সেরা জেনারেল ফিজিশিয়ান - নাটোর

পানি খেয়েও পিপাসা কমে না

বয়স ঊনষাট। নাটোরে তার একটা মিষ্টির দোকান, কাচের শোকেস আর সারাদিন চলা দাঁড়িপাল্লা। কাউন্টারের পাশে পানির জগ রাখা থাকে, দিনভর গ্লাস ভরে ভরে খান। দুপুর হতে হতে জগ খালি হয়ে যায়। অথচ সন্ধ্যা নামলে মুখটা শুকিয়ে কাগজের মতো লাগে। পুরোনো খদ্দেররা পর্যন্ত এখন এই পানি খাওয়া লক্ষ্য করে।

বারবার ওয়াশরুমে যাওয়াটা কাজের মধ্যে ঝামেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খদ্দেরের অর্ডার অর্ধেক চলছে, এর মধ্যে তাকে উঠে যেতে হচ্ছে। রাতেও একই কাণ্ড, ঘুম আসে ভেঙে ভেঙে। পরদিন সকালে শরীর ভারী লাগে, কাজে মন বসে না সহজে। স্ত্রী বলেন, এই বয়সে এত পিপাসা স্বাভাবিক নয়। প্রথমে তিনি কান দেননি। কথাটা তিনি এখন নিজেও মানছেন।

যে পিপাসা পানি খেয়েও যায় না, সেটা অভ্যাস নয়, একটা ধরন। এর জন্য প্রথম ডাক্তার জেনারেল ফিজিশিয়ান। তিনি পিপাসা, মুখ শুকানো আর ভাঙা ঘুমের কথা একসঙ্গে শুনবেন। নাটোরে ডাক্তারদের তালিকা থেকে দোকানের ফাঁকে যাওয়া যায় এমন একজন সাধারণ চিকিৎসক বেছে নিন। কতটা পানি খাচ্ছেন আর কতবার যাচ্ছেন, এই গল্পটাই সঙ্গে নিয়ে যান।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পানি খেয়েও পিপাসা কমে না

দোকানের ছেলেটা মজা করে বলে, জগটা তার সবচেয়ে বড় খদ্দের। তিনি হাসেন ঠিকই। কিন্তু রাতে তৃতীয়বার উঠে দাঁড়ালে হাসিটা আর থাকে না।

জগ খালি হয় দুপুর গড়ানোর আগেই

সকালে দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম গ্লাস। তারপর খদ্দেরের ফাঁকে ফাঁকে আরও কত গ্লাস যায়। গুনে দেখেননি ঠিকমতো, তবে লিটারের হিসাবে কম হবে না। পানি খাওয়া বাড়ার সঙ্গে ওয়াশরুমে যাওয়াও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে।

আগে এমন ছিল না। গত বছর পর্যন্ত এক জগেই সারাদিন চলত। বদলটা ধীরে ধীরে এসেছে বলে প্রথম দিকে চোখে পড়েনি। এখন তা প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রথম দেখায় ডাক্তার যা যা শুনতে চাইবেন

জেনারেল ফিজিশিয়ান আগে জানতে চাইবেন পিপাসাটা কবে থেকে এমন বাড়ল। দিনে মোটামুটি কতটা পানি খাওয়া হয়। রাতে কতবার উঠতে হয়। খাওয়া, ঘুম আর ওজনের দিকে কোনো বদল এসেছে কিনা, সেটাও জানতে চাইবেন।

কথা শেষে চেম্বারেই প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো হয়ে যাবে। সেসব মিলিয়ে ডাক্তার ঠিক করবেন কোনটা আগে দেখা দরকার। কোনো অংশ বিশেষজ্ঞের হাতে গেলে পুরো গল্প গোছানো অবস্থাতেই সেখানে যাবে।

দোকান থেকে বেশি দূরে নয়

দোকান ফেলে লম্বা সময় বাইরে থাকা তার জন্য কঠিন। তাই আসা-যাওয়ায় কম সময় লাগে, এমন চেম্বারই তার জন্য সুবিধার। আগে প্রোফাইল দেখুন, যোগ্যতা আর বসার সময় মিলিয়ে নিন। সাক্ষাতে পানির পরিমাণ আর রাতের ওঠার কথাটা পরিষ্কার করে বলুন। কখনো অপারেশনের মতামত দরকার মনে হলে ডাক্তার নাটোরে জেনারেল সার্জনের কাছে পাঠাতে পারেন।

ওষুধ চললে সেটা চলবে আগের নিয়মেই

কোনো ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ চলতে থাকলে এই পিপাসার দিনগুলোতেও তা থামানো যাবে না। কম পানি খেলেন বলে ওষুধের ফাঁক বাড়িয়ে দেওয়াও ঠিক নয়। ওই সিদ্ধান্তটা একমাত্র চিকিৎসারত ডাক্তারের হাতে।

পিপাসার চেয়ে জরুরি যেসব সঙ্কেত

সারাদিনের পিপাসা সাধারণত তারিখ নিয়ে দেখালেও চলে। কিন্তু বুকে ব্যথা উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। শ্বাস নিতে কষ্ট হলেও একই কথা। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, না-নামা বেশি জ্বর, হঠাৎ দুর্বলতা কিংবা হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া, এগুলোর কোনোটাই অপেক্ষার বিষয় নয়।

কাউন্টারের ওপার থেকে ওঠা প্রশ্ন

মিষ্টির দোকানে থাকি বলেই কি পিপাসা এত বেশি?

তিনি নিজে মিষ্টি প্রায় ছোঁন না বললেই চলে। পানির পরিমাণ আর ওয়াশরুমে যাওয়ার হিসাবটাই ডাক্তারের কাছে আসল কথা।

দিনে কতটা পানি খাই, সেটা কি লিখে রাখব?

রাখলে ভালো। এক সপ্তাহ গ্লাস কিংবা লিটারের মোটামুটি হিসাব রাখুন। রাতে কতবার ওঠেন, সেই সংখ্যাটাও লিখে রাখুন।

রাতে বারবার ওঠাটাও কি একই কথায় বলব?

বলবেন। পিপাসা আর ভাঙা ঘুম একই গল্পের অংশ হতে পারে। কোনটা কার সঙ্গে জড়িত, তা ডাক্তারই ঠিক করবেন।

ডাক্তার কি প্রথম দিনই অনেক পরীক্ষা দেবেন?

আগে কথা শুনবেন, তারপর প্রাথমিক পরীক্ষা। বাড়তি কিছু লাগলে তা আসবে সেসবের ভিত্তিতেই।

কম পানি খেয়ে দেখি, পিপাসা কমে কিনা?

নিজে থেকে পানি কমিয়ে পরীক্ষা করা ঠিক হবে না। আগের মতোই পানি খান, আর পুরো হিসাবটা ডাক্তারকে জানান।

কোন লক্ষণে তারিখ ফেলে সেদিনই দেখাতে হবে?

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা অজ্ঞান হয়ে গেলে সেদিনই। না-নামা জ্বর, হঠাৎ দুর্বলতা বা হঠাৎ সব গুলিয়ে গেলেও তাই।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.