সেরা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার - বরিশাল
শীতের সকালে জড়িয়ে যাওয়া শরীর
ঘুম ভাঙে অ্যালার্মের আগেই, তারপর দিনের প্রথম কয়েকটা মিনিট কাটে নিজের হাঁটুর সঙ্গে বোঝাপড়া করে। উঠে দাঁড়ানো মানে ধাপে ধাপে কাজ: বিছানায় বসা, একটু অপেক্ষা, খাটের খুঁটি ধরে ওঠা, তারপর ধীরে ধীরে হাঁটা, যতক্ষণ না জড়তা ছাড়ে। বয়স পঞ্চান্ন, বরিশালের অবসরপ্রাপ্ত কেরানি তিনি। বছরের পর বছর ঠান্ডা সকালই তাঁর রুটিন ঠিক করে দিচ্ছে।
ধারাটা ঋতুর সঙ্গে মিলে চলে। শীতের সকালে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা, প্রতিটা গাঁট যেন রাতভর জমে শক্ত হয়ে থাকে। বৃষ্টির দিনে একই ঝামেলার হালকা রূপটা ফিরে আসে। সকাল গড়িয়ে গেলেই বেশিরভাগ দিন তিনি প্রায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করেন। তাই পরে দেখা হওয়া মানুষ বুঝতেই পারে না তাঁর দিনটা শুরু হয়েছিল কীভাবে।
এক সাবেক সহকর্মী এক হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কথা বলেছেন, যাঁর প্রথম বসা লম্বা, শোনাও লম্বা। পুরো ধারাটা ঋতু ধরে ধরে বলতে তিনি রাজি, কেউ যদি সবটা লিখে নেন। DoctorBD24-তে বরিশালে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকায় তিনিও আছেন। কোনো লেখালেখি তিনি নিজে রাখেননি এত বছরে। এই শীতে, তাঁর মনে হচ্ছে, সেটা বদলানো দরকার।
1 available specialists found
Dr. M. Fazly Elahi Saikat
শীতের সকালে জড়িয়ে যাওয়া শরীর
তিনি ঘুম, আবহাওয়া আর খাবারের কথা দিয়েই শুরু করেন
প্রথম বসায় তিনি হাঁটু দিয়ে শুরু করবেন না। তাঁর শুরুটা আরও বড় পরিসরে: ঘুম কেমন হয়, খাওয়া কেমন চলে, অফিসের সময় না থাকায় দিনগুলো এখন কীভাবে কাটে। এসবের পর তিনি আসবেন জড়তার কথায়।
তিনি জানতে চাইবেন জড়তা কখন আসে, ছাড়তে কতক্ষণ লাগে। কোন সকালগুলো সবচেয়ে খারাপ, তার আগের দিনটা কেমন গিয়েছিল। প্রতিটা উত্তর তিনি লিখে নেবেন, নিজের পরামর্শের কথা তার আগে আসবে না।
বছরের পর বছর তিনি যে ধারাটা লক্ষ করেছেন
ধারাটা তিনি প্রায় মাস ধরে বলতে পারেন। শীতের প্রথম ঠান্ডা সকালগুলোতেই এটা ফিরে আসে, প্রতি বছর, তালাবদ্ধ ঘরে ফিরে আসা ভাড়াটের মতো। বর্ষার বৃষ্টিভেজা সপ্তাহগুলোতে এর হালকা রূপটা দেখা দেয়।
কীসে জড়তা ছাড়ে, তা তিনি ঘটনাক্রমে শিখেছেন: ঘরে চলাফেরা করা, হাতে গরম পানি দেওয়া, মোড়ের দোকান পর্যন্ত ধীরে হাঁটা। ঘুম থেকে উঠে স্থির বসে থাকাটাই সবচেয়ে খারাপ, যদিও কোনো কোনো সকালে বসে থাকা ছাড়া উপায়ও থাকে না।
জেনারেল সার্জনের নাম যদি কখনো ওঠে
