সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - জামালপুর

যে ব্যথাটা খিদের মতো লাগে

সকালের নাশতার ঘণ্টা দুয়েক পর থেকেই শুরু হয়। পেটের উপরের দিকে একটা মোচড়ানো, চিনচিনে ব্যথা। এতটাই খিদের মতো লাগে যে মনে হয় কিছু খেলেই ঠিক হয়ে যাবে। ড্রয়ার থেকে বিস্কুট, দোকান থেকে চা, ব্যথাটা তখনকার মতো থেমে যায়। কিন্তু বিকেলের দিকে আবার ফিরে আসে, রাতের খাবারের আগেও একই অবস্থা। পেট ভরা থাকলেও ব্যথাটা খিদের ভান করে আসে বলেই এত ধোঁকা।

বয়স চল্লিশ, অফিসের চাকরি। মাসের পর মাস এভাবে চলতে চলতে ওজনও বেড়ে গেছে কয়েক কেজি। এটা নিয়ে তার চিন্তা কম না। অনেকেই বলবে, খাওয়ার সময় ঠিক নেই বলেই এমন হয়। কিন্তু যেদিন সময়মতো খাওয়া হয়, সেদিনও ব্যথাটা আসে।

আপনার পেটও যদি দিনে দুইবার এভাবে খাবার খুঁজতে বাধ্য করে, তাহলে ধরনটা একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া ভালো। পেটের ডাক্তার জানতে চাইবেন ব্যথাটা কখন আসে, কী খেলে কমে, তারপর ঠিক করবেন কী পরীক্ষা দরকার। জামালপুরের ডাক্তারদের তালিকা থেকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট দেখে সময় নিতে পারেন। যাওয়ার আগে কয়েকদিন লিখে রাখুন, কোন কোন সময় ব্যথাটা উঠল।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

যে ব্যথাটা খিদের মতো লাগে

খাবার খাওয়ার সময় ব্যথাটা থাকে না বললেই চলে। সে আসে ফাঁকের সময়গুলোতে। সকাল সাড়ে দশটা, বিকেলের দিক, মাঝে মাঝে তাড়াতাড়ি খাওয়ার পর অনেক রাতেও। কিছু খেয়ে নিলে ঘণ্টাখানেক শান্তি মেলে, তাই হাতের কাছে খাবার রাখাটাই এখন অভ্যাস। অফিসের ড্রয়ারে বিস্কুটের প্যাকেট, ব্যাগে বাদাম। ব্যথাটা একরকম তার পুরো দিনটা নিজের হিসাবমতো সাজিয়ে নিয়েছে।

কিছুদিন ব্যথা প্রায় থাকেই না। আবার কিছুদিন এগারোটা থেকে দুপুর পর্যন্ত নাড়া দিয়েই যায়। কোনো একটা খাবার বা কাজের চাপের সঙ্গে সে মেলাতে পারেনি। এই অনিশ্চয়তার জন্যই ডাক্তার দেখানো বারবার পিছিয়েছে। শুধু ব্যথাটা পুরোপুরি ছাড়ে না।

খাবারের ফাঁকগুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞ যা জিজ্ঞেস করবেন

প্রশ্নগুলো আসবে আপনার খাওয়ার দিনের ফাঁকগুলো নিয়েই। খাবারের কতক্ষণ পর ব্যথা শুরু হয়? খেলেই কি থামে, থামলে কতক্ষণের জন্য? এই খেয়ে ফেলার অভ্যাসে ওজন বেড়েছে কতটা, কতদিনে? নিয়মিত কোনো ওষুধ খান কি না, খেলে সেটা খাবারের আগে না পরে? উত্তরগুলো সহজ করে বলুন। কারণ খুঁজে বের করা ডাক্তারের কাজ।

কিছু লক্ষণ অবশ্য অপেক্ষা করার মতো নয়। বমিতে রক্ত দেখলে, বা কফির গুঁড়ার মতো গাঢ় দানা উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। পায়খানা কালো আর আঠালো, আলকাতরার মতো হলে তাড়াতাড়ি দেখানো দরকার। খাবার নামতে গিয়ে আটকে যাওয়া, কিংবা গিলতে কষ্ট হওয়াও একই তালিকার। চাওয়া ছাড়াই ওজন কমতে থাকা, বা অভ্যস্ত ব্যথার চেয়ে অনেক বেশি জোরালো পেটব্যথাও তাই। এসবের কোনো একটা থাকলে সাক্ষাতের শুরুতেই বলুন।

