সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ - বাগেরহাট

দেয়ালের ক্যালেন্ডারে দাগগুলো

তিনি একত্রিশ বছর বয়সী, বিয়ে হয়েছে দুই বছর। রান্নাঘরের দেয়ালে ঝোলানো ক্যালেন্ডারে তিনি প্রতি মাসে পিরিয়ড শুরুর দিনটায় ছোট একটা করে দাগ দেন। এক বছর আগেও দাগগুলো প্রায় একই তারিখে পড়ত, ছন্দটা ছিল নিয়মিত। এখন দাগগুলো এলোমেলো হয়ে গেছে। কোনো মাসে তিন সপ্তাহ না যেতেই আবার শুরু হয়। কোনো মাসে ছয় সপ্তাহ কেটে যায়, কিছুই হয় না। ব্যথাটাও আগের চেয়ে বেড়েছে। কাজের মাঝে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

এখন পর্যন্ত তিনি শুধু বড় বোনকে বলেছেন। বাসায় কারো কাছে মুখ খোলেননি, কারণ নিজেই তিনি ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি। মাঝে মাঝে সকালে ক্যালেন্ডারের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি আবার দিন গুনতে থাকেন। ভাবেন, হয়তো নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে। কাছের কারো কথা ভাবলে শুরুটা হতে পারে DoctorBD24-তে দেওয়া বাগেরহাটে বসেন এমন ডাক্তারদের তালিকা থেকে।

আরেকটা বছর শুধু দাগ গুনে কাটালে অনুমানটাই শুধু বাড়বে। একজন গাইনোকোলজিস্ট পুরো গল্পটা শুনবেন, মাসগুলোর হিসাব জিজ্ঞেস করবেন, তারপর ঠিকমতো পরীক্ষা করে দেখবেন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও কাজে লাগবে। এসব চেক শেষ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। তিনি শুধু চান, যোগ্য কেউ একজন এই ধরনটা তাঁর সঙ্গে বসে বুঝে দেখুক।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

দেয়ালের ক্যালেন্ডারে দাগগুলো

এলোমেলো হয়ে যাওয়া দাগগুলো

বিশের কোঠায় থাকতে তাঁর পিরিয়ড প্রায় অনুমান করা সপ্তাহেই এসে যেত। ক্যালেন্ডার দেখার দরকার পড়ত না। গত এক বছর সেই অভ্যাসটা ভেঙে দিয়েছে। কখনো চক্র ছোট হয়েছে, কখনো লম্বা। প্রথম দুই দিনের ব্যথা এতটাই বেড়েছে যে নিজের পরিকল্পনা বদলাতে হচ্ছে।

প্রথম ভিজিটে গাইনোকোলজিস্ট সাধারণত প্রশ্ন দিয়ে শুরু করেন। বদলটা কবে থেকে, রক্তপাত এখন কেমন, এসব জানতে চাইবেন তিনি। পুরনো অসুখ আর হাতে থাকা রিপোর্টের কথাও জিজ্ঞেস করবেন। তারপর তিনি পরীক্ষা করবেন, প্রতিটা ধাপ করার আগে মুখে বলে নেবেন। সিদ্ধান্ত আসে পরে, পুরো ধরনটা দেখার পর।

বোনকে যা বলেছিলেন

বড় বোনই একমাত্র মানুষ, যিনি পুরো গল্পটা জানেন। মাসের পর মাস ইঙ্গিত দিয়ে থেমে যাওয়ার পর একদিন চায়ের আড্ডায় কথাটা বেরিয়ে এল। মুখে বলার পর কিছু একটা বদলে গেল। দুশ্চিন্তাটা আর ঘর থেকে ঘরে বয়ে বেড়ানো ব্যক্তিগত বোঝা রইল না।

বোন কোনো টোটকা বা অনুমান দেননি। তিনি শুধু বললেন, এক বছর অনেক লম্বা সময়, এবার ডাক্তারের কানে যাওয়া দরকার। এই সাদামাটা কথাটাই মনে গেঁথে গেল। সেজন্যই আরেক মাস অপেক্ষা না করে তিনি এখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট খুঁজছেন।

