সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ - লক্ষ্মীপুর

বিছানার পাশে রাখা টর্চটা

সন্ধ্যা নামলেই চুলার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে, মনে হয় তলপেটের ভেতরে ভারী কিছু টেনে ধরেছে। তাঁর বয়স ঊনপঞ্চাশ, চার সন্তানের মা, লক্ষ্মীপুরে থাকেন। এই ভারী ভাবটা কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে বেড়েছে। সকালটা প্রায় স্বাভাবিকই কাটে, বিকেল গড়ালে নিজের অজান্তেই তলপেটে হাত চলে যায়।

রাতের ঘুমটাও আগের মতো নেই। প্রস্রাবের জন্য দুইবার, কখনো তিনবার উঠতে হয়, আগের চেয়ে অনেক বেশি। ঘরের সবাইকে জাগিয়ে না তোলার জন্য বালিশের পাশে এখন একটা ছোট টর্চ থাকে। আপনারও যদি এমন কিছু চলে, DoctorBD24-তে দেওয়া লক্ষ্মীপুরের ডাক্তারদের তালিকা থেকে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ খুঁজে শুরু করতে পারেন।

নিজেকে তিনি বোঝান, বয়সের ভার, সন্তান আর সংসারের ধকলেই এমন হচ্ছে। চার সন্তানের কাউকে এসব বলতেও তাঁর সংকোচ, তাই চুপ করে থাকাটাই এতদিন সহজ মনে হয়েছে। তবু দিন গড়ালে বাড়ে আর ঘুম কেড়ে নেয়, এমন ভার একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া উচিত। ভয় নয়, চুপ করে সহ্যও নয়। শুধু একবার যাওয়া, আর আসলে কী হচ্ছে তা জেনে নেওয়া।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

বিছানার পাশে রাখা টর্চটা

বেলা বাড়লেই পেটের ভার বাড়ে

কথাটা মুখে বললেই ধরনটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। বিশ্রাম নিলে কমে, দাঁড়িয়ে থাকলে বা ভারী কিছু তুললে বেড়ে যায়। প্রথম ভিজিটে একজন গাইনোকোলজিস্ট সবার আগে এই গল্পটাই শুনতে চাইবেন, আপনার নিজের ভাষায়। তারপর তিনি পরীক্ষা করে দেখবেন, সঙ্গে আনা পুরনো রিপোর্ট বা প্রেসক্রিপশন থাকলে সেগুলোও দেখে নেবেন। এই প্রাথমিক পরীক্ষা শেষ না করে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না, আর পরীক্ষা ছাড়া কোনো সৎ ডাক্তার কারণও বলবেন না।

যেসব কথা তিনি জানতে চাইবেন, সেগুলো মনে করে যান। কবে থেকে শুরু। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কীভাবে বদলায়। রাতে এখন কতবার উঠতে হয়। অনুমানের বদলে এই সাদামাটা তথ্যগুলোই তাঁর বেশি কাজে লাগে।

রাতে গোনা ওঠাগুলো

ইদানীং তিনি নিজের অজান্তেই গুনতে শুরু করেছেন। আগে রাতে একবার ওঠাই ছিল স্বাভাবিক। এখন দুইবার, তিনবার, আর ভাঙা ঘুমটা পরের দিনেও পিছু ছাড়ে না। মাথা ভার হয়ে থাকে, অসময়ে ঝিমুনি আসে, ঘরের কাজ পড়ে থাকে।

টর্চটা ছিল তাঁর নিজের ছোট্ট ব্যবস্থা, বাজারের কাছের দোকান থেকে কেনা। অন্ধকারের সমস্যা তাতে মিটেছে। কিন্তু কেন বারবার ঘুম ভাঙে, সেই কারণটায় টর্চের আলো পৌঁছায়নি।

অস্ত্রোপচারের মতামতের কথা উঠলে

তাঁর মতো বেশিরভাগ ভিজিট শুরু আর শেষ হয় শোনা, পরীক্ষা আর সাধারণ চেক দিয়েই। অস্ত্রোপচার দিয়ে শুরু হয় না। তবে পরীক্ষায় যদি এমন প্রশ্ন ওঠে যেখানে সার্জনের চোখ দরকার, তখন সাধারণত একজন জেনারেল সার্জনের মতামত নেওয়া হয়। সেই ধাপের কথা কখনো উঠলে DoctorBD24-তে লক্ষ্মীপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারবেন।

