সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ - সাভার

প্রতি মাসে বদলে নেওয়া শিফটটা

লাইন সুপারভাইজার মনে করেন, শিফট মিলিয়ে নেওয়ায় তিনি বেশ পাকা। বয়স ছাব্বিশ, সাভারে একটা গার্মেন্টস কারখানায় সেলাইয়ের কাজ করেন, লম্বা শিফট জুড়ে মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাঁর পিরিয়ড এলেই কোমর কুঁকড়ে যাওয়ার মতো ব্যথা ওঠে, আর রক্তপাত এত বেশি যে প্রতিটা বিরতি বদলানোর পেছনেই যায়। দাঁড়িয়ে থাকলে দুটোই বাড়ে। বসার ফুরসত কম, আর লাইন কারও জন্য থামে না।

তাই মাসে একবার তিনি অন্য লাইনের এক সহকর্মীর সঙ্গে শিফট বদলে নেন। এমনভাবে মিলিয়ে নেন যেন সবচেয়ে খারাপ দিনটা তুলনামূলক হালকা দায়িত্বের দিনে পড়ে। তারিখগুলো থাকে ফোনের নোটস অ্যাপে, পিরিয়ড শুরু হলেই তিনি তালিকাটা আপডেট করে রাখেন। শিফটের বদলিটা তিনি দিনকয়েক আগেই চুপচাপ গুছিয়ে ফেলেন। আপনার কাজের মাসটাও যদি এমন দুটো দিনের চারদিকে ঘোরে, খোঁজ শুরু করতে পারেন DoctorBD24-তে দেওয়া সাভারে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকা থেকে।

শিফট বদলি সমস্যাটা আড়াল করে রাখে, সমাধান করে না। ব্যথার চারদিকে নিজের রোস্টার সাজাতে সাজাতে তিনি ক্লান্ত, আর ভয় থাকে বড় কেউ ধরনটা ধরে ফেলেন কিনা। তিনি চান গাইনোকোলজিস্টকে ফোনের তালিকাটা দেখিয়ে সবচেয়ে খারাপ দিনটার কথা সোজাসুজি বলতে, আর পরীক্ষা করিয়ে নিতে। তারপর ফল যাই হোক, তিনি সেটা পরিষ্কার করে শুনতে চান।

7 available specialists found

Dr. Mst. Afroza Khanum

Qualifications MBBS, DGO, MCPS, FCPS (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Dilruba Yeasmin Dina

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Monjuman Ara Sarker

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Neher Banu

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Sumia Bari (Sumi)

Qualifications MBBS, FCPS (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Khaleda Khatun Anny

Qualifications MBBS, MCPS (OBGYN), DGO (OBGYN)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Nusrat Jahan

Qualifications MBBS, BCS (Health), DGO, CMU (Ultra)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

প্রতি মাসে বদলে নেওয়া শিফটটা

যে দিনটা তিনি বদলে নেন

দ্বিতীয় দিনটাই তিনি বদলে নেন। প্রথম দিন ব্যথা থাকে, তৃতীয় দিনে একটু ছাড় মেলে। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে আসে শরীর কুঁকড়ে দেওয়া ব্যথা, আর মেশিনে বসে সামলানো যায় না এমন প্রবাহ। সহকর্মী ভাবেন, তিনি পারিবারিক কারণে বদলি করেন। তিনি কখনো ভুলটা ভাঙাননি।

প্রথম ভিজিটে গাইনোকোলজিস্ট তাঁকে একটা মাস ধীরে ধীরে বলতে বলবেন। ব্যথা শুরু হয় কখন, কতক্ষণ চেপে থাকে, প্রতিদিন রক্তপাত কেমন যায়। নোটস অ্যাপের তারিখগুলো তিনি দেখবেন, পরীক্ষা করবেন, পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও। কোনো সিদ্ধান্ত আসে এসবের পর, আগে নয়।

অপারেশনের কথা কখনো এলে

ব্যথাভরা ভারী পিরিয়ডের গল্প প্রথমে বলা হয় চেম্বারে বসে, অপারেশন ঘরে নয়। এমন বেশিরভাগ ভিজিট গাইনোকোলজিস্টের কাছেই থাকে: শোনা, পরীক্ষা, আর পাওয়া অনুযায়ী পরের ধাপ ঠিক করা। কখনো পরীক্ষায় এমন কিছু উঠলে যা সার্জনেরও দেখা উচিত, তখন একজন জেনারেল সার্জনের মতামত নেওয়া হয়। প্রয়োজন পড়লে DoctorBD24-তে দেওয়া সাভারের জেনারেল সার্জনদের তালিকা থেকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

