সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - সাভার

সাভারে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট

বয়স পঞ্চান্ন। দুটি অসুখ নিয়ে তাঁর সংসার চলছে বহু বছর ধরে। একদিকে ডায়াবেটিস, অন্যদিকে থাইরয়েডের সমস্যা। দুটির ডাক্তার আলাদা, প্রেসক্রিপশনও আলাদা ফাইলে রাখা।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই তাঁর প্রথম কাজ ওষুধের বাক্স খোলা। রঙ আর আকার দেখে ভাগ করার চেষ্টা করেন তিনি। তবু মাঝেমধ্যে মনে দ্বিধা থেকেই যায়, ঠিকটা নিলেন তো?

ঝামেলা বাঁধে ট্যাবলেট খাওয়ার সময়। কোনটা সুগারের আর কোনটা থাইরয়েডের, মাঝে মাঝে তিনি নিজেই গুলিয়ে ফেলেন। অনুমানে খেয়ে ফেলার ভয়টা তাঁকে প্রায়ই তাড়া করে।

শেষ ভিজিটে পারিবারিক ডাক্তার পুরো কথাটা শুনলেন। তিনি তাঁকে একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠালেন, যাতে দুই সেট রিপোর্ট একসঙ্গে পড়া যায়। একা একা দেখলে যে ছবিটা ঝাপসা থাকে, পাশাপাশি রাখলেই তা পরিষ্কার হতে পারে।

বাড়িতে মেয়ে তাঁর ওষুধের বাক্সটা গুছিয়ে দেয়। কিন্তু কোন ট্যাবলেট কতটা চলবে, সেই সিদ্ধান্ত বাড়ির কারো নয়। গোছানো এক কাজ, ডোজ ঠিক করা সম্পূর্ণ অন্য কাজ।

আপনার ক্ষেত্রেও যদি দুই অসুখের কাগজ আলাদা আলাদা ফাইলে থাকে, সাভারে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট খুঁজে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।

5 available specialists found

Dr. Afsar Ahmed

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Endocrinology), MACE ( USA)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Umme Sadia Mili

Qualifications MBBS, DEM (DU), MACE (USA)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Md. Al-Sadi

Qualifications Diabetes & Hormone Specialist
অবস্থান Gangachara, রংপুর

Dr. Md. Jahangir Alam

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Endocrinology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Ahmad Monjurul Aziz

Qualifications MBBS, FCPS (Medicine), MACP (USA)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

দুটি রোগ, দুটি ফাইল

ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল আগে, থাইরয়েডের সমস্যা এসেছে পরে। দুটি রোগের জন্য দুজন ডাক্তার, দুই ধরনের পরীক্ষা, দুটি আলাদা ফাইল। এতদিন এভাবেই চলছিল।

সমস্যা হলো, কোনো রিপোর্টই অন্যটার কথা বলে না। সুগারের ফাইলে থাইরয়েডের খবর নেই, থাইরয়েডের ফাইলে সুগারের হিসাব নেই। মাঝখানে দাঁড়িয়ে তিনি একা।

দুই সেট রিপোর্ট একসঙ্গে পড়া

বিশেষজ্ঞ প্রথমে দুই সেট রিপোর্ট তারিখ মিলিয়ে পাশাপাশি সাজাবেন। এক রোগের ওষুধ বা অবস্থা অন্য রোগে প্রভাব ফেলতে পারে, সেটা ধরা পড়ে এভাবেই।

সেই ভিজিট পর্যন্ত তাঁর নিয়মে কোনো বদল আসবে না। প্রেসক্রিপশনে যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবেই প্রতিটা ট্যাবলেট চলবে। ডোজে হেরফের দরকার হলে সিদ্ধান্ত নেবেন ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ, রিপোর্ট পড়ার পর। বাড়ির অনুমানে কিছু বদলানো যাবে না, আর খাবার বা ঘরোয়া উপায় প্রেসক্রিপশনের ওষুধের বিকল্প নয়।