বিয়ের কাগজপত্রের সঙ্গে রাখা ফাইলটা

বাসায় জরুরি কাগজের জন্য তাঁর একটা প্লাস্টিক ফাইল আছে। বিয়ের কাগজপত্রের সঙ্গে সেখানে আছে দুটো পুরনো প্রেসক্রিপশন আর বছরখানেক আগের একটা চেকআপের রিপোর্ট। ভিজিটের আগে তিনি ক্যালেন্ডারের পাতাগুলোও সেখানে ঢুকিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন, ছিঁড়ে না ফেলে নামানো গেলে।

নিয়মিত যে ওষুধ খান, নাম আর খাওয়ার সময়সহ সেটা লিখে নিন। তারপর ওষুধটা প্রেসক্রিপশনে যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবেই খেতে থাকুন। বদলাতে হলে বদলাবেন শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছিলেন, সেই ডাক্তার। তালিকাটা সঙ্গে থাকলে নতুন ডাক্তারকে আপনার চিকিৎসা নিয়ে অনুমান করতে হয় না।

সার্জারির মতামতের কথা উঠলে

বেশিরভাগ প্রথম ভিজিট শেষ হয় কথা, পরীক্ষা, আর হয়তো আরও কিছু চেকের পরিকল্পনা দিয়ে। তাঁর মতো গল্পে সার্জারি সাধারণত প্রথম উত্তর হয় না। পরীক্ষায় যদি কখনো সার্জারির দিকে যাওয়া প্রশ্ন ওঠে, গাইনোকোলজিস্ট সাধারণত একজন জেনারেল সার্জনের মতামতও নিতে বলবেন। সেই দিন কখনো এলে DoctorBD24-তে বাগেরহাটের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারবেন। ফলাফল আপনাকে বুঝিয়ে বলার আগে সেদিকে কোনো পদক্ষেপ এগোবে না।

এসব লক্ষণ থাকলে আজই দেখান

বদলে যাওয়া ধরনের জন্য বুক করা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়। কিন্তু কিছু মোড়ে অপেক্ষা চলে না। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রক্তপাত, যা দ্রুত ভিজিয়ে দিচ্ছে, সেদিনই দেখাতে হবে। বিশ্রামে না কমা তীব্র ব্যথাও একই দলে পড়ে। মাথা ঘুরে যাওয়া বা সত্যিই অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও তাই। এর যেকোনো একটা এলে সেদিনই যান, পারলে কাউকে সঙ্গে নিয়ে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আগে আমার পিরিয়ড নিয়মিত ছিল। ধরন বদলে গেলে কি ডাক্তার দেখানো উচিত?

হ্যাঁ। ধরন বদলে গিয়ে মাসের পর মাস সেভাবেই থেকে গেলে সেটা ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া উচিত। আরেক বছর ভেবে কাটানোর মানে হয় না।

ক্যালেন্ডারটা সঙ্গে নিয়ে যাব, নাকি তারিখগুলো মুখে বললেই হবে?

পারলে ক্যালেন্ডারটাই নিয়ে যান। তারিখগুলোর মাঝখানের ফাঁক চোখে দেখলে ধরনটা বুঝতে তাঁর সুবিধা হয়।

আমি শুধু আমার বোনকে বলেছি। তিনি কি আমার সঙ্গে আসতে পারবেন?

হ্যাঁ, মন শান্ত রাখতে চাইলে তিনি আসতে পারবেন। অনেকে বোন বা কাছের কাউকে সঙ্গে নিয়ে আসেন।

প্রথম পরীক্ষায় কী কী হয়?

আগে তিনি আপনার চক্র আর আগের ইতিহাস নিয়ে কথা বলবেন। তারপর যত্ন করে পরীক্ষা করবেন, যা করছেন তা বলতে বলতে।

আমার নিয়মিত ওষুধগুলো কি আগের মতোই চলবে?

হ্যাঁ, একইভাবে চালিয়ে যান। বদলের দরকার হলে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি ওষুধগুলো লিখে দিয়েছেন, তিনিই।

আজ রাতে রক্তপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি, মাথাও ঘুরছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। আজই যান। মাথা ঘোরা নিয়ে ভারী রক্তপাত বাসায় বসে পার করার বিষয় না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.