ঠান্ডা সকালে গাঁটের জড়তা সাধারণত সার্জনের বিষয় নয়, তাঁরটাও হয়তো এই ঘর থেকেই বেরোবে না। তবে গাঁটের সমস্যায় কখনো এমন প্রশ্ন উঠতে পারে, যার ধরনটাই অপারেশনের। তেমন কিছু দেখলে একজন ভালো ডাক্তার সেটা বলে দেন।
তেমন হলে DoctorBD24-তে বরিশালের জেনারেল সার্জনদের তালিকা এক পাতায় দেওয়া আছে, তিনি আর পরিবার মিলে দেখে নিতে পারবেন। পরে খুঁজতে যাওয়ার চেয়ে তালিকাটা এখনই জেনে রাখা তাঁর কাছে ভালো।
যে প্রেসক্রিপশন তিনি আগে থেকেই মেনে চলছেন
নিজের ডাক্তারের দেওয়া একটা ওষুধ তিনি রোজ খেয়ে আসছেন, কয়েক বছর আগে ঠিক করা নিয়মে। সেই ব্যবস্থা এই নতুন ভিজিটের বাইরেই থাকে। অন্য ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে তিনি হাত দেন না। এই বসা যোগ করে একটা লম্বা আলাপ, বদলি কিছু নয়।
রোজের ওষুধ তাই চলবে ঠিক করা সময়ে, কোনো বদল ছাড়া। তাতে হেরফের আনার অধিকার শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছিলেন তাঁর। বসার দিনেও এই নিয়ম, মাঝের দিনগুলোতেও।
গাঁট গরম, লাল আর ফুলে উঠলে সেদিনই
নিয়মিত শীতের ধারা মেনে চলা জড়তা ঠিক করা বসায় তোলা যায়। কিন্তু ধারা ভাঙা গাঁটের বেলায় তা হয় না। একটা গাঁট হঠাৎ গরম, লাল আর ফুলে উঠলে সেটা সেদিনই নিজের ডাক্তার বা হাসপাতালে দেখানোর বিষয়।
গাঁটের ব্যথার সঙ্গে জ্বর এলেও একই তালিকা। যে পায়ে ভর দেওয়া যাচ্ছে না, সেটাও তাই। তেমন দিনে অপেক্ষা করবে হোমিওপ্যাথির অ্যাপয়েন্টমেন্টটাই।
যাওয়ার আগে তাঁর মনের প্রশ্নগুলো
প্রথম বসায় তিনি কি হাঁটু পরীক্ষা করবেন, নাকি শুধু কথা শুনবেন?
আগে কথা, আর তা খুঁটিয়ে। পুরো ধারাটা শোনার পর তিনি গাঁটগুলো দেখেও নিতে পারেন।
যেদিন তাঁকে দেখাতে যাব, সেদিনও কি নিয়মিত ওষুধটা খাব?
খাবেন, ঠিক করা সময়ে, হুবহু নিয়ম অনুযায়ী। বসায় সেই ওষুধের কোনো বদল হবে না।
আমার জড়তা শীতেই বেশি। শীত পর্যন্ত অপেক্ষা করে যাব?
না। পুরো বছরের হিসাব নিয়েই তিনি কাজ করেন, তাই যখনই যান ধারাটা গুছিয়ে বললেই হবে।
সঙ্গে করে কিছু নিয়ে যেতে হবে?
প্রেসক্রিপশনটা নিন, আর পুরনো রিপোর্ট যা রাখা আছে তাও। তাঁর ছবিটা পূর্ণ করতে এগুলো কাজে লাগবে।
যাওয়ার আগে কী কী গুছিয়ে রাখব?
জড়তা কখন আসে, কতক্ষণ থাকে, আর কীসে ছাড়ে। কয়েক লাইন লিখে নিলেই চলবে।
গতকাল থেকে একটা হাঁটু গরম, লাল হয়ে ফুলে আছে। বসা বৃহস্পতিবারে। অপেক্ষা করা যাবে?
যাবে না। এমন গাঁট আজই নিজের ডাক্তার বা হাসপাতালে দেখাতে হবে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নয়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.