছাড়ে তাপ, আর একজন সুপারভাইজার টানা দশ ঘণ্টা সেই বাতাসে হাঁটেন।
রাতের শিফট বাকি ছবিটা এলোমেলো করে দেয়। ঘুম আসে দিনের আলোয়, খাবার সরে যায় অদ্ভুত সময়ে, আর রাতের শিফটের পরের সকালেই তাঁর কাশি সবচেয়ে জোরে অভিযোগ তোলে।
তাঁর নিয়মিত ওষুধ চলবে নিজের সময়েই
তিনি ইতিমধ্যে রোজ প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খান, আলাদা একটা বিষয়ে, যেটা তাঁর নিজের ডাক্তার দেখেন। সেই নিয়ম বদলানো এই ডাক্তারের কাজ নয়, হোমিওপ্যাথির বসা তাতে হাত দেয় না।
ওষুধটা চলবে নিজের সময়সূচিতে, মাত্রা আর ঘণ্টা অপরিবর্তিত, কাশি যেমনই আচরণ করুক। বদল দরকার হলে সেটা করবেন শুধু তাঁর নিজের ডাক্তার।
বুকের সমস্যায় কখনো জেনারেল সার্জন লাগলে
থেকে যাওয়া কাশি পরামর্শের ঘরের বিষয়, বেশিরভাগ এমন কাশি সেখানেই থাকে। তবে মাঝে মাঝে বুকের কোনো সমস্যায় এমন বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, যা সার্জনের সামনে তোলা দরকার। যে গোটা বাড়তেই থাকে। বারবার রক্ত দেখা যাওয়া।
তাঁর ক্ষেত্রে তেমন হলে খোঁজ শূন্য থেকে শুরু করতে হবে না। DoctorBD24-তে গাজীপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকা এক পেজে রাখা আছে, তেমন দিন এলে পরিবারসহ দেখে নেওয়া যাবে।
কাশির সঙ্গে এই লক্ষণগুলো থাকলে সেদিনই হাসপাতাল
সপ্তাহ ধরে ধীরে মিলিয়ে যাওয়া কাশি ঠিক করা বসায় তোলা যায়। কিছু কাশি সেই বসার অপেক্ষা করতে পারে না। কাশির সঙ্গে রক্ত ওঠা মানে সেদিনই হাসপাতাল। শ্বাস নিতে হাঁপ ধরলেও তাই, ঠোঁট নীলচে দেখালেও তাই। নামতে না চাওয়া তেজি জ্বরও তালিকায় থাকে।
সেদিন বসাটা সরিয়ে রাখা হয়, মনেও থাকে না। তিনি সেদিনই হাসপাতালে যাবেন, লম্বা কথাটা হবে পরে, শ্বাস স্বস্তিতে ফিরলে।
তাঁর জমিয়ে রাখা প্রশ্নগুলো
কাশির আগে তিনি আমার শিফটের কথা জানতে চান কেন?
কারণ ধারাটা তাঁর কাছে কাশিটার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। কখন বাড়ে, কখন থাকে না, মাঝখানের দিনগুলো কেমন যায়।
আমি যেসব প্রেসক্রিপশন মেনে চলি, সেগুলো কি সঙ্গে নেব?
নিয়ে যান। আপনি এখন যা খাচ্ছেন, তা দেখে নেওয়ার পরই নিজের পরামর্শের কথা ভাববেন তিনি।
তাঁর কাছে যাওয়া মানেই কি আমার চলতি ওষুধ বন্ধ?
না। ওষুধ যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে, তাতে হাত দেওয়ার অধিকার শুধু প্রেসক্রিপশন লিখে দেওয়া ডাক্তারের।
বিকেলের দিকে কাশি প্রায় মিলিয়ে যায়। তিনি কি ভাববেন আমি তাঁর সময় নষ্ট করছি?
ভাববেন না। নির্দিষ্ট সময়ে আসা কাশিও পুরোপুরি বলার মতো কাশি।
কয়টা বসার পর তিনি কিছু পরামর্শ দেবেন?
প্রথম বসাটা পুরো হিসাবের জন্য। পরামর্শ আসবে তিনি ঠিকমতো শুনে নেওয়ার পর।
আজ সকালে কাশির সঙ্গে রক্ত এসেছে। বসা আগামী সপ্তাহে। শুধু অপেক্ষা করলেই হবে?
অপেক্ষা করবেন না। কাশিতে রক্ত মানে আজই হাসপাতাল, বসাটা সরিয়ে নিরাপদ কোনো সপ্তাহে নেওয়া যাবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.