সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - বগুড়া

অল্প খেলেই পেট ভরে যায়

বয়স ৩৯। দুপুরের খাবার এখন তার কাছে ছোট একটা ব্যাপার। দুই-চার লোকমা ভাত, একটু তরকারি, তারপরই মনে হয় পেট একদম ভরে গেছে। এরপর শুরু হয় ঢেকুর। বিকেল জুড়ে বারবার ঢেকুর ওঠে, অফিসে, রাস্তায়, এমনকি হালকা রাতের খাবারের পরও। এমন চলছে মাসের পর মাস, দুই-এক দিন নয়। সকালে নাশতা কম খেলেও একই অনুভূতি হয় তার। আজকাল খাবারের প্রতি আগের আগ্রহটাও তার কমে গেছে।

নিজের মধ্যে এমনটা দেখলে আপনি একা নন। অনেকে কম খেয়ে, চুপ করে মাসের পর মাস কাটিয়ে দেন। কিন্তু প্রায়ই অল্পতে পেট ভরে যাওয়া নিয়ে অনুমান না করে ঠিকমতো দেখানো ভালো। একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার বা পরিপাক বিশেষজ্ঞ, পুরো কথা শুনে, পরীক্ষা করে বুঝিয়ে দেন পরের ধাপ কী হবে। বগুড়ায় চিকিৎসা খুঁজলে বগুড়ার ডাক্তারদের তালিকা দেখে প্রোফাইল মিলিয়ে নিতে পারেন। যাওয়ার আগে কবে থেকে এমন হচ্ছে আর এখন সারা দিনে কী খাওয়া হয়, সেটা মনে করে রাখুন। ভয় না পেয়ে পরিষ্কারভাবে বলুন সমস্যাটা। ছোট বদলগুলো আগে বললে ডাক্তারের বুঝতে সুবিধা হয়।

4 available specialists found

Dr. Md. Naymul Hasan

Qualifications MBBS, MD (Gastroenterology), CCD (BIRDEM), MACG (USA), Training (Endoscopy)
অবস্থান শেরপুর, বগুড়া

Prof. Dr. Saiyeedur Rahman

Qualifications MBBS, FCPS (Medicine), MD (Hepatology), FRCP (EDIN), FACP (USA), FWHO (Thailand)
অবস্থান বগুড়া সদর, বগুড়া

Dr. Md. Saiful Malek

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Medicine), MD (Gastroenterology), MACP (USA)
অবস্থান বগুড়া সদর, বগুড়া

মাসের পর মাস অল্পতেই ভরা পেট

বাড়িতে এখন তিনি আগের অর্ধেক খাবার নিজের প্লেটে তোলেন। পরিবারের লোকজন আগেই খেয়াল করেছে, তিনি মুখে স্বীকার করেননি। বিয়ের দাওয়াত, অফিসের দুপুরের খাবার, বাড়ির সাধারণ প্লেট, সবখানেই একই অবস্থা। তাড়াতাড়ি পেট ভরে যায়, ভারী লাগে, তারপর ঢেকুর থামার অপেক্ষা। তীব্র ব্যথা নেই বলেই হয়তো ডাক্তার দেখানো পিছিয়েছেন বারবার। মাঝে মাঝে এমন হলে সেটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু প্রায় প্রতিদিন, মাসের পর মাস হলে বিষয়টা বিশেষজ্ঞকে দেখানো উচিত।

বিশেষজ্ঞ যা যা জানতে চাইবেন

সহজ কিন্তু বিস্তারিত কিছু প্রশ্নের জন্য তৈরি থাকুন। কবে থেকে পেট এভাবে ভরে যাচ্ছে? প্রতিবার খেলেই হয়, নাকি নির্দিষ্ট কিছু খাবারে বেশি হয়? আগের বছরের তুলনায় এখন কতটা খেতে পারছেন? চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমেছে কি না? সত্যি তথ্যই ডাক্তারকে সবচেয়ে সাহায্য করে। চাইলে উত্তরগুলো আগে থেকে লিখে নিয়ে যান। যেসব ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খান, মাঝে মাঝে খেলেও সেগুলোর কথা জানান।