ফোনের নোটস অ্যাপে লেখা তারিখ

নোটস অ্যাপে শুধু তারিখ নেই। প্রতিটার পাশে তিনি এক-দুটো শব্দ লিখে রাখেন: খারাপ, সবচেয়ে খারাপ, চলনসই। এক বছরের লেখা এখন তাঁর মাসগুলোর আকৃতিটা স্মৃতির চেয়ে অনেক পরিষ্কার দেখায়। সবচেয়ে খারাপ দিনগুলো ঠিক যেখানে জমেছে, সেখানেই শিফট বদলির দরকার পড়েছিল। এক সন্ধ্যায় পেছনে স্ক্রল করে না দেখলে এই মিলটা তাঁর চোখেই পড়ত না।

ভিজিটে ফোনটা সঙ্গে নিন। নিজের ভাষায় লেখা এক বছরের তারিখ গাইনোকোলজিস্টকে এক মিনিটে ধরনটা ধরিয়ে দেয়। আর শিফট বদলির গল্পও যতটা বলতে চান, তার বেশি বলতে হয় না।

যে রুটিন তিনি ভাঙেন না

রোস্টার যেদিকেই ঘুরুক, তাঁর মাসে একটা জিনিস কখনো নড়ে না। তিনি প্রতিদিন প্রেসক্রিপশনের একটা ওষুধ খান, আর রুটিনটা ধরে থাকে কারখানার দিনে, বদলির দিনে, ভারী দিনগুলোতেও। ওষুধটা ছাড়া দিনটা কেমন যায়, এই পরীক্ষা তিনি নিজে থেকে করেন না। এমন পরীক্ষা তাঁর করার কথা নয়। ওষুধে কখনো বদল লাগলে বদলাবেন যিনি সেটা লিখে দিয়েছেন তিনিই। ভিজিটে তিনি গাইনোকোলজিস্টকে ওষুধটার নাম জানিয়ে দেবেন।

ভারী দিনে এসব লক্ষণ মানেই আজই

চেনা ভারী দিনটা বুক করা ভিজিটে বলা যায়, শিফট বদলির গল্পসহ। কিন্তু কিছু দিন ধরন ভেঙে আসে, মেশিনে বসে সেগুলো পার করা যায় না। অল্প সময়ে বারবার প্যাড ভিজে যেতে থাকলে সেদিনই দেখানো উচিত। কারখানার ফ্লোরে মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান ভাবও সেই তালিকায়। চেনা সবচেয়ে খারাপ দিনের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র ব্যথা হলে, কিংবা সঙ্গে জ্বর এলেও আজই। তেমন দিনে তিনি বেরিয়ে পড়েন। শিফটের ব্যাখ্যা পরে দেওয়া যাবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রতি মাসে শিফট বদলাই যেন খারাপ দিনটা হালকা দায়িত্বে পড়ে। এটা কি খারাপ লক্ষণ?

এটা বুদ্ধিমানের ব্যবস্থা, তবে প্রতি মাসেই লাগছে মানেই ব্যথা আপনার রোস্টার চালাচ্ছে। সেটা ঠিকমতো শোনানো উচিত।

ফোনের নোটস অ্যাপে এক বছরের পিরিয়ডের তারিখ আছে। সেগুলো কি দেখাব?

দেখান। নিজের নোটসহ তারিখগুলো মুখে মনে করে বলার চেয়ে অনেক দ্রুত ধরনটা বুঝিয়ে দেয়।

ব্যথাটা রক্তপাত শুরুর এক দিন আগে থেকে শুরু হয়। এটা কি বলার মতো?

বলুন। ব্যথা কখন শুরু হয় আর দিনগুলোতে কীভাবে বদলায়, সেটাও তিনি পরীক্ষায় খেয়াল করেন।

পিরিয়ডের ব্যথা নিয়ে প্রথম ভিজিটে কি সাধারণত অপারেশনের কথা ওঠে?

না। ভিজিট শেষ হয় পরীক্ষায় যা পাওয়া গেল আর এরপর কিছু লাগবে কিনা তা দিয়ে। অপারেশন এখানে শুরুর কথা নয়।

প্রেসক্রিপশনের ওষুধ রোজ খাই। ভারী দিনগুলোতেও কি রুটিনটা ধরে রাখব?

রাখুন, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হুবহু, ভারী দিনসহ। ওই রুটিনে হাত দিতে পারেন শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন।

রক্তপাত প্রতিটা বিরতিতে ভিজিয়ে দিচ্ছে আর মেশিনের সামনে মাথা ঘুরছে। শিফট শেষ করব নাকি এখনই যাব?

এখনই যান। দ্রুত ভিজে যাওয়ার সঙ্গে মাথা ঘোরা থাকলে আজই দেখাতে হবে। শিফট শেষ করে নয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.