সেরা হেড অ্যান্ড নেক সার্জন - নারায়ণগঞ্জ
কলারে চাপ খাওয়া ফোলাটা
কারখানায় যাওয়ার পোশাক পরার সময়ই ওটা সবচেয়ে বেশি টের পান তিনি। বয়স বায়ান্ন, নারায়ণগঞ্জের একটা হোসিয়ারি কারখানায় কাজ করেন। কয়েক মাস ধরে তাঁর গলার সামনের দিকে একটা ফোলা বসে আছে। জায়গাটা ঠিক যেখানে কাজের শার্টের সবচেয়ে ওপরের বোতামটা লাগে। রোজ সকালে বোতামটা ওই ফোলায় চাপ দেয়। ওই চাপটাই শেষে তাঁকে ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে বাধ্য করেছে।
ফোলাটা এমনিতে কোনো ব্যথা করে না। কিন্তু শার্টের কলার সারাদিন মনে করিয়ে দেয় ওটা ওখানেই আছে। মেশিনের ওপর ঝুঁকে কাজ করার সময় তিনি টের পান, কাপড়টা টান খেয়ে ফোলাটার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। স্ত্রী ওটা লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর নিজে মুখ খোলার অনেক আগেই। আপনার গলার সামনেও এমন একটা ফোলা যদি মাসের পর মাস থেকে যায়, তালিকাটা একবার দেখে নেওয়া ভালো। DoctorBD24-তে নারায়ণগঞ্জে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকা দেওয়া আছে।
তিনি সহজে অসুবিধার কথা বলার মানুষ নন। লম্বা শিফটের কাজ তাঁকে শিখিয়েছে ছোটখাটো ব্যাপার মাথায় না নিয়ে দিন পার করতে। কিন্তু মাস পেরিয়েও থেকে যাওয়া ফোলা তাঁর কাছে আর ছোট ব্যাপার মনে হচ্ছে না। তিনি চান একজন হেড অ্যান্ড নেক সার্জন নিজের হাতে ফোলাটা ভালো করে ছুঁয়ে দেখুন। সেই সঙ্গে তাঁর মুখে পুরো ঘটনাটা শুনুন। রোজ বোতাম লাগাতে গিয়ে মনে মনে আন্দাজ করা অনেক হয়েছে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
কলারে চাপ খাওয়া ফোলাটা
ওপরের বোতামটায় যেখানে চাপ পড়ে
প্রথম ভিজিটে সার্জন আপনার নিজের মুখেই পুরো ঘটনাটা শুনতে চাইবেন। ফোলাটা প্রথম কবে টের পেলেন। এর মধ্যে ওটা বেড়েছে, নাকি প্রায় একইরকম আছে। কোনো কিছুতে ওখানে টান বা ব্যথা লাগে কিনা। তারপর তিনি আপনার গলার সামনের দিকটা যত্ন করে ছুঁয়ে দেখবেন, আলতো চাপ দিয়ে দুই পাশ মিলিয়ে নেবেন। মুখের ভেতরটা দেখবেন, কান দুটোও দেখে নেবেন।
বাসায় রেখে দেওয়া পুরোনো প্রেসক্রিপশন বা রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিয়ে যান। নির্দিষ্ট কিছু বলার আগে তিনি সেগুলো পড়ে নেবেন। ফোলাটা কী হতে পারে, সেই আলোচনা পরীক্ষার পরের বিষয়, আগের নয়। চেকগুলো শেষ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়া হয় না।
যে বোতামটা এখন খোলাই থাকে
ইদানীং তিনি কাজের শার্টের ওপরের বোতামটা খোলাই রাখেন। এক সপ্তাহের মধ্যে সুপারভাইজারের চোখে পড়ে গিয়েছিল ব্যাপারটা। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, গরমে কষ্ট হচ্ছে নাকি। তিনি হেসে হ্যাঁ বলে দিয়েছিলেন। যে ফোলা এখনো কোনো ডাক্তারকে দেখানোই হয়নি, সেটা নিয়ে লম্বা ব্যাখ্যার চেয়ে ওই উত্তরটাই সহজ ছিল।
শার্টটা একদিন পরপর স্ত্রী ইস্ত্রি করে দেন। তিনি বলেন, গত শীতের তুলনায় গলার সামনের দিকটা এখন একটু ফোলা ফোলা লাগে। কলার আটকানো থাকলে তিনিও ইদানীং থুতনিটা একটু উঁচু করে রাখেন।
