সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - নাটোর

প্রতিদিন সকালে চল্লিশ মিনিট

ত্রিশ বছরের বেশি সময় স্কুলে পড়িয়েছেন। অবসরের পর সকালগুলো ধীরেসুস্থে কাটার কথা ছিল। অথচ তার দিন শুরু হয় বাথরুমের বন্ধ দরজার ভেতরে। প্রায় প্রতিদিন সকালে সেখানে চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত কেটে যায়। শক্ত পায়খানা, বারবার চাপ দিতে হয়, কখনো টুকরো টুকরো করে আসে, কখনো আসেই না। অপেক্ষা আর চাপ, চাপ আর অপেক্ষা। বেরিয়ে এলেও মনে হয় কাজটা যেন শেষ হয়নি।

এই রুটিন চলছে বছরের পর বছর, আর ইদানীং সময়টা কমার বদলে বাড়ছেই। তিনি পানি খান, অপেক্ষা করেন, আবার চেষ্টা করেন। নাশতা টেবিলে ঠান্ডা হতে থাকে, বাড়ির লোকেরাও চুপচাপ শিখে গেছে ওই সময়টায় দরজায় টোকা দিতে নেই। এটা এখন বাড়ির অলিখিত নিয়ম। আপনার সকালগুলোও যদি টয়লেটকে ঘিরেই সাজানো হয়, শুধু ধৈর্য ধরে বসে থাকা এর উত্তর নয়। একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া দরকার। নাটোরের ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার বেছে নিয়ে পুরো বিষয়টা খুলে বলুন। বছরের পর বছর চাপ দিয়ে যাওয়াকে শুধু বয়সের দোষ বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

প্রতিদিন সকালে চল্লিশ মিনিট

চল্লিশ মিনিটের পুরোটা যে চাপ দেওয়ায় যায়, তা নয়। অনেকটা সময় কাটে অপেক্ষায়। হবে হবে মনে হয়, তারপর আবার চাপ। কোনো কোনো সকালে কাজটা তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়, তিনি নিজেই অবাক হন। বেশিরভাগ দিন হয় না। ইদানীং তিনি খারাপ দিনগুলোর একটা হিসাব রাখতে শুরু করেছেন। হিসাবটা কমছে না। এত ধীরে বদলানো রুটিন স্মৃতিতে ঠিকমতো ধরা পড়ে না, লিখে রাখলে পড়ে।

এই রুটিন নিয়ে বিশেষজ্ঞ যা জিজ্ঞেস করবেন

বিশেষজ্ঞ প্রথমে পুরো রুটিনটা ধাপে ধাপে শুনতে চাইবেন। সপ্তাহে কয়দিন পায়খানা হয়? কতটা শক্ত থাকে, আর কতক্ষণ ধরে চাপ দিতে হয়? শেষ হলেও মনে হয় কিনা পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি? পুরোনো কোনো রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিয়ে যান। নিয়মিত খাওয়া সব ওষুধের কথা জানাবেন। এই সমস্যার জন্য নিজে কিনে খাওয়া কিছু থাকলেও বলবেন।

তবে কয়েকটা বদল দেখলে তারিখ দেখে বসে থাকা চলবে না। বমিতে রক্ত এলে, অথবা বমিটা গাঢ় কফির গুঁড়ার মতো দেখালে সেদিনই চিকিৎসা নিন। পায়খানা কালো আর আলকাতরার মতো হলেও তাড়াতাড়ি দেখানো জরুরি। খাবার আটকে যাওয়া বা গিলতে কষ্ট বাড়লেও সময় নষ্ট করবেন না। কোনো চেষ্টা ছাড়া ওজন ঝরতে থাকা, কিংবা পেটে তীব্র ব্যথাও একই গুরুত্ব পায়। আগে থেকে ডাক্তারের দেওয়া কোনো ওষুধ চললে আগের নিয়মেই চালিয়ে যান। নিজে থেকে থামাবেন না, বদলিও আনবেন না। সেই সিদ্ধান্ত চিকিৎসারত ডাক্তারেরই।

টয়লেট ঘিরে সাজানো সকাল

বন্ধ দরজাটাকে ঘিরে বাড়ির সকাল সাজানো হয়, কেউ মুখে কিছু বলে না। সকালের চা অপেক্ষা করে। শহর থেকে বেড়াতে আসা নাতি-নাতনিরাও কয়েকদিনে শিখে যায়, কোন সময়টায় প্রশ্ন করা যায় না। টেবিলে বসে তিনি নিজেই বিষয়টা নিয়ে হাসেন। কিন্তু প্রতিদিন চল্লিশ মিনিট ধরে চাপ দেওয়া দিনের শুরু হিসেবে সত্যিই ক্লান্তিকর। তিনি কারো করুণা চান না। তিনি চান সকালগুলো আবার নিজের হোক।

নাটোরে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন ডাক্তার বেছে নিন যিনি শুধু এই মাসের কথা নয়, পুরো ইতিহাসটা শুনবেন। আগে প্রোফাইলটা ভালো করে দেখুন: যোগ্যতা কেমন, চেম্বার কোথায়, কোন দিনগুলোতে বসেন। সাক্ষাতে পরিষ্কার করে বলুন, কত বছর ধরে চলছে আর ইদানীং কী বদল এসেছে। এ ধরনের ধীর সমস্যায় ফলো-আপ জরুরি, তাই আবার কবে দেখা হবে জিজ্ঞেস করে জেনে নিন। কখনো কোনো প্রক্রিয়া বা অপারেশনের মতামত লাগলে ডাক্তার একজন সার্জনের কথা বলতে পারেন। আশেপাশের নাটোরে জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইলও তখন দেখে নিতে পারেন। আরও এক বছর বন্ধ দরজার চেয়ে একবার পরিষ্কার করে বলা কথা অনেক বেশি কাজের।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

বছরের পর বছর এভাবেই চাপ দিচ্ছি। এখন দেখিয়ে লাভ আছে?

আছে। লম্বা ইতিহাসটাই ডাক্তারের কাজে লাগে, আর ইদানীং বদলটা কী, সেটা সবচেয়ে জরুরি তথ্য।

দেখানোর আগে কী হিসাব রাখব?

কোন কোন দিন পায়খানা হলো, কতক্ষণ লাগল, আর পরিষ্কার হওয়ার অনুভূতিটা ছিল কিনা। দুই-তিন সপ্তাহের নোটই চলবে।

কোনো কোনো সকালে তো ভালোই হয়। এতে কি কিছু বদলায়?

এটাও ধরনেরই অংশ। ভালো সকালগুলোও লিখে রাখুন, আগের দিন অন্যরকম কী ছিল সেটাসহ।

প্রথমবার দেখালেই কি পরীক্ষা লাগবে?

হতে পারে, তবে আগে ডাক্তার পুরো রুটিন শুনবেন আর পরীক্ষা করবেন। কোন পরীক্ষা লাগবে ঠিক হবে সেই আলোচনার পর।

এর জন্য তো একটা ওষুধ খাই। দেখানোর আগে বন্ধ করে দেব?

না। বলা নিয়মেই খেয়ে যান, আর ডাক্তারকে ঠিকঠাক বলুন ওষুধটা কী। আগে থেকে বদলে ফেললে আসল ছবিটা বোঝা কঠিন হয়।

কোন লক্ষণ দেখলে সেদিনই যেতে হবে?

বমিতে রক্ত এলে, কালো আঠালো পায়খানা হলে, খাবার আটকে গেলে কিংবা ব্যথা তীব্র হয়ে উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। ওজন অজান্তেই কমতে থাকলেও দেরি না করে দেখান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.