সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - সিলেট
সিলেটে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট
প্রথমবার ঘটনাটা ঘটেছিল বসে থাকা অবস্থায়। বারান্দায় বসে তিনি মটরশুঁটি ছাড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ বুক ধড়ফড় শুরু হলো, হাতের তালু ঘামে ভিজে গেল, আঙুলগুলো কাঁপতে লাগল থামাথামি ছাড়া। পুরো ঘটনাটা তাঁর কাছে ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।
মিনিট কয়েকের মধ্যেই সব থেমে গেল। শরীরটা নেতিয়ে এল ঠিকই, কিন্তু ভাবনাটা গেল না। কাজের চাপে ঘটলে তিনি হয়তো অন্য ব্যাখ্যা খুঁজতেন। কিন্তু ঘটনাগুলো এল বিশ্রামের মাঝখানে, কোনো ছুতো ছাড়াই। সেই সপ্তাহেই আরও দুবার একই ঘটনা ঘটল, প্রতিবারই বিশ্রামের সময়।
তাঁর ডাক্তার বিষয়টা হেলাফেলা করেননি। অন্য পরীক্ষার আগে তিনি থাইরয়েডটাই দেখলেন, আর বললেন, গ্রন্থিটা হয়তো বেশি গতিতে চলছে। কথাটা তিনি পরিষ্কার করে দিলেন: এটা সন্দেহ, রোগ নির্ণয় নয়। তারপর তিনি তাঁকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে পাঠালেন।
এখন বিছানার পাশে একটা খাতা থাকে। প্রতিটা পর্বের পর তিনি তারিখ, সময় আর তখন কী করছিলেন, লিখে রাখেন। ছোট্ট এই অভ্যাসটাই বিশেষজ্ঞের হাতে একটা শক্ত সূত্র তুলে দেবে।
এ ধরনের হঠাৎ উপসর্গ আপনার চেনা মনে হলে সিলেটে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।
8 available specialists found
Dr. Md. Shah Emran
Dr. Md. Abdul Hannan (Tareque)
Dr. Lala Shourav Das
Dr. Lalit Mohan Nath
Dr. Mohiuddin Ahmed
Dr. A.T.M. Jafor Ahmed
Dr. Hussain Ahmed
Dr. Mohammed Anisur Rahman
হঠাৎ করে আসে, হঠাৎ করেই চলে যায়
পর্বটা শুরু হয় দ্রুত। ঘাম ছাড়ে, বুক ধড়ফড় করে, আঙুল কাঁপে, আর অকারণে এক ধরনের আতঙ্ক এসে ভিড় জমায়। তারপর, প্রায় অভদ্রভাবে, সব মিলিয়ে যায়।
বিশ্রামের সময় ঘটে বলে কাজ বা গরমকে দোষ দেওয়া যায় না। তাড়াতাড়ি শেষ হয় বলে ভুলে যেতেও মন চায়। ডাক্তার উল্টো পরামর্শ দিয়েছেন: প্রতিটা পর্ব গুরুত্ব দিয়ে লিখে রাখতে।
প্রথমে থাইরয়েড পরীক্ষা কেন
থাইরয়েড শরীরের অনেক কিছুর গতি ঠিক করে দেয়, হৃদস্পন্দন তার মধ্যে একটি। গ্রন্থি দ্রুত চললে বুকে ঠিক এমন অনুভূতিই হতে পারে। সেজন্য ডাক্তার প্রথমে এই পরীক্ষাটাই করলেন, আর ফলাফল পড়বেন হরমোন বিশেষজ্ঞ।
সন্দেহ মানেই উত্তর নয়, তিনি যেন সেটাকে উত্তর ধরে না নেন। এই উপসর্গের জন্য তিনি নিজে থেকে কোনো ওষুধ শুরু করবেন না, পাড়া-প্রতিবেশীর উপায়ও নেবেন না। তাঁর নিজের কোনো প্রেসক্রিপশনের ওষুধ থাকলে তা চলবে ঠিকঠাক, ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ না বদলানো পর্যন্ত।