শার্টের পকেটে রাখা পাতাটা
তাঁর শার্টের পকেটে থাকে একটা ওষুধের পাতা, অনেক আগে এক ডাক্তারের দেওয়া, একদম অন্য একটা কারণে। চা-বিরতির সময় তিনি প্রতিদিন একটা করে খান, প্রেসক্রিপশনে যেভাবে লেখা আছে ঠিক সেভাবে। পাতাটা পকেটেই থাকে বলে সবচেয়ে ব্যস্ত শিফটেও নিয়মটা ভাঙে না।
এই ভিজিটের কারণে ওই নিয়মে কোনো বদল আসবে না। সার্জনকে দেখানোর দিনেও তিনি ওষুধটা খাবেন, হুবহু প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। কখনো বদলাতে হলে বদলাবেন যিনি ওটা লিখে দিয়েছিলেন তিনিই। অন্য কেউ নয়, আন্দাজেও নয়।
কখনো আরেকজন সার্জনের চোখ লাগে
গলার সামনের বেশিরভাগ ফোলা যিনি পরীক্ষা করলেন, সেই হেড অ্যান্ড নেক সার্জনের কাছেই থেকে যায়। তবে কখনো তাঁর পরীক্ষায় এমন কিছু ওঠে, যা বরং জেনারেল সার্জারির এলাকার মধ্যে পড়ে। তখন তিনি একজন জেনারেল সার্জনকেও একবার দেখিয়ে নিতে বলতে পারেন। সেই জায়গায় পৌঁছালে DoctorBD24-তে নারায়ণগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেওয়া আছে।
গলার সামনের ফোলায় এসব বদল মানেই আজই
যে ফোলা চুপচাপ আছে আর তেমন বদলাচ্ছে না, সেটা ঠিক করা অ্যাপয়েন্টমেন্টে তোলা যায়। কিন্তু কিছু বদল সেই দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না। ফোলা হঠাৎ করে দ্রুত বাড়তে থাকলে অপেক্ষা না করে সেদিনই যান। শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়াটাও সেদিনের বিষয়। নিজের থুতু গিলতে সমস্যা হলেও তাই। রক্ত এসে থামতে না চাইলে, কিংবা হঠাৎ গলার স্বর একদম হারিয়ে গেলেও একই কথা।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আমার গলার সামনে, ঠিক কলার বসার জায়গায় একটা ফোলা আছে। ব্যথা নেই। তবু কি সার্জনকে দেখাব?
দেখান। মাসের পর মাস থেকে যাওয়া ফোলা ব্যথা না থাকলেও একবার ভালো করে পরীক্ষা করানো দরকার।
রোজ সকালে বোতাম লাগানোর সময় মাপটা একই লাগে। একইরকম থাকা মানেই কি ওটা রেখে দেওয়া যায়?
কতদিন ধরে একইরকম আছে, সেটা সার্জনকে বলুন। একইরকম থাকাটা কাজের তথ্য, তবে ফোলাটা আসলে কী, তা জানা যায় পরীক্ষা করেই।
প্রথম ভিজিটে তিনি আসলে কী করবেন?
তিনি আপনার কথা শুনবেন, গলা ছুঁয়ে দেখবেন, মুখ ও কানের ভেতর দেখবেন, সঙ্গে আনা রিপোর্ট থাকলে পড়বেন।
প্রথম ভিজিটেই কি তিনি ফোলাটার নাম বলে দেবেন?
পরীক্ষা করে তিনি যা পেলেন তা বুঝিয়ে বলবেন। চেক শেষ হওয়ার আগে কোনো নাম বসানো হয় না।
চা-বিরতিতে রোজ প্রেসক্রিপশনের একটা ওষুধ খাই। দেখানোর দিনেও কি খাব?
খাবেন, সেদিনসহ হুবহু প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। ওটা পাল্টানোর সিদ্ধান্ত একমাত্র ওষুধ লিখে দেওয়া ডাক্তারের।
আজ সকালে দেখছি ফোলাটা বড় লাগছে, শ্বাস নিতেও টান লাগছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগামী সপ্তাহে। অপেক্ষা করব?
না। শ্বাসে টানের সঙ্গে দ্রুত বাড়া মানে আজই দেখানো। আগামী সপ্তাহের জন্য বসে থাকবেন না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.