সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ - চাঁদপুর
পাশে রেখে দেওয়া হাতপাখাটা
তিনি আটচল্লিশ বছর বয়সী, তাঁর দুটো হাতপাখা আছে, যেগুলোর বিশ্রাম মেলে কমই। একটা থাকে সেলাইয়ের টেবিলের পাশে, যেখানে তিনি বিকেল পর্যন্ত কাজ করেন। আরেকটা থাকে বিছানার পাশে, কারণ গরমের ঢেউটা রাতেই সবচেয়ে বেশি আসে। হঠাৎ করে একটা গরম ভাব স্রোতের মতো গায়ে বয়ে যায়, মুখ জ্বলে ওঠে, ঘুমটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। সকাল হলে দিন শুরু হওয়ার আগেই তিনি ক্লান্ত।
তাঁর পিরিয়ড এখন আর কোনো সময় মেনে আসে না। কোনো মাসে এত ভারী হয় যে সব ভিজিয়ে দিয়ে তাঁকে বাসায় আটকে রাখে। কোনো মাসে প্রায় আসেই না, তিনি ভাবেন বুঝি শেষই হয়ে গেল। তারপর আবার ফিরে আসে। তারিখ তিনি কখনো টুকে রাখেননি। ধরনটা তাই থাকে শুধু স্মৃতিতে, আর স্মৃতি সবচেয়ে খারাপ অংশগুলো মসৃণ করে ফেলে। নিজের কাছাকাছি কাউকে খুঁজতে চাইলে DoctorBD24-তে দেওয়া চাঁদপুরে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকা থেকে খোঁজ শুরু করা যায়।
তিনি ধরে নিয়েছিলেন, জীবনের এই পর্যায়টা চুপচাপ সহ্য করে যাওয়ারই জিনিস। আশপাশের অনেক নারীও একই কথা বলেন। কিন্তু সহ্য করাটাই তাঁর একমাত্র পথ না। একজন গাইনোকোলজিস্ট গল্পটা শুনবেন, পরীক্ষা করবেন, তারপর সৎভাবে বলবেন কোনটা মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য আর কোনটা স্বাভাবিক শোনায়। শুধু সেই কথোপকথনটার জন্যই ভিজিটটা করা যায়। একা একা অনুমান করে চলতে তিনি এখন ক্লান্ত।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
পাশে রেখে দেওয়া হাতপাখাটা
হাতপাখা নিয়ে কাটানো রাতগুলো
গরমের ঢেউটা খুব কমই ভদ্রভাবে জানান দিয়ে আসে। এক মুহূর্তে তিনি ঘুমিয়ে, পরের মুহূর্তে পুরো জেগে, ঘামে ভেজা আর অস্থির, অন্ধকারে হাত বাড়িয়ে পাখাটা খুঁজছেন। কোনো কোনো রাতে এটা দুইবার হয়। হাতের কাছে এখন এক গ্লাস পানি থাকে। তবু পুরো একটা রাত ফিরে আসে না।
প্রথম ভিজিটে তিনি রাতগুলো ঠিক যেমন হয়, তেমন করেই বলতে পারবেন। গাইনোকোলজিস্ট জিজ্ঞেস করবেন, এগুলো কবে থেকে আর কত ঘন ঘন আসে। ঘুম নিয়েও প্রশ্ন করবেন, রাতের পাশাপাশি দিনগুলোর কথাও। তারপর তিনি পরীক্ষা করবেন আর সঙ্গে আনা পুরনো রিপোর্টগুলো দেখবেন। রাতের কষ্টটা বিশ্বাস পাওয়াই অনেকের কাছে প্রথম স্বস্তি।
মাসগুলো যখন সময় মানা ছেড়ে দিল
কম বয়সে তিনি তারিখে দাগ দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারতেন। এখন একটা মাস চুপচাপ পার হয়ে যায়, পরেরটা আসে বন্যার মতো। অনুপস্থিত মাসগুলোর চেয়ে ভারী মাসগুলোতেই তিনি বেশি ভয় পান। বাজার আর আত্মীয়ের বাড়ির পরিকল্পনা তিনি এমন শরীরের হিসাব করে করেন, যেটা তাঁকে আগে আর জিজ্ঞেস করে না।
ইদানীং তিনি সেলাইয়ের খাতার শেষ পাতায় তারিখগুলো লিখতে শুরু করেছেন। গোছানো কোনো রেকর্ড না, কিন্তু শুরু তো হলো। কয়েক মাসের সৎ দাগ তাঁর সেরা সারাংশের চেয়েও ডাক্তারকে বেশি বলবে।
