সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - কুষ্টিয়া
দুপুরের খাবারের পর ঢিলা করা ফিতা
বয়স ঊনপঞ্চাশ। ছোট্ট একটা দর্জির দোকান চালান, দুটো মেশিন আর সারাদিন ক্রেতার আসা-যাওয়া। দুপুরের খাবারটা হয় দোকানের পেছনের ছোট ঘরটায়, তাড়াহুড়ো করে। একদিকে ব্লাউজের মাপ নেওয়া বাকি, অন্যদিকে সন্ধ্যার মধ্যে স্কুলের পোশাকটা তৈরি করে দিতেই হবে। খাওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই প্রায় প্রতিদিন পেটের ওপরের দিকটা ভারী আর টানটান হয়ে ওঠে, মনে হয় খাবারটা যেন ওখানেই আটকে বসে আছে। তিনি পর্দার আড়ালে গিয়ে চুপচাপ ফিতাটা এক ঘর ঢিলা করে নেন, তারপর আবার কাজে বসেন। প্রথম দিকে তিনি ভাবতেন বয়স বাড়লেই বুঝি এমন হয়। এখন আর সেই ভাবনায় মন ভরে না।
অথচ বাড়িতে একই খাবার খেলে এমনটা প্রায় হয়ই না। বাড়িতে তিনি ধীরে খান, ঠিকমতো বসে, সময় নিয়ে। এই তফাতটাই এখন তাকে ভাবাচ্ছে। মাসের পর মাস একই ছবি দেখে তিনি বুঝেছেন, শুধু খাবারটা দায়ী নয়। আপনার দুপুরের খাবারও যদি তাড়ায় খেলে পেট টানটান লাগে, এই তফাতটাই একজন পরিপাক বিশেষজ্ঞের কাছে বলার মতো বিষয়। কুষ্টিয়ায় ডাক্তারদের তালিকা থেকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তারের প্রোফাইল দেখে নিতে পারেন। শুধু অস্বস্তিটা নয়, ধরনটা পুরোটা গুছিয়ে বলুন।
6 available specialists found
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো. সেলিম উদ্দিন
ডাঃ খন্দকার আবুল হাসনাত মাজমাদার
অধ্যাপক ডাঃ এ.টি.এম আতাউর রহমান (হিরণ)
Dr. ATM Ataur Rahman (Hiron)
Dr. Taisir Shahriar
Dr. S.M. Khosruzzaman (Mukul)
দুপুরের খাবারের পর ঢিলা করা ফিতা
টানটান ভাবটা খাওয়ার সময় আসে না। আসে তার পরে, মেশিনে বসে অন্যের কাপড় সেলাই করার সময়। কোনোদিন ঘণ্টাখানেকেই কমে যায়। কোনোদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত থেকে যায়, সেদিন চা-টাও আর খাওয়া হয় না। দুপুরের পরিমাণ তিনি ইতিমধ্যে দুইবার কমিয়েছেন। তাতেও ভাবটা এসেছে ঠিকই। তখন থেকে তার মনে হচ্ছে, বিষয়টা শুধু কতটা খেলেন তা নয়।
দুপুরের খাবার নিয়ে বিশেষজ্ঞ যা জিজ্ঞেস করবেন
প্রথম প্রশ্নগুলো আসবে গতি আর সময় নিয়ে। দুপুরে কত তাড়াতাড়ি খান? খাওয়ার কতক্ষণ পর টানটান ভাবটা শুরু হয়, আর কতক্ষণ থাকে? বাড়িতে ধীরে খেলে সত্যিই কম থাকে, নাকি শুধু মনে হয়? যাওয়ার আগে এক সপ্তাহের দুপুরের খাবারের ছোট নোট রাখুন। কী খেলেন, কত তাড়াতাড়ি খেলেন, ভাবটা কখন শুরু হলো। নিয়মিত কোনো ওষুধ খেলে সেটার কথাও জানাবেন, পেটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই মনে হলেও।