রিকশা আসার আগেই গোছগাছ শেষ

ভিজিটের আগের রাতে তিনি সব গুছিয়ে রাখেন, ঠিক যেমন কোথাও যাওয়ার আগে কাপড় গুছিয়ে রাখা হয়। একদিকে পুরনো রিপোর্টের গোছা। আরেকটা কাগজে লিখে রাখেন নিজের প্রশ্নগুলো, যাতে নার্ভাস হয়ে সব গুলিয়ে না যায়। নিয়মিত যে ওষুধ তিনি খান, সেটা আগের রাতেও চলবে, ভিজিটের সকালেও চলবে, ঠিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। অ্যাপয়েন্টমেন্ট আসছে বলেই নিয়মিত ওষুধ থামানো বা বদলানো যায় না। বদলাতে পারেন শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন তিনিই, তাই ওষুধের নামটাও তিনি কাগজে লিখে রাখেন।

ভারী ভাবের সঙ্গে এসব লক্ষণ মানে আজই

চেনা ধরনের টেনে ধরা ভার নির্ধারিত ভিজিটে বলা যায়। কিন্তু কিছু বদল সেই দিনের অপেক্ষা করতে পারে না। একদম প্রস্রাব করতে না পারলে সেটা সেদিনেরই বিষয়। ভারী ভাবের সঙ্গে জ্বর এলেও তাই। তলপেটে তীব্র ব্যথা, কিংবা অভ্যস্ত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি রক্তপাত হলেও আজই দেখাতে হবে, আগামী সপ্তাহ নয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সকালে ভারটা তেমন থাকে না, সন্ধ্যায় বেড়ে যায়। এটা কি বলার মতো বিষয়?

হ্যাঁ। কোনো অনুভূতি যখন প্রতিদিন একই ধরনে বদলায়, সেই ধরনটাই কাজের তথ্য। কখন শুরু হয়, কিসে বাড়ে, কিসে কমে, সবটাই বলুন।

রাতে দুই-তিনবার প্রস্রাবের জন্য উঠতে হয়। এটাও কি ডাক্তারকে বলব?

বলুন। কতবার ওঠেন, কবে থেকে ওঠেন, এটাও একই গল্পের অংশ। দিন-রাত কতটা বিঘ্নিত হচ্ছে, তা বুঝতে এটা তাঁকে সাহায্য করবে।

প্রথম ভিজিটে সঙ্গে কী নিয়ে যাব?

বাসায় থাকা পুরনো রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশন নিয়ে যান। প্রশ্নগুলো ছোট করে লিখে নিলেও ভালো হয়, বিশেষ করে নার্ভাস হলে যাঁদের সব ভুলে যাওয়ার অভ্যাস আছে।

প্রথম ভিজিট মানেই কি অস্ত্রোপচারের কথা উঠবে?

না। প্রথম ভিজিট আপনার গল্প শোনা আর পরীক্ষা করার জন্য। অস্ত্রোপচারের কথা যদি ওঠেই, তা উঠবে এই পরীক্ষাগুলোর পরে।

প্রতিদিন একটা নিয়মিত ওষুধ খাই। ভিজিটের আগে কি সেটা বন্ধ রাখব?

না, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঠিকমতো খেয়ে যান। ভিজিট আছে বলে ওষুধ বন্ধ করা বা বাদ দেওয়ার কারণ নেই। গিয়ে ওষুধের নামটা জানাবেন, বদলের সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি লিখে দিয়েছিলেন তিনিই।

আজ সকালে একদম প্রস্রাবই করতে পারিনি। ঠিক করা ভিজিট পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। একদম প্রস্রাব করতে না পারাটা সেদিনেরই বিষয়। আজই যান, নিজে নিজে খুলে যাবে ভেবে বাসায় বসে থাকবেন না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.