দেখানোর আগপর্যন্ত একটা নিয়ম মানুন। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ নিজে থেকে বন্ধ বা বদল করবেন না, বলা নিয়মেই খেয়ে যান। বদলানোর সিদ্ধান্ত একমাত্র চিকিৎসারত ডাক্তারের।

ব্যথা থামাতে খেয়ে ফেলা

তার এই বারবার খেয়ে ফেলা লোভ নয়। এটা একটা উপায়, যেটা কাজ করে অল্প সময়ের জন্য। খেসারতটা জমে অন্যখানে, ওজন মাপার যন্ত্রে আর কোমরের বেল্টে। মাঝে মাঝে সে খাওয়াটা বাদ দিয়ে ব্যথা সহ্য করার চেষ্টা করেছে। কোনোদিন পেরেছে, বেশিরভাগ দিন দুপুরের আগেই হেরে গেছে।

সে আসলে নতুন কোনো খাবারের ধারণা চায় না। সে জানতে চায়, ভরা পেট কেন বারবার খাবার চায়। এই প্রশ্নের জায়গা চায়ের দোকানের আড্ডা নয়, ডাক্তারের চেম্বার।

জামালপুরে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন ডাক্তার বেছে নিন, যাকে একটা সাধারণ দিনের কথা খাবারসহ বলতে পারবেন। আগে প্রোফাইলটা দেখুন: চেম্বারের ঠিকানা, কোন কোন দিন বসেন, পরে আবার দেখা করার নিয়ম কী। সাক্ষাতে পরিষ্কার বলুন, খেলে ব্যথা থামে আর ওজন বেড়ে যাচ্ছে। দুটো তথ্যই জরুরি। কখনো অপারেশনের প্রসঙ্গ উঠলে ডাক্তার একজন জেনারেল সার্জনের কথাও বলতে পারেন। কারা কাছাকাছি আছেন জানতে জামালপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে নিতে পারেন। যাওয়ার আগে প্রশ্নগুলো লিখে নিন। ব্যথা থেমে গেলে কথা ভুলে যাওয়া সহজ।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পেটে ব্যথা হয়, খেলেই কমে। তবু ডাক্তার দেখাব?

প্রায় প্রতিদিন সপ্তাহের পর সপ্তাহ এমন হলে দেখানো উচিত। খাবার দিয়ে ব্যথা সামলানোর অভ্যাসটাই পরীক্ষা করা দরকার।

যাওয়ার আগে কী লিখে রাখব?

কোন সময় ব্যথা উঠল, কী খেয়ে থামালেন, আর কতক্ষণ শান্তি পেলেন। সাত দিনের সংক্ষিপ্ত নোট রাখলেই চলবে।

ডাক্তার কি ওজন বাড়ার কথা জিজ্ঞেস করবেন?

খুব সম্ভব। কতটা বেড়েছে আর কতদিনে, এই তথ্য দিয়ে ডাক্তার বুঝবেন আগে কী দেখা দরকার।

খাওয়ার সময় অনিয়মিত বলেই কি এই ব্যথা?

অনিয়মের ভূমিকা থাকতে পারে, কিন্তু নিয়মিত দিনেও ব্যথা এলে সেটাই পুরো ব্যাখ্যা নয়। আসল কারণটা ডাক্তারকেই আলাদা করতে দিন।

দেখানোর আগে বারবার খাওয়ার অভ্যাসটা বদলে ফেলব?

হঠাৎ বদলালে ডাক্তারের দেখার ধরনটাই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। অভ্যাস যেমন আছে তেমন রেখে সত্যিটা লিখে রাখুন, পরামর্শ আসুক পরীক্ষার পর।

কোন লক্ষণে বুক করা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব না?

রক্তবমি, কালো আঠালো পায়খানা, খাবার আটকে যাওয়া বা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক তীব্র ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা নিন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.