সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - হবিগঞ্জ
দুই সপ্তাহ কখনো একরকম যায় না
বয়স ৫২। তাঁর পায়খানার ধরনটা কিছুতেই একরকম থাকে না। এক সপ্তাহ, কখনো দুই সপ্তাহ ধরে পায়খানা শক্ত হয়, খুব কম হয়। বসে থেকে চেষ্টা করেন, তারপর হাল ছেড়ে দেন। এরপর হঠাৎ করেই ধরনটা উল্টে যায়। কয়েকদিন ধরে পায়খানা নরম আর ঘন ঘন হতে থাকে। তখন বাইরে বের হওয়ার আগে তিনি ভাবেন, কাছাকাছি টয়লেট আছে তো। তারপর আবার আগের অবস্থা ফিরে আসে। মাসের পর মাস এমন চলতে চলতে তিনি নিজের শরীরের আগামী সপ্তাহের আচরণ নিয়েই ক্লান্ত।
পরিচিতরা নানা পরামর্শ দেন। আত্মীয়রা একেক খাবারের নাম বলেন। তিনি শুনেছেন অনেকের কথাই, তবু বদলটা চলছেই। প্রতিদিন সকালে উঠে তিনি প্রথমেই ভাবেন, আজকের দিনটা কোন ধরনের হবে। ধরন বারবার বদলালেও সেটার একটা ব্যাখ্যা থাকা দরকার। একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার, শুধু এই সপ্তাহের কথা নয়, পুরো সময়রেখাটা জানতে চাইবেন। হবিগঞ্জের ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন পরিপাক বিশেষজ্ঞ বেছে নিয়ে বিষয়টা খুলে বলুন। প্রথম সাক্ষাতে আপনি যত সৎভাবে বলবেন, ডাক্তারের পরের ধাপ ঠিক করা তত সহজ হবে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
দুই সপ্তাহ কখনো একরকম যায় না
নিজের ধরনটা নিজে থেকে বিচার করা কঠিন। ভালো একটা সপ্তাহ গেলেই মনে হয় সমস্যা বুঝি শেষ। তারপর শক্ত দিনগুলো ফিরে আসে। কিংবা কয়েকদিন নরম থাকার পর হঠাৎ সব থেমে যায়। তিনি এখন খেয়াল করেন, চাপের সপ্তাহে আর বাড়িতে থাকার সপ্তাহে ধরনটা একরকম থাকে না। তবে তিনি নিশ্চিতও নন। স্মৃতি দিয়ে এসব মেলানো কঠিন বলেই হিসাব রাখা দরকার।
বিশেষজ্ঞ প্রথমে যা ছকে তুলবেন
চেম্বারে গেলে বিশেষজ্ঞ প্রথমে পুরো সময়টা ছকের মতো সাজিয়ে দেখতে চাইবেন। কবে থেকে এই বদল, শক্ত পর্যায় কতদিন থাকে, নরম পর্যায়ে দিনে কতবার হয়, এসব প্রশ্ন আসবে। কোনো ওষুধ নিয়মিত খান কি না, তাও জানতে চাইবেন। পুরোনো রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিয়ে যান। আপনার লেখা হিসাবটাই ডাক্তারের সবচেয়ে বড় সাহায্য হবে।
তবে কিছু বদল দেখলে বুক করা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ঠিক নয়। রক্তবমি হলে, অথবা বমি গাঢ় কফির গুঁড়ার মতো দেখালে সেদিনই চিকিৎসা নেওয়া দরকার। পায়খানা কালো ও আলকাতরার মতো হলেও দ্রুত দেখান। খাবার গলায় আটকে যাওয়া বা গিলতে কষ্ট হওয়ার কথাও সঙ্গে সঙ্গে জানান। কোনো চেষ্টা ছাড়া ওজন ঝরতে থাকলে সেটাও সতর্ক হওয়ার মতো লক্ষণ। পেটে তীব্র ব্যথা হলে বাড়িতে সহ্য করে বসে থাকবেন না। আর আগে থেকে ডাক্তারের দেওয়া কোনো ওষুধ চললে আগের নিয়মেই চালিয়ে যান। নিজে থেকে থামিয়ে দিলে বা বদলে ফেললে আসল ছবিটা বোঝা কঠিন হয়। সেই বদলের সিদ্ধান্ত চিকিৎসারত ডাক্তারেরই।
অনুমান না করে হিসাব রাখা
হিসাব রাখা মানে জটিল কিছু নয়। একটা খাতায় তারিখ লিখুন। পায়খানা শক্ত ছিল নাকি নরম, দিনে কতবার হলো, সেটুকুই লিখলেই চলবে। অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়লে পাশে ছোট করে লিখে রাখুন। দুই-তিন সপ্তাহের লেখা ডাক্তারকে এমন ধরন দেখায়, যা মুখে বলতে গেলে হারিয়ে যায়। খাবারের বদল নিজে নিজে পরীক্ষা করার বদলে এই লেখাটাই বেশি কাজের।
হবিগঞ্জে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া
এমন ডাক্তার বেছে নিন যিনি সময়রেখাটা মন দিয়ে শোনেন। এই ধরনের সমস্যায় তাড়াহুড়োর সাক্ষাৎ কাজে আসে না। প্রোফাইলে যোগ্যতা, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময় দেখে বুক করুন। ফলো-আপের জন্য আবার যোগাযোগ করা সহজ হবে কি না, সেটাও ভাবুন। কখনো প্রক্রিয়া বা অপারেশনের প্রসঙ্গ এলে ডাক্তার একজন সার্জনের মতামতের কথা বলতে পারেন। কাছাকাছি কারা প্র্যাকটিস করেন জানতে হবিগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইলও দেখে নিতে পারেন। একবার ঠিকমতো বলা কথাই পরের সব ধাপ সহজ করে দেয়।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
পায়খানা কখনো শক্ত, কখনো নরম হয়। এটা কি একটাই সমস্যা?
সেটা পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না। ডাক্তার পুরো ধরনটা একসঙ্গে দেখেই বিচার করবেন।
ডাক্তার দেখানোর আগে কতদিন হিসাব রাখব?
কয়েক সপ্তাহের লেখা থাকলে বলতে সুবিধা হয়। তবে হিসাবের জন্য মাসের পর মাস দেখানো পিছিয়ে দেবেন না।
খাতায় ঠিক কী কী লিখব?
তারিখ, পায়খানা শক্ত না নরম, আর দিনে কতবার হলো। এর বেশি জটিল কিছু লাগে না।
ভালো সপ্তাহ গেলে মন চায় না যেতে। তবু যাব?
যান। এক সপ্তাহের ভালো অবস্থা নয়, মাসের পর মাসের ধরনটাই ডাক্তারের কাছে মূল বিষয়।
খাবার বদলে বদলে দেখলেই কি ঠিক হবে?
খাবারের তথ্য আলোচনায় সাহায্য করে। কিন্তু অনুমানে বদল করে গেলে কারণটা অধরাই থেকে যায়।
কোন লক্ষণে সেদিনই চিকিৎসা নিতে হবে?
রক্তবমি, কালো পায়খানা, গিলতে কষ্ট বা তীব্র পেটব্যথা হলে সেদিনই যান। চেষ্টা ছাড়া ওজন কমলেও দ্রুত দেখান।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.