সেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ - ঢাকা

ঢাকায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ

মাঝরাত হয়ে গেলে তার বইয়ের অক্ষরগুলো দ্বিগুণ হতে শুরু করে। প্রতিটি শব্দের পেছনে হালকা একটা ছায়া পড়ে। চোখ কুঁচকে তাকালে লাইনগুলো আবার কোনোমতে এক হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠলে সব আবার পরিষ্কার। তাঁর বয়স চব্বিশ, তিনি একজন ছাত্রী। কয়েক সপ্তাহ ধরে এমনটা হচ্ছে।

তাঁর ডাক্তার অনুমানের বদলে ঠিকমতো দৃষ্টি পরীক্ষা করাতে বলেছেন। নিচের প্রোফাইলগুলোতে ঢাকার চোখের ডাক্তারদের চেম্বারের ঠিকানা ও রোগী দেখার সময় দেওয়া আছে। DoctorBD24-এ ঢাকার ডাক্তারদের বড় তালিকাও ঘুরে দেখতে পারেন। তবে এই সমস্যার জন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ দিয়েই শুরু করা ভালো, যিনি মেপে বলতে পারবেন আসলে কী হচ্ছে।

তাঁর পরীক্ষা সামনে। এই অবস্থায় অনুমান করে সময় নষ্ট করা যায় না। কোনটা শুধুই ক্লান্তি আর কোনটা পরীক্ষা চায়, সেটা মেপে না দেখলে বলা মুশকিল। তাই ডাক্তারের পরামর্শটাই ঠিক পথ। তিনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আপনার পড়ার রাতগুলোও যদি এভাবে শেষ হয়, অক্ষর যদি স্থির না থাকে, শুধু ক্লান্তি বলে উড়িয়ে দেবেন না। পরীক্ষাটা করিয়ে নিন। নোটগুলো সঙ্গে নিয়ে যান।

1 available specialists found

অধ্যাপক ডাঃ জি.এম ফারুক

Qualifications এমবিবিএস, ডি-অপথা, এমএস (অপথা)।
অবস্থান যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

মাঝরাতে অক্ষর দ্বিগুণ দেখায়

ধরনটা বেশ নির্দিষ্ট। সকালের ক্লাসে সব ঠিকঠাক। প্রথম দিকের লেকচারের নোট একদম একক আর পরিষ্কার। গভীর সন্ধ্যায় গিয়ে দ্বিগুণ হওয়া শুরু হয়। একবার কৌতূহলে তিনি এক হাতে একটা চোখ ঢেকে দেখেছিলেন। এক চোখ ঢাকা থাকলে ছায়াটা কমে যাচ্ছে বলে তাঁর মনে হয়েছে। এটা তাঁর নিজের ছোট একটা পর্যবেক্ষণ, তার বেশি কিছু নয়।

বিশ্রাম নিলে কিছুক্ষণ ঠিক থাকে। বিরতি আর এক কাপ চা পেজটা আবার পরিষ্কার করে দেয়। তারপর ঘণ্টা জমতে জমতে অক্ষর আবার ভাগ হয়ে যায়। এমন ধারাবাহিক ধরন মেপে দেখা দরকার। ঘরে বসে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লাভ নেই।

তরুণ পাঠকের চোখে যা যা মাপা হয়

দৃষ্টি পরীক্ষা মানে শুধু চার্টের অক্ষর পড়া নয়। প্রতিটি চোখ আলাদাভাবে কতটা পরিষ্কার দেখে, বিশেষজ্ঞ তা মাপেন। দুই চোখ একসঙ্গে কীভাবে কাজ করে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়তে গেলে দুই চোখকে জুটি বেঁধে ধরে থাকতে হয়।

ভিজিটের আগে নিজে থেকে চোখে ড্রপ দেবেন না। ড্রপও ওষুধ। ভুল ড্রপে সেই জিনিসগুলোই ঝাপসা হয়ে যেতে পারে, যেগুলো বিশেষজ্ঞ মাপতে চান। একটা সতর্কবার্তা আলাদা করে মনে রাখুন। হঠাৎ দ্বিগুণ দেখা শুরু হয়ে যদি না সারে, সেটা পড়াশোনার সমস্যা নয়। সেদিনই চিকিৎসা দরকার।

পড়ার সময়টা লিখে রাখুন

তাঁর লগটা সহজ। খাতার পেছনের পাতায় লেখা। দ্বিগুণ দেখা শুরু হওয়ার আগে কত ঘণ্টা পড়লেন, তা তিনি লেখেন। বই পড়ছিলেন নাকি স্ক্রিনে তাকিয়ে ছিলেন, তাও লেখেন। বিশ্রামে ঠিক হলো কিনা, কতক্ষণ লাগল, সেটাও টুকে রাখেন।

দুই সপ্তাহের এই লাইনগুলো এক মাসের ধারণার চেয়ে বেশি বলে দেয়। অ্যাপয়েন্টমেন্টে খাতাটা সঙ্গে নিন। কাগজে ধরা পড়া ধরন বিশেষজ্ঞকে অনুমান করতে হয় না।

ঢাকায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ বেছে নেওয়া

নিচের প্রোফাইলগুলো চেম্বারের জায়গা আর রোগী দেখার সময় দেখে তুলনা করুন। ছাত্রজীবনের সময়সূচি টানটান। এমন সময় বাছুন, যেটা সত্যিই রাখতে পারবেন। প্রতিটি প্রোফাইলে যোগ্যতা আর কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করেন, তা দেওয়া আছে।

DoctorBD24-এ শহরের অন্য বিশেষজ্ঞদের তালিকাও আছে। অন্য প্রয়োজনে ঢাকার জেনারেল সার্জনদের তালিকা একই সাইটেই পাবেন। তবে দ্বিগুণ অক্ষরের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টটা চোখের ডাক্তারের কাছেই নিন।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

এটা কি শুধু পড়ার ক্লান্তি?

সাধারণ কিছু হতেও পারে। তবে শুধু লক্ষণ শুনে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না। পরীক্ষাতেই বোঝা যাবে, ক্লান্ত চোখ নাকি চিকিৎসা দরকার এমন কিছু। করিয়ে নিন।

পড়ার লগটা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নিয়ে যাবেন?

হ্যাঁ, নিন। কখন দ্বিগুণ দেখা শুরু হয়, কী পড়ছিলেন, বিশ্রামে সারল কিনা, এই ধরনটাই বিশেষজ্ঞের কাজে লাগে।

তাঁকে কি পড়া বন্ধ করতে বলা হবে?

আগে থেকে কেউ কথা দিতে পারে না। চোখ মাপার পরই বিশেষজ্ঞ ঠিক করবেন, কী বদলাতে হবে। পরীক্ষার আগের পরামর্শ হবে শুধুই অনুমান।

দ্বিগুণ দেখা হঠাৎ শুরু হয়ে থেকে গেলে?

রুটিন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা করবেন না। হঠাৎ আসা দ্বিগুণ দেখা না সারলে সেদিনই চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

চশমা পাবেনই, এটা কি নিশ্চিত?

না। দৃষ্টি পরীক্ষার একটা সম্ভাব্য ফল চশমা হতে পারে। নিশ্চিত কিছু নয়। আগে মাপা হবে, তারপরই সিদ্ধান্ত।

ভিজিটে কী কী নিয়ে যাবেন?

পড়ার লগটা নিন। আগের চশমা বা পুরনো প্রেসক্রিপশন থাকলে তাও নিন। আগের মাপ থাকলে তুলনার একটা ভিত্তি পাওয়া যায়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.