ডায়েরির চেয়ে বড় নিয়ম একটাই। পর্বের সঙ্গে বুকে ব্যথা এলে সেটা খাতায় লেখার বিষয় নয়, সেদিনই চিকিৎসা নিতে হবে। বুক ধড়ফড় না থামলেও একই কথা। খুব দুর্বল লাগা, জ্ঞান হারানো বা না থামা বমি মানেও অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা নয়, দ্রুত চিকিৎসা।
প্রতিটি পর্বের ডায়েরি রাখা
খাতায় প্রতিটা পর্বের চারটা তথ্য থাকে: কখন শুরু হলো, কতক্ষণ চলল, শরীরে কী কী হলো, আর ঠিক আগে তিনি কী করছিলেন। সুন্দর ভাষার চেয়ে তারিখ আর ঘড়ির সময়টাই জরুরি।
যেদিন কিছু হয় না, সেদিনের কথাও তিনি লেখেন। উপসর্গহীন এক সপ্তাহও এক ধরনের তথ্য। ভালো আর খারাপ দিন মিলিয়েই বিশেষজ্ঞ বুঝতে পারেন, রিপোর্টের মানে আসলে কী।
সিলেটে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া
এমন বিশেষজ্ঞ বেছে নিন, যিনি শুধু পরীক্ষার কাগজ নয়, ডায়েরিটাও দেখতে চাইবেন। জেনে নিন, থাইরয়েডের ফলে কী বোঝা যাবে আর কী যাবে না। প্রথম পরীক্ষায় প্রশ্ন খোলা থাকলে পরের ধাপ কী হবে, তাও জিজ্ঞেস করুন।
এন্ডোক্রিনোলজিস্টের জায়গা গ্রন্থি আর হরমোন। অন্য কোনো সমস্যায় অপারেশন লাগলে সেই অংশ যাবে সিলেটে জেনারেল সার্জন-এর কাছে। তাঁর মতো উপসর্গে প্রথম কাজ হরমোনের রিভিউটাই।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
থাইরয়েড দ্রুত চললেই কি আমার এই উপসর্গের ব্যাখ্যা মিলবে?
জরুরি নয়। ডাক্তার একটা সন্দেহের কথা বলেছেন, সিদ্ধান্ত নয়। অন্য কারণেও এমন পর্ব হতে পারে। বিশেষজ্ঞের কাজ হলো রিপোর্ট আর ডায়েরি মিলিয়ে সন্দেহটা যাচাই করা।
পর্বগুলো নিজে নিজেই থামে। উপেক্ষা করলেই তো হয়?
উপেক্ষা করলে ধারাটাই হারিয়ে যায়। বারবার হওয়া উপসর্গের ঠিকমতো পাঠ দরকার, বিশেষ করে বুক জড়িত থাকলে। লিখে রাখতে খরচ কম, অথচ বিশেষজ্ঞ তাতে অনেক কিছু জানতে পারেন।
পর্ব চলার সময় কী করব?
বসে পড়ুন, নিরাপদে থাকুন যতক্ষণ না কমে। সঙ্গে বুকে ব্যথা এলে, কিংবা বুক ধড়ফড় থামতে না চাইলে, অপেক্ষা না করে সেদিনই চিকিৎসা নিন।
এর মধ্যে ফার্মেসি থেকে একটা শান্ত করার ট্যাবলেট নিই?
এই উপসর্গের জন্য নিজে থেকে কিছু শুরু করা ঠিক নয়। না বুঝে খাওয়া ওষুধ ঠিক সেই চিহ্নগুলোই ঢেকে দিতে পারে, যেগুলো বিশেষজ্ঞের দেখা দরকার। রিভিউ পর্যন্ত অপেক্ষা করে নিজের অনুভূতিটা স্পষ্ট করে বলুন।
ডায়েরি কতটা বিস্তারিত হতে হবে?
সাদামাটা হলেই চলবে। তারিখ, সময়, কী অনুভব হলো, আর তখন কী করছিলেন। দিন কয়েক পর স্মৃতি থেকে লেখা লম্বা বর্ণনার চেয়ে পর্বপ্রতি কয়েকটা সৎ লাইন ভালো।
থাইরয়েডের রিপোর্ট স্বাভাবিক এলে কী হবে?
তাহলে সন্দেহটা বাদ পড়বে, খোঁজ অন্যদিকে যাবে। স্বাভাবিক রিপোর্টও কাজের, কারণ তাতে একটা দরজা ঠিকমতো বন্ধ হয়। পরের ধাপ ডাক্তার আর বিশেষজ্ঞ মিলেই ঠিক করবেন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.