কিছু লক্ষণ অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা করে না। বুক ধড়ফড় করা বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা দরকার। খুব দুর্বল লাগা বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলেও তাই, আর বমি না থামলেও দেরি করা যাবে না।

ভিজিটের আগে একটাই ফোল্ডার

ভিজিটের আগে তিনি নিজে একটা কাজ করে রাখতে পারেন। দুই ফাইলের কাগজ এক ফোল্ডারে এনে সাজানো, নতুন রিপোর্টগুলো সবার ওপরে।

সঙ্গে একটা সাদা কাগজে তালিকা: কোন ট্যাবলেট কখন খান, কোনটা কোন ডাক্তার দিয়েছেন। কখনো গুলিয়ে ফেলে থাকলে সেটাও লিখে রাখা ভালো। লুকোচুরি না করলে ডাক্তারের কাজ সহজ হয়।

সাভারে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন, যিনি শুধু শেষ রিপোর্টটা নয়, দুই ফাইলের পুরো ইতিহাসটা দেখতে চাইবেন। জিজ্ঞেস করুন, এক ভিজিটে দুই রোগই দেখা হবে কি না, আর মতামত পারিবারিক ডাক্তারের কাছে পৌঁছাবে কীভাবে।

দায়িত্বের ভাগটা পরিষ্কার রাখুন। গ্রন্থি আর হরমোনের বিষয় দেখেন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট। অপারেশন লাগে এমন সমস্যা হলে চিকিৎসা যাবে সাভারে জেনারেল সার্জন-এর কাছে।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

দুজন ডাক্তার থাকতেও আরেকজন কেন লাগবে?

তাঁর দুই ডাক্তারের প্রত্যেকে একটি করে রোগ দেখেন। হরমোন বিশেষজ্ঞ সুগার আর গ্রন্থির বিষয়টা একসঙ্গে পড়তে জানেন, ঠিক যেখানে তাঁর গুলিয়ে যাওয়ার জায়গা। পারিবারিক ডাক্তার পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন।

বাড়ির লোকজন ওষুধের বাক্স গুছিয়ে দিতে পারবে তো?

পারবে, গুছিয়ে দেওয়াটা সত্যিকারের সাহায্য। প্যাকেট ভাগ করা বা দিন চিহ্নিত করা ঠিক আছে। কিন্তু কোন ট্যাবলেট চলবে বা কতটা চলবে, তা ঠিক করা গোছানোর মধ্যে পড়ে না।

দুই রিপোর্ট দুই রকম কথা বললে কী হবে?

এমন হতেই পারে, আর এই রেফারেলের একটা কারণ সেটাই। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ দুই ধারাই একসঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন। একটা মাত্র রিপোর্ট দিয়ে কিছু বদলানো হবে না।

একটা ট্যাবলেট বন্ধ করে দেখি, শরীর কেমন লাগে?

না, এমন পরীক্ষা নিজে করবেন না। একটা বন্ধ করলে দুই রোগেই এর প্রভাব পড়তে পারে। তিনি সব ওষুধ ঠিকমতো খেয়ে যাবেন, আর নিজের অনুভূতিটা বিশেষজ্ঞকে জানাবেন।

এক ফোল্ডারে ঠিক কী কী রাখব?

দুই প্রেসক্রিপশনই রাখুন, সঙ্গে সুগার আর থাইরয়েডের সাম্প্রতিক রিপোর্ট। পুরোনো ফলাফল হাতে থাকলে সেগুলোও। তারিখ জরুরি, কারণ বিশেষজ্ঞ পুরো ঘটনাটা ক্রম অনুযায়ী পড়েন।

এই জট ছাড়াতে কয়টা ভিজিট লাগতে পারে?

প্রথম ভিজিটে তিনি আনা রিপোর্টগুলো দেখা হবে, পরের ধাপগুলোও সেখানেই পরিষ্কার হবে। এরপরের বিষয় নির্ভর করবে মিলিত ছবিটা কী বলে তার ওপর। কবে আবার আসতে হবে, তা তিনি জানতে পারবেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.