সেরা জেনারেল ফিজিশিয়ান - ফেনী
যে কাশিটা আর পুরোপুরি গেলই না
বয়স পঁয়তাল্লিশ। ফেনীতে তার একটা দোকান আছে, পাড়ার বেশির ভাগ মানুষকে তিনি নাম ধরে চেনেন। কাশিটা এসেছে মাস দুয়েক আগে, কোনো এক ব্যস্ত সময়ে। ঠিক কবে এসেছিল, এখন আর মনে করতে পারেন না। কাশি তাকে বিছানায় ফেলেনি কখনো। কিন্তু পুরোপুরি যায়ওনি, থেকেই গেছে প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে।
কোনো কোনো সকালে মনে হয়, এই বুঝি গেল। দোকান বন্ধ করার সময় হতে হতে আবার সেই খুসখুসে কাশি গলায় আটকে থাকে। এর চেয়েও বেশি ভাবায় ক্লান্তিটা। ঘুম ঠিকমতোই হয়, খাওয়াও ঠিকঠাক। তবু দুপুর গড়াতে না গড়াতেই শরীর ভেঙে আসে, যেন দ্বিগুণ কাজ করে ফেলেছেন।
দুই মাস ধরে টিকে থাকা কাশি একবার ঠিকমতো শোনা দরকার। সেই শুরুটা জেনারেল ফিজিশিয়ান দিয়েই হয়। একজন ডাক্তার এক বসায় কাশি আর ক্লান্তি দুটোই শুনবেন, দরকারি সাধারণ পরীক্ষাগুলো করবেন, তারপর বলবেন কোনটা আগে দেখতে হবে। ফেনীতে ডাক্তারদের তালিকা থেকে দোকানের সময়ের সঙ্গে মেলে এমন একজনকে বেছে নিন। শুধু এই সপ্তাহের কথা নয়, পুরো দুই মাসের গল্পটাই বলুন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
যে কাশিটা আর পুরোপুরি গেলই না
কাশিটা এখন তার দিনের রুটিন মুখস্থ করে ফেলেছে। সকালের ভিড়ের সময় চুপ থাকে, দোকান ফাঁকা হলেই শুরু হয়, বাড়ি ফিরেও পিছু ছাড়ে না। মাঝে মাঝে ভালো দিন এলেই ডাক্তার দেখানোর পরিকল্পনা আবার পিছিয়ে যায়।
প্রায় সেরে গেছে, এমন দুই মাস
যতবার মনে হয়েছে এই বুঝি শেষ, ততবারই তা ফিরে এসেছে। এক সপ্তাহ শান্ত গেল, তিনি স্ত্রীকে বললেন সেরে গেছে। তারপর ধুলোবালির মধ্যে মাল নামানোর একটা দিন, কিংবা কাউন্টারে গভীর রাত, ব্যস, কাশি আবার গলায়। ছুটির দিনে বিশ্রাম নিয়েছেন। গরম পানি খেয়েছেন, তাড়াতাড়ি শুয়েছেন। কাশি সেসবে গা করে না। আসল অভিযোগ কোনো একটা খারাপ দিন নয়, এই ধরনটাই। আর পুরো সময় ক্লান্তিটা কাশির সঙ্গেই চলেছে। তাই দুটোর কথা একই সাক্ষাতে ওঠা উচিত।
প্রথম দেখায় ডাক্তার যা যা খুঁজবেন
জেনারেল ফিজিশিয়ান প্রথমে শোনেন, পরীক্ষার নির্দেশ পরে আসে। কাশিটা ঠিক কবে থেকে? দোকানে থাকলে বেশি হয়, নাকি রাতে শুলে? ঘুম, খিদে আর ওজন কেমন যাচ্ছে? এরপর চেম্বারেই সাধারণ পরীক্ষাগুলো হয়ে যায়। সেই এক বসা থেকেই ঠিক হয় কোনটা শুধু নজরে রাখলেই চলবে, কোনটার পরীক্ষা লাগবে, আর কোনটা বিশেষজ্ঞের বিষয়। ফিরে আসার সময় তিনি জানেন কোনটা আগে।
নিজের দোকানের তাক থেকে তোলা বোতল
