সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - নোয়াখালী

কাপড় কাচতে ঝুঁকলেই জ্বালাটা ওপরে ওঠে

বয়স সাতচল্লিশ। সংসারের কাজ এখন চলে তার পেটের ঠিক করে দেওয়া সময়মতো। দুপুরের খাওয়া শেষ, টিউবওয়েলের পাশে বালতিতে ভিজিয়ে রাখা কাপড় অপেক্ষা করছে। ঘষতে ঘষতে যেই একটু ঝুঁকলেন, পেটের ওপর দিক থেকে একটা জ্বালা উঠতে শুরু করে গলার দিকে। ঝাড়ু দিতে গেলেও তাই। পানির ভরা বালতি তুললেও তাই। সোজা হয়ে দাঁড়ালেই কেবল ধীরে ধীরে কমে আসে। মাস ছয়েক ধরে তার দুপুরগুলো চলছে এই নিয়মেই।

তাই কাজগুলো চুপচাপ জায়গা বদলে নিয়েছে। খাওয়ার পর এখন তিনি চেয়ারে সোজা হয়ে বসে থাকেন, কখনো আধঘণ্টাও, তারপর ঝুঁকে করার কাজগুলো ধরেন। মেয়ে হেসে বলে, মা আজকাল বড্ড বাছবিচার করে। আসলে তিনি কোনো উপসর্গের সঙ্গে রফা করে চলছেন। খাওয়ার পর ঝুঁকলেই যদি আপনারও এমন জ্বালা ওঠে, এই সময়ের যোগসূত্রটাই বিশেষজ্ঞের কাছে বলার মতো বিষয়। নোয়াখালীর ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার বেছে নিয়ে বিষয়টা খুলে বলুন। খাবারের সঙ্গে এতটা জড়ানো ধরন ঠিকমতো ব্যাখ্যা পাওয়ার যোগ্য। মাসের পর মাস এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।

2 available specialists found

Dr. Hazera Akter

Qualifications MBBS, BCS (Health), and MD (Pediatric Gastroenterology) from BSMMU.
অবস্থান ,

Dr. Md. Rezaul Islam Patwary

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (Medicine), MD (Gastroenterology), CCD (BIRDEM)
অবস্থান নোয়াখালী সদর, নোয়াখালী

কাপড় কাচতে ঝুঁকলেই জ্বালাটা ওপরে ওঠে

জ্বালাটার নিজের একটা যুক্তি আছে। খাও, ঝোঁকো, জ্বলো। সোজা হয়ে বসে অপেক্ষা করলে আবার থেমে যায়। তিনি নিজের অজান্তেই এটা বারবার পরখ করে ফেলেছেন, কাজের দিনে আর হালকা দিনে। ভারী খাবারের পর ঝুঁকলে কষ্ট বেশি হয়। কিন্তু তাড়াতাড়ি কাজ ধরলে হালকা খাবারেও জ্বালা ওঠে। যেটা তিনি বুঝে উঠতে পারেন না, কেন এটা শুরু হলো, আর কেনই বা ফিরে ফিরে আসছে।

ঝোঁকা আর সময় নিয়ে বিশেষজ্ঞ যা জিজ্ঞেস করবেন

পরিপাক বিশেষজ্ঞ প্রথমে ঘটনাগুলো পরপর সাজিয়ে শুনতে চাইবেন। খাওয়ার কতক্ষণ পর ঝুঁকলে জ্বালা ওঠে? কতটা উঁচু পর্যন্ত ওঠে? সোজা হয়ে বসলেই কি প্রতিবার কমে, কমলে কতক্ষণে? ওজনের কথা আর নিয়মিত খাওয়া সব ওষুধের কথাও তিনি জানতে চাইবেন। কয়েকদিনের একটা ছোট নোট রাখুন, খাবারের সময় আর কাজ শুরুর সময় পাশাপাশি লিখে। এতেই বেশিরভাগ উত্তর তৈরি হয়ে যাবে।

