সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - পাবনা

সারাদিন না খেয়ে রাতে এক পেট খাওয়া

বয়স পঞ্চাশ। তিনি পাবনা থেকে রাতের দূরপাল্লার বাস চালান। বাস ছাড়ে সন্ধ্যা নামার আগেই, রাজধানীতে পৌঁছায় যখন শহরটা তখনো ঘুমে। তার খাওয়া-দাওয়াও চলে এই সময়সূচি ধরেই। সারা দিন প্রায় কিছুই না। তারপর মাঝরাতে দীর্ঘ বিরতির এক থামায় তাড়াতাড়ি খাওয়া পাহাড়সমান এক প্লেট ভাত, কারণ কন্ডাক্টর ততক্ষণে যাত্রীদের ডাকতে শুরু করেছে।

জ্বালাটা শুরু হয় আরও ঘণ্টাখানেক পরে, পেটের ওপরের দিকে, আর রাস্তা মসৃণ হলেও সেটা থামে না। অন্ধকার ফাঁকা রাস্তাজুড়ে সেটা তার সঙ্গেই চলে। কোনো কোনো রাতে টোলের আলোতে থামলে তিনি পাঁজরে নিজের মুঠি চেপে ধরেন। ভোরে বাস গ্যারেজে ঢোকাতে ঢোকাতে বুকটা ক্লান্ত লাগে, আর মুখে একটা টক স্বাদ থেকে যায়।

আপনার কাজও যদি সারা দিনের খাবার এক রাতের খাওয়ায় ঠেসে দেয়, অবস্থাটা আলাদা নয়। জ্বালাটা বাড়ি পর্যন্ত পিছু না ছাড়লে এই ধরনটা একজন বিশেষজ্ঞকে বলা দরকার। পাবনায় ডাক্তারদের তালিকা থেকে এমন একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার বেছে নিন, যার সময় একজন ড্রাইভারের জীবনের সঙ্গে মেলে। সাক্ষাতে আপনার সময়সূচিটাই তুলে ধরুন। কী খাচ্ছেন তার পাশাপাশি কখন খাচ্ছেন, সেটাও সমান জরুরি হতে পারে।

3 available specialists found

Dr. D.M. Shahinuzzaman

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Gastroenterology)
অবস্থান পাবনা সদর, পাবনা

Dr. Md. Ashraful Islam (Milon)

Qualifications MBBS, BCS (Health), MCPS (Medicine), MD (Gastroenterology), CCD (BIRDEM)
অবস্থান ঈশ্বরদী, পাবনা

সারাদিন না খেয়ে রাতে এক পেট খাওয়া

ধরনটার একটা নির্দিষ্ট ছক আছে, প্রায় ঘড়ি ধরে বলা যায়। ফাঁকা একটা দিন। তারপর বিশাল এক বেলার খাবার। তারপর জ্বালা, যখন রাতের সবচেয়ে সতর্ক থাকার কাজটা তাকে করতে হচ্ছে। ছুটির দিনে বাড়িতে অল্প অল্প করে খেলে জ্বালাটা প্রায় আসেই না। এই তফাতটাই তার মনে বারবার ঘুরে আসে।

চাকায় বসে না খেয়ে কাটানো পুরো দিন

ডিউটিতে না খাওয়াটা কোনো নিয়ম মানা নয়। কাজের ধরনের সঙ্গে গড়ে ওঠা একটা অভ্যাস। তিনি বাড়ি থেকে বেরোন সকালের খাবার খেয়ে, মনে মনে বলেন রাস্তায় খেয়ে নেবেন। রাস্তা সেটা খুব কমই হতে দেয়। কোথাও টায়ার দেখার কাজ, কোথাও টোল প্লাজায় লাইন, আর খাবারের বিরতিটা সঙ্কুচিত হয়ে থাকে শুধু এক কাপ চায়ে। মাঝরাত এলে এক প্লেটকেই জবাব দিতে হয় পুরো দিনের হয়ে।

এক বেলার বড় খাওয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ যা জিজ্ঞেস করবেন