ব্যাগে করে যা নিয়ে যান
ভিজিটের দিন তাঁর ব্যাগে থাকবে সেলাইয়ের খাতাটা, শেষ পাতায় তারিখ লেখা। থাকবে বাসায় খুঁজে পাওয়া পুরনো রিপোর্টগুলোও, যত ভাঁজ পড়া হোক না কেন। পাশাপাশি নিজের হাতে লেখা প্রতিদিনের ওষুধের একটা তালিকাও যাবে।
সেই প্রতিদিনের ওষুধগুলো অনুমানের খেলার অংশ না। প্রেসক্রিপশনে যেভাবে দেওয়া হয়েছে, ঠিক সেভাবেই খেয়ে যান। ডোজ কখনো বদলাতে হলে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি ওষুধগুলো লিখে দিয়েছিলেন, আপনার পুরো ইতিহাস সামনে রেখে। ব্যাগের তালিকাটা নতুন ডাক্তারকে ওষুধের কথাটা ঠিকঠাক জানিয়ে দেয়।
প্রসিডিউরের কথা উঠলে
তাঁর মতো এলোমেলো ধরনের কোনো কিছুই সরাসরি প্রসিডিউরের দিকে ইঙ্গিত করে না। প্রথম ভিজিটটা শোনা, পরীক্ষা, আর তিনি জীবনের কোন পর্যায়ে আছেন সেটা বোঝার জন্য। ফলাফল কোথাও পৌঁছালে তবেই কোনো প্রসিডিউরের আলোচনা হবে, তাও ধীরে, কারণ বুঝিয়ে। সেই সময়টায় একজন জেনারেল সার্জনের পরামর্শও সাধারণত নেওয়া হয়ে থাকে। নাম দরকার হলে DoctorBD24-তে চাঁদপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেওয়া আছে।
খুব ভারী মাসে এসব লক্ষণ থাকলে আজই
অনিয়মিত একটা মাস, ভারী হলেও, সাধারণত বুক করা ভিজিটে বলা যায়। কিন্তু ভারীর কিছু রূপ অপেক্ষা করতে পারে না। দ্রুত ভিজিয়ে দেওয়া রক্তপাত, একটার পর একটা প্যাড, সেদিনই দেখাতে হবে। সঙ্গে মাথা ঘোরা, কিংবা সত্যিই অজ্ঞান হয়ে যাওয়া থাকলে জরুরিত্ব আরও বাড়ে। তলপেটে তীব্র ব্যথাও একই তালিকায় পড়ে। এর যেকোনো একটা টের পেলে রাত পোহানোর অপেক্ষা না করে সেদিনই যান।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
কোনো মাস খুব ভারী, কোনো মাস প্রায় আসেই না। এটা কি ডাক্তার দেখানোর কারণ?
হ্যাঁ। বন্যা আর প্রায় শূন্যের মাঝে দুলতে থাকা এই ধরনটা ডাক্তারকে দেখানোর মতো, বিশেষ করে এটা যখন আপনার জন্য নতুন।
গরমের ঢেউয়ে রাতে ঘুম ভেঙে যায়। এগুলোও কি বলা উচিত?
বলুন। কত ঘন ঘন আসে আর ঘুমের কী অবস্থা করে, সেটা একই ছবির অংশ, যা তাঁর দেখা দরকার।
আমি কখনো তারিখ টুকে রাখিনি। তারপরও কি ধরনটা বলতে পারব?
পারবেন। এখন থেকে তারিখ লিখতে শুরু করুন, মোটামুটি হলেও চলবে। বাকিটা মনে থেকে যতটা সৎভাবে পারেন বলুন।
প্রথম ভিজিটে কি রক্ত পরীক্ষা হবে?
হতেও পারে, নাও হতে পারে। আপনার গল্প শোনার আর পরীক্ষা করার পর ডাক্তার হয়তো কিছু টেস্টের কথা বলবেন, কেন দরকার তাও বুঝিয়ে।
আমার নিয়মিত ট্যাবলেটগুলো কি আগের মতোই চলবে?
চলবে। যিনি ওষুধগুলো লিখে দিয়েছেন, তিনি অন্যভাবে না বললে একইভাবে খেতে থাকুন।
আজ রাতে রক্তপাত সবকিছু ভিজিয়ে দিচ্ছে, মাথাও ঘুরছে। এখন যাব, নাকি সকালে?
এখনই যান। মাথা ঘোরা নিয়ে এমন রক্তপাত সকাল পর্যন্ত ফেলে রাখার বিষয় না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.