সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - রংপুর

রংপুরে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট

তাঁর বয়স একত্রিশ। সকালের থাইরয়েডের ট্যাবলেটটা এখন তাঁর দিনের চেনা অংশ। চিকিৎসকই তাঁর কম সক্রিয় থাইরয়েড ধরেছিলেন, চিকিৎসা ঠিক করেছিলেন। তারপর থেকে রিপোর্ট স্থিরই আছে।

ওষুধ নিয়ে তাঁর কোনো ঝামেলা নেই। ঝামেলা শুধু এই যে, নতুন পরিকল্পনার সঙ্গে পুরনো চিকিৎসাটা কীভাবে মিলবে, তা তিনি জানেন না।

এখন বাড়িতে নতুন পরিকল্পনা হচ্ছে। তিনি আর তাঁর স্বামী সামনের বছর বাচ্চা নিতে চান। শেষ ভিজিটে কথাটা তিনি প্রায় আচমকাই তুলেছিলেন।

চিকিৎসক কথাটা হালকাভাবে নেননি। চেষ্টা শুরু করার আগেই তিনি চান, সম্ভাব্য গর্ভধারণের কথা ভেবে তাঁর থাইরয়েডের রিপোর্ট আর ডোজটা আবার দেখা হোক। সেজন্যই তাঁকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এখন কোনো সমস্যা নেই। বরং সেটাই আসল কথা। হাতে সময় থাকতে আগেভাগে করা রিভিউ, তাড়াহুড়োর রিভিউয়ের চেয়ে অনেক বেশি কাজের। তাঁর স্বামীও এই আগাম রিভিউয়ের পক্ষে। দুজনেরই মতে, যা জানার তা আগেই জানা ভালো।

আপনারও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে আর বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে রংপুরে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট দেখে নিজের রিভিউটা করিয়ে নিতে পারেন।

5 available specialists found

Dr. Md. Shamim Hossain

Qualifications MBBS, MD (Endocrinology), and MCPS (Medicine) degrees.
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Kamrul Hasan Badol

Qualifications MBBS, MD (Endocrinology)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Al-Sadi

Qualifications Diabetes & Hormone Specialist
অবস্থান Gangachara, রংপুর

Dr. Md. Ghulam Yusuf

Qualifications MBBS, MD (Medicine), CCD (BIRDEM),
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Rezaul Karim

Qualifications MBBS, FCPS (Surgery), MS (Urology)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়েই আগাম পরিকল্পনা

থাইরয়েডের চিকিৎসা একবার স্থির হয়ে গেলে বিষয়টা প্রায় ভুলেই থাকা যায়। ট্যাবলেট চলছে, রিপোর্ট ঠিকঠাক। মাসের পর মাস গলার গ্রন্থি নিয়ে আলাদা করে ভাবনাই আসে না।

বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা সেই ফাইলটা আবার খুলিয়ে দেয়। গর্ভের প্রথম সপ্তাহগুলোতে মায়ের থাইরয়েড হরমোনের ভূমিকা থাকে। তাই চিকিৎসক চান, কোনো ঘাটতি থাকলে তা পরে নয়, আগেই ধরা পড়ুক। সেজন্যই রেফারালটা চেষ্টা শুরুর আগে এসেছে।

তাঁর অংশের নিয়মটা কঠোর আর সরল। ট্যাবলেট তিনি খান ঠিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী, প্রতিদিন সকালে। শরীর ভালো লাগছে বলে তিনি তা কখনো বন্ধ করেন না। নিজে থেকে কোনো সাপ্লিমেন্ট বা টোটকাও তিনি শুরু করেননি। নতুন কিছু শুরু করার বা ডোজ বদলানোর সিদ্ধান্ত শুধু তাঁর চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের।

কিছু লক্ষণ এই পরিকল্পনার বাইরেও জরুরি চিকিৎসা চায়। বুক ধড়ফড় করলে বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই ডাক্তার দেখাতে হয়। শরীর খুব দুর্বল হয়ে পড়লে বা জ্ঞান হারালেও সেদিনই যেতে হয়। বমি থামতে না চাইলেও অপেক্ষা করা যাবে না।

বাচ্চা নেওয়ার আগের রিভিউতে যা দেখা হয়

বিশেষজ্ঞ প্রথমে তাঁর সাম্প্রতিক থাইরয়েড রিপোর্টগুলো একসঙ্গে পড়েন। একটা রিপোর্ট মাঝে মাঝে এদিক-ওদিক হতে পারে। পরপর কয়েকটার ধারাই আসল ছবিটা দেয়।