প্রথম প্রশ্নগুলো আসবে সময় নিয়ে। শেষ খাবার আর বড় খাবারটার মধ্যে কত ঘণ্টা ফাঁক থাকে? খাবারটা কত তাড়াতাড়ি খান, আর খাওয়ার কতক্ষণ পর জ্বালা শুরু হয়? খাওয়ার পর গা এলিয়ে দিলে জ্বালাটা বাড়ে কিনা, তাও তিনি জানতে চাইবেন। সম্ভব হলে এক সপ্তাহের ডিউটির দিন নোট করুন। কী খেলেন, কখন খেলেন, জ্বালা কখন শুরু হলো। নিয়মিত খাওয়া সব ওষুধের কথা জানাবেন, পেটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই মনে হলেও।

তবে কয়েকটা লক্ষণ কখনোই বুক করা সাক্ষাতের অপেক্ষায় ফেলে রাখা যাবে না। বমিতে রক্ত দেখলে, অথবা কফির গুঁড়ার মতো গাঢ় কিছু উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। পায়খানার রং কালো আর ধরন আলকাতরার মতো হলে দ্রুত দেখানো দরকার। খাবার গলায় আটকে যাওয়া বা গিলতে কষ্ট হওয়াও দেরি করার বিষয় নয়। কোনো চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমতে থাকা, কিংবা পেটে তীব্র ব্যথাও একই তালিকায়। আর কোনো ডাক্তার আগেই ওষুধ দিয়ে থাকলে সেটা ঠিক তার বলা নিয়মেই চালিয়ে যান। কয়েক রাত আরাম গেল বলেই নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করবেন না বা পরিমাণ বদলাবেন না। সেই বদলের সিদ্ধান্ত শুধু আপনার চিকিৎসারত ডাক্তারেরই।

পাবনায় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন চেম্বার বেছে নিন যেখানে ছুটির দিনে যাওয়া যায়, শিফটের ফাঁকে ঠেসে ঢোকানো নয়। বুক করার আগে প্রোফাইল, যোগ্যতা আর রোগী দেখার সময় দেখে নিন। সাক্ষাতে একটা পুরো ডিউটির দিনের কথা সত্যি করে বলুন, কিছু না খেয়ে কাটানো ঘণ্টাগুলোসহ। প্রথমে কোন বিষয়টা পরীক্ষা করা হবে জেনে নিন। কোন বদল এলে আগেভাগে ফিরতে হবে, তাও শুনে রাখুন। কখনো কোনো প্রক্রিয়া বা অপারেশনের মতামত দরকার হলে ডাক্তার হয়তো পাবনায় জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নিতে বলতে পারেন।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

জ্বালাটা শুধু মাঝরাতের খাবারের পরই ওঠে। এটা কি একটা আসল ধরন?

হ্যাঁ। এত নিয়মিত ফিরে আসা সময়ের ধরন বিশেষজ্ঞের জন্য কাজের তথ্য।

রাতের থামায় কম খেলেই কি হবে, ডাক্তার না দেখালে চলবে?

প্লেট ছোট হলে কোনো রাত আরাম যেতে পারে, কিন্তু কারণটা জানা হয় না। জ্বালা ফিরতে থাকলে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

এক সপ্তাহের ডিউটিতে কী নোট করে রাখব?

খাবারের সময়, কতটা খেলেন, আর জ্বালা কখন শুরু হলো। শিফটপ্রতি কয়েক লাইনই যথেষ্ট।

প্রথম সাক্ষাতেই কি কোনো পরীক্ষা করা হবে?

সবসময় নয়। ডাক্তার আগে আপনার ইতিহাস শুনবেন আর নিজে পরীক্ষা করবেন, তারপর ঠিক করবেন।

ছুটির দিনে তো ভালোই থাকি। তাহলে কি ছেড়ে দেওয়া যায়?

মানে ধরনটা আপনার খাওয়ার সময়সূচির সঙ্গে জড়িত। তবু একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া উচিত।

কোন লক্ষণ থাকলে সাক্ষাতের অপেক্ষা করব না?

রক্তবমি হলে, পায়খানা কালো হলে বা খাবার আটকে গেলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। তীব্র ব্যথা আর কারণ ছাড়া ওজন কমলেও একই কথা।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.