তবে কয়েকটা লক্ষণ দেখা দিলে বুক করা তারিখের দিকে তাকিয়ে থাকা যাবে না। বমিতে রক্ত উঠলে, কিংবা কফির গুঁড়ার মতো গাঢ় জিনিস উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিতে হবে। পায়খানা কালো ও আলকাতরার মতো আঠালো হলেও একই তাড়া। খাবার নামার পথে আটকে যাওয়া, বা গিলতে সত্যিকারের কষ্ট হওয়াও তালিকায় আছে। চেষ্টা ছাড়া ওজন ঝরে যাওয়া, কিংবা পেটব্যথা হঠাৎ তীব্র হয়ে ওঠাও তাই। ডাক্তারের দেওয়া কোনো ওষুধ চলতে থাকলে সেটা ঠিক তার বলা নিয়মেই চালিয়ে যান। একটা শান্ত সপ্তাহ কাটলেই নিজে থেকে ওষুধ থামাবেন না বা বদলাবেন না। সেই সিদ্ধান্ত শুধু যিনি আপনার চিকিৎসা করছেন, তারই।

সোজা হয়ে বসে থেকে তারপর কাজ

এই বসে থাকাটা এখন সংসারের ছন্দের অংশ হয়ে গেছে। কাপড় প্রয়োজনের চেয়ে বেশিক্ষণ ভিজে থাকে। উঠান ঝাড়ু পড়ে দুপুরের বদলে বিকেলে। কেউ কিছু বলে না, কিন্তু সাজানো এই বদলগুলো তার নিজের চোখে পড়ে, আর তিনি এগুলো করতে করতে ক্লান্ত। তিনি কাজ সাজানোর নতুন কোনো উপায় চান না। তিনি জানতে চান, একটা বালতির ওপর ঝোঁকা কেন এমন পরিকল্পনার বিষয় হয়ে দাঁড়াল।

নোয়াখালীতে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন ডাক্তার বেছে নিন, যাকে কাজকর্মসহ একটা পুরো দিনের কথা লজ্জা না পেয়ে বলা যায়। বুক করার আগে প্রোফাইল, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময় দেখে নিন। নোটটা সঙ্গে নিয়ে যান, আর পরিষ্কার করে বলুন খাওয়ার পর ঝুঁকলেই জ্বালা ওঠে। প্রথমে কী পরীক্ষা করা হবে জিজ্ঞেস করুন। কোন বদল দেখলে তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে, সেটাও জেনে নিন। কখনো অপারেশনের মতামত প্রাসঙ্গিক হলে বিশেষজ্ঞ হয়তো একজন সার্জনের কথা বলতে পারেন। কাছাকাছি কারা আছেন জানতে নোয়াখালীতে জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারেন। আরও এক মাস সোজা হয়ে বসে অপেক্ষা করার চেয়ে একবার ঠিকমতো দেখানো অনেক বেশি কাজের।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

জ্বালাটা শুধু ঝুঁকলেই ওঠে। তবু দেখানো দরকার?

দরকার। এত নিয়মিত একটা যোগসূত্র ডাক্তারের জন্য সত্যিকারের তথ্য, আর মাসের পর মাস চললে এর ব্যাখ্যা দরকার।

সব কাজ দুপুরের আগেই সেরে ফেলব?

কাজের সময় বদলালে কয়েকটা দুপুর বাঁচতে পারে, কিন্তু কারণটা জানা হয় না। হিসাব রাখুন, পরীক্ষার পর ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

দুই সপ্তাহে কোন কোন বিষয় নোট করব?

খাবারের সময়, ঝুঁকে কাজ শুরু করার সময়, আর জ্বালা কতক্ষণ থাকল। সোজা হয়ে বসলে কমল কিনা, তাও লিখুন।

প্রথমবার গেলেই কি কোনো পরীক্ষা করতে হবে?

হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে নিশ্চিত নয়। ডাক্তার আগে ঘটনা পরপর শুনে পরীক্ষা করেন, তারপর বুঝিয়ে বলেন পরীক্ষা লাগবে কিনা।

হালকা খেলে কষ্ট কম হয়। শুধু হালকা খেয়েই চালিয়ে গেলে হবে না?

তাতে দিনগুলো একটু সহজ হতে পারে, কিন্তু ধরনটার উত্তর মিলবে না। খাবার আরও কমানোর বদলে দেখিয়ে নিন।

কখন সেদিনই চিকিৎসা নেব?

রক্তবমি, কালো পায়খানা, গিলতে কষ্ট বা হঠাৎ তীব্র ব্যথা হলে সেদিনই যান। এসব লক্ষণে বুক করা তারিখ পর্যন্ত বসে থাকা যাবে না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.