এরপর আসে ট্যাবলেটের নিয়মের কথা। কখন খান, সঙ্গে আর কী ওষুধ চলে, গত এক বছরে কিছু বদলেছে কি না। তারপর বিশেষজ্ঞ সামনের মাসগুলোর পরিকল্পনা সাজিয়ে দেন। গর্ভধারণ হলে রিপোর্ট কতদিন পরপর দেখা হবে, সেটাও সেই পরিকল্পনায় থাকে।

চেষ্টা শুরুর আগে আবার রক্ত পরীক্ষা করতে বলা হতে পারে। তা পিছিয়ে যাওয়া নয়। পরের রিপোর্টগুলো মিলিয়ে দেখার ভিত্তি তৈরি হয় তাতে।

রংপুরে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন বিশেষজ্ঞ বেছে নিন, যিনি পরিকল্পনাটা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেন আর রিভিউয়ের ছন্দটা লিখে দেন। জেনে নিন, কোনো রিপোর্ট ঠিকঠাক না এলে প্রথমে কার কাছে যাবেন। এখন থেকে তাঁর চিকিৎসায় দুজন চিকিৎসক যুক্ত থাকবেন।

কে কোন কাজে আছেন, তা জানা থাকলে সুবিধা। হরমোনের পরিকল্পনা থাকবে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট আর তাঁর নিজের চিকিৎসকের কাছে। আলাদা কোনো সমস্যায় অপারেশন লাগলে তা হবে রংপুরে জেনারেল সার্জন-এর কাজ, এই রিভিউয়ের নয়।

বুকিংয়ের আগে চেম্বারের ঠিকানা আর ভিজিটের সময় মিলিয়ে দেখুন। তাঁর সব থাইরয়েড রিপোর্ট, পুরোনো আগে সাজিয়ে, সঙ্গে নিন।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

বাচ্চার চেষ্টার সময় ট্যাবলেট বন্ধ রাখব?

নিজের সিদ্ধান্তে কখনোই নয়। বন্ধ করাটাই তাঁর চিকিৎসক প্রথম থেকে মানা করেছেন। কখনো বদল লাগলে তা করবেন বিশেষজ্ঞ, কারণ বুঝিয়ে দিয়ে।

বাচ্চা নেওয়ার আগেই কি ডোজ বদলাতে হবে?

জরুরি নয়। সেটা ঠিক হবে রিভিউয়ে বিশেষজ্ঞের পড়া রিপোর্ট দেখে। কারো ডোজ যেমন আছে তেমনই চলে। কারোটা বদলায় রিপোর্টের প্রমাণে, অনুমানে কখনোই নয়।

পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরে রিভিউ করলেই হতো না?

প্রথম সপ্তাহগুলো দ্রুত কাটে। তাঁর চিকিৎসক চান, গর্ভধারণের আগেই মাত্রাগুলো জানা আর স্থির থাকুক। তাহলে তাড়াহুড়ো করে কিছু ঠিক করতে হয় না।

কোনো রিপোর্ট চিকিৎসকের চাওয়া জায়গায় না থাকলে কী হবে?

তাহলে বাচ্চার পরিকল্পনার আগে চিকিৎসার পরিকল্পনা বদলাবে। বিশেষজ্ঞ যা বদলানোর তা বদলে নতুন করে পরীক্ষার সময় ঠিক করে দেবেন। এর মাঝেও তাঁর ট্যাবলেট চলবে ঠিক নিয়মেই।

রিভিউতে কী কী নিয়ে যাব?

তারিখ অনুযায়ী সাজানো থাইরয়েড রিপোর্ট, চলতি প্রেসক্রিপশন, আর মাসিকের তারিখের ছোট্ট নোট। মাঝে মাঝে খাওয়া ওষুধ হলেও তার নামটাও তালিকায় রাখুন।

আমার নিজের চিকিৎসক কি যুক্ত থাকবেন?

হ্যাঁ। অসুখটা তিনিই ধরেছেন, এই রেফারালও তাঁর দেওয়া। বিশেষজ্ঞের মতামত তাঁর কাছে ফেরত যাবে। আর দুজনে মিলেই তাঁর চিকিৎসার পরিকল্পনা হবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.