তার দোকানেই কাশির সিরাপ বিক্রি হয়, আর সপ্তাহের পর সপ্তাহ তিনি তাক থেকে তুলে নিজেই খেয়ে চলেছেন। এই কথাটাই ডাক্তারকে বলতে হবে, লুকানো যাবে না। কতদিন ধরে, দিনে কতবার খাচ্ছেন, সবটাই বলতে হবে। আরেকটা কথা। কোনো ডাক্তার আগে কোনো ওষুধ দিয়ে থাকলে সেটা যেমন বলা আছে, তেমনই চলবে। দুই-চার দিন ভালো লাগলেই মাঝপথে বন্ধ করা কিংবা কমিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সেটা বদলানোর সিদ্ধান্ত শুধু যিনি চিকিৎসা করছেন, তারই।
অপেক্ষা করা যেদিন ভুল সিদ্ধান্ত
ধীরে চলা কাশি সাধারণত অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু কয়েকটা লক্ষণের বেলায় অপেক্ষা চলে না। বুকে ব্যথা হলে, কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হতে শুরু করলে সেদিনই দেখাতে হবে। অজ্ঞান হয়ে গেলেও সেদিনই। জ্বর বাড়তে বাড়তে না নামলেও তাই, হঠাৎ শরীরে বল না পেলেও, হঠাৎ মাথা ঘুলিয়ে গেলেও। দোকানের একটা দিনের জন্য এসব নিয়ে বাড়িতে বসে থাকা যাবে না।
ফেনীতে জেনারেল ফিজিশিয়ান বেছে নেওয়া
দেখাটা দোকানের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিন, উল্টো করে নয়। দোকান বন্ধ করার পর পৌঁছানো যায় এমন চেম্বার, যার সময়ে বিক্রির দিন নষ্ট হয় না, সেখানেই তিনি যাবেন। বুক করার আগে প্রোফাইল আর যোগ্যতা দেখে নিন। সাক্ষাতে শুধু সবচেয়ে খারাপ এক ঘণ্টার কথা নয়, কাশির সারাদিনের আচরণটা বলুন। পরে কখনো অপারেশনের মতামত দরকার হলে ডাক্তার তাকে ফেনীতে জেনারেল সার্জনের কাছে পাঠাতে পারেন।
দোকানের কাউন্টার থেকে ওঠা প্রশ্ন
কাশি মাঝে মাঝে দুই-চার দিন কমে যায়। মানে কি সেরে যাচ্ছে?
ঠিক তা নয়। দুই মাস ধরে ফিরে ফিরে আসা কাশি একটা ধরন, আর ডাক্তার বিচার করবেন এই ধরনটাকেই।
ক্লান্তির কথা বলব কেন? দোকানের সময়ের জন্যই তো ক্লান্ত লাগে।
তারপরও বলুন। দুটো অভিযোগ একসঙ্গে আসা পরীক্ষার দিকে একটা ইঙ্গিত দিতে পারে।
নিজের দোকান থেকে সিরাপ খাচ্ছি প্রতিদিন। যাওয়ার আগে বন্ধ করে দেব?
লুকাবেন না, আর ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ নিজে থেকে বদলাবেনও না। কী খাচ্ছেন আর কত ঘন ঘন খাচ্ছেন জানিয়ে সিদ্ধান্তটা ডাক্তারের ওপর ছাড়ুন।
প্রথম সাক্ষাতে কী হবে?
আগে আপনার কথা শোনা হবে, তারপর সাধারণ পরীক্ষা। বাড়তি পরীক্ষা কিংবা অন্য ডাক্তারের কাছে পাঠানো হবে তখনই, যখন কোনো কারণ পাওয়া যাবে।
শুধু বিশ্রাম বাড়ালেই কি হবে না?
বিশ্রামে বেশির ভাগ মানুষেরই ভালো লাগে। কিন্তু এখানে দুই মাস ধরে বিশ্রাম চলছে, কাশি তবু রয়ে গেছে।
কোন লক্ষণ দেখা দিলে আর অপেক্ষা করা যাবে না?
বুকে ব্যথা, শ্বাস নেওয়া কষ্ট হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, জ্বর না নামা, হঠাৎ দুর্বলতা কিংবা মাথা ঘুলিয়ে যাওয়া।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.