কিছু লক্ষণ দেখলে নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা করা ঠিক নয়। রক্তবমি হলে, বা কফির গুঁড়ার মতো দেখতে কিছু বমি হলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। পায়খানা কালো ও আঠালো হলে একই কথা। খাবার বুকে আটকে যাওয়া বা গিলতে কষ্ট হলেও দ্রুত দেখান। পেটে তীব্র ব্যথা, কিংবা কোনো চেষ্টা ছাড়া ওজন কমতে থাকলেও দেরি করবেন না। যেসব ওষুধ ডাক্তার আগে থেকে দিয়েছেন, সেগুলো ঠিক আগের নিয়মেই খেয়ে যান। পরিবর্তন একমাত্র চিকিৎসারত ডাক্তারই করতে পারেন।

অল্প অল্প খাওয়া, তবু একই ভরাভাব

দিনের পর দিন তিনি অজান্তেই অল্প অল্প করে বারবার খেতে শুরু করেছেন। বড় প্লেট দেখলেই খাওয়ার আগে মন সরে যায়। খাবারের সঙ্গে বেশি পানীয় নিলে তার ভরাভাব আরও বাড়ে বলে মনে হয়। এগুলো তার নিজের অভ্যাস, কোনো চিকিৎসা নয়। একজনের জন্য যা চলে, আরেকজনের জন্য তা নাও চলতে পারে। রিপোর্ট আর পরীক্ষা বুঝে বিশেষজ্ঞ খাওয়ার ধরন নিয়ে পরামর্শ দিতে পারেন। কোন বেলার খাবারে কষ্ট বেশি হয়, খেয়াল করে ডাক্তারকে স্পষ্ট বলুন।

বগুড়ায় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন কাউকে বেছে নিন, যার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারবেন। পরে আবার যোগাযোগ করা যাবে, এমনটাও ভাবনায় রাখুন। বুক করার আগে প্রোফাইল, যোগ্যতা, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময় দেখে নিন। সাক্ষাতে জিজ্ঞেস করুন, এরপর কী করা হবে আর আবার কবে আসতে হবে। কখনো অপারেশনের কথা উঠলে ডাক্তার একজন জেনারেল সার্জনের কথাও বলতে পারেন। কাছাকাছি কারা আছেন জানতে বগুড়ার জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখতে পারেন। মাসের পর মাস ভাবার চেয়ে একবার দেখানো ভালো।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

দুই-চার লোকমা খেলেই পেট ভরে যায়। এটা নিয়ে ডাক্তার দেখানো দরকার?

সপ্তাহের পর সপ্তাহ এমন চললে দেখানো দরকার। বারবার একই ধরন হলে পরীক্ষা করে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে কী কী মনে রাখব?

কবে থেকে শুরু, কতটা খেতে পারেন, আর ওজনে বদল এসেছে কি না, এগুলো মনে রাখুন। আগের রিপোর্ট আর ওষুধের তালিকা সঙ্গে নিন।

প্রথম দিনই কি কোনো পরীক্ষা লাগবে?

সব সময় নয়। ডাক্তার আগে কথা শোনেন, পরীক্ষা করেন। কোন পরীক্ষা লাগবে কি না, সেটা আপনার অবস্থা বুঝে ঠিক হয়।

খাওয়ার পর বারবার ঢেকুর ওঠে। এত ছোট বিষয় কি বলা উচিত?

অবশ্যই বলুন। ছোট ছোট তথ্য মিলিয়েই ডাক্তার পুরো ধরনটা বোঝেন। দৈনন্দিন অস্বস্তির কোনো কথাই বলতে সংকোচ করবেন না।

শুধু অল্প অল্প খেলেই হবে, ডাক্তার না দেখালে চলবে?

অল্প খেলে সাময়িক আরাম মিলতে পারে, কিন্তু কারণটা জানা হয় না। মাসের পর মাস বদল না এলে শুধু মানিয়ে না নিয়ে দেখিয়ে নিন।

কোন লক্ষণে অপেক্ষা না করে সেদিনই যেতে হবে?

রক্তবমি, কালো আঠালো পায়খানা বা খাবার আটকে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। পেটে তীব্র ব্যথা, চেষ্টা ছাড়া ওজন কমলেও একই কথা।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.