তবে কিছু লক্ষণ থাকলে নিয়মিত সাক্ষাতের অপেক্ষা করা যাবে না। বমিতে রক্ত এলে, কিংবা কফির গুঁড়ার মতো কিছু উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। মল কালো আর আলকাতরার মতো হলে দ্রুত দেখান। খাবার গলায় আটকে গেলে বা গিলতে কষ্ট বাড়লেও দেরি করবেন না। কারণ ছাড়া ওজন কমতে থাকা, কিংবা পেটে তীব্র ব্যথাও একই তালিকায়। আর ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ চলতে থাকলে ঠিক নিয়মমতোই চালিয়ে যান। কয়েকদিন ভালো লাগছে বলেই নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করা, বাদ দেওয়া বা পরিমাণ বদলানো ঠিক নয়। বদলানোর সিদ্ধান্ত শুধু চিকিৎসারত ডাক্তারেরই।
ক্রেতার ফাঁকে তাড়াহুড়োর খাওয়া
দোকানই তার খাওয়ার গতি ঠিক করে দেয়। ছেঁড়া স্কুলের শার্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতা বোঝে না যে তার ভাত মাত্রই দেওয়া হয়েছে। কোনোদিন তিনি দাঁড়িয়েই খান, কোনোদিন তিন বসায়, মাপ নেওয়ার ফাঁকে ফাঁকে। তাড়াটা যে একটা কারণ, সেটা তিনি নিজেও বোঝেন। বুঝতে পারেন না শুধু এটুকু, সাধারণ এক প্লেট খাবারে কোনো কোনোদিন বিকেল গড়িয়ে গেলেও ভাবটা কেন থেকে যায়। এই বোঝা আর না-বোঝার মাঝের জায়গাটার জন্যই পরীক্ষা দরকার।
কুষ্টিয়ায় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া
এবার অন্তত তাড়াহীনভাবে কথা বলা যায় এমন সময় দেখে ডাক্তার বেছে নিন, যাতে একটা পুরো কর্মদিবসের ছবি ঠিকমতো বলতে পারেন। বুক করার আগে প্রোফাইলে যোগ্যতা আর রোগী দেখার সময় দেখে নিন। সাক্ষাতে জিজ্ঞেস করুন, প্রথমে কী পরীক্ষা করা হবে আর কোন বদল দেখলে আবার দ্রুত আসতে হবে। কখনো প্রক্রিয়া বা অপারেশনের মতামত লাগলে ডাক্তার হয়তো কুষ্টিয়ায় জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নিতে বলতে পারেন। আপাতত দুপুরের ওই খাবারগুলো নিয়ে একবার মন খুলে কথা বলাই আসল কাজ।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
খুব তাড়াতাড়ি খেলেই কি এমন টানটান ভাব হয়?
তাড়া একটা কারণ হতে পারে, তবে একমাত্র কারণ নাও হতে পারে। আর কী দেখা দরকার, সেটা পরীক্ষা করেই বোঝা যাবে।
সন্ধ্যার মধ্যে তো কমে যায়। তাহলে না দেখালেও চলবে?
প্রায় প্রতিদিন ফিরে এলে চলবে না। সপ্তাহের পর সপ্তাহ চলা ধরন একবার দেখিয়ে নেওয়া উচিত, সন্ধ্যায় ভালো লাগলেও।
আগে থেকে নোটে কী কী লিখব?
দুপুরে কী খেলেন, কত তাড়াতাড়ি খেলেন, আর টানটান ভাবটা কখন শুরু হলো। এক সপ্তাহের নোটই যথেষ্ট।
দুপুরে কম খেলেই কি হবে, ডাক্তার না দেখালে চলবে?
পরিমাণ কমালে কোনোদিন আরাম মিলতে পারে, কিন্তু কারণটা জানা হয় না। ধরনটা ফিরতে থাকলে পরীক্ষা করিয়ে নিন।
প্রথমবার দেখা করলেই কি পরীক্ষা করা হবে?
সবসময় নয়। ডাক্তার আগে আপনার কথা শুনে পরীক্ষা করেন, তারপর ঠিক করেন পরীক্ষা লাগবে কিনা।
কোন লক্ষণ থাকলে সাক্ষাতের তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব না?
রক্তবমি, কালো আলকাতরার মতো পায়খানা বা খাবার আটকে গেলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। প্রচণ্ড পেটব্যথা আর অকারণে ওজন কমলেও একই কথা।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.