সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - রাজশাহী
রাজশাহীতে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট
তিন বছরে দুইবার একই ব্যথায় কাবু হয়েছেন তিনি। দুইবারই কিডনিতে পাথর। প্রতিবার চিকিৎসা হয়েছে, কয়েকদিন বিশ্রামে কেটেছে, তারপর ফিরেছেন স্বাভাবিক জীবনে।
তাঁর বয়স পঞ্চাশ। ভেবেছিলেন দ্বিতীয় পাথরটাই শেষ। কিন্তু এবার তাঁর চিকিৎসক অন্য একটা প্রশ্ন তুলেছেন। পাথর বারবার হচ্ছেই বা কেন? ব্যথা উঠলে শুয়ে থাকাও দায় হয়ে যেত তাঁর।
তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন, হরমোনের চিকিৎসক মানেই শুধু ডায়াবেটিস আর থাইরয়েডের চিকিৎসক। তাঁর চিকিৎসক বুঝিয়ে বলেছেন, ক্যালসিয়ামের হিসাবটাও হরমোনের কাজের মধ্যেই পড়ে। তাই পাথরের প্রশ্নে এই রেফারাল।
তাই এবার শুধু ব্যথার চিকিৎসা নয়, রক্ত পরীক্ষাও দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক দেখতে চান তাঁর রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা। সঙ্গে সেই হরমোনটা, যেটা ক্যালসিয়ামকে সামলে রাখে। হরমোনটা আসে গলার কাছে থাকা ছোট ছোট প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে।
সেই দিকটা দেখার জন্যই তাঁকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখনো কিছুই ধরা পড়েনি। রেফারাল মানে শুধু এই প্রশ্নটার উত্তর রিপোর্ট হাতে নিয়ে খোঁজা।
তিনি নিজেও এখন দুইবারের পুরনো রিপোর্টগুলো একটা ফাইলে গুছিয়ে রাখছেন। আপনারও পাথর বারবার ফিরে এলে রাজশাহীতে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট দেখে নিতে পারেন।
2 available specialists found
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ মাহবুব
Dr. D. A. Rashid
বারবার ফিরে আসা পাথর
একবার পাথর হলে তাকে দুর্ভাগ্য বলা যায়। কিন্তু তিন বছরে দুইবার হলে তা আর শুধু দুর্ভাগ্য থাকে না। তখন মনে হয়, ভেতরে কোনো কারণ লুকিয়ে আছে।
প্রথমবার ব্যথা উঠেছিল মাঝরাতে। পাশ ফিরে শুতে পারছিলেন না তিনি। চিকিৎসায় পাথর বেরিয়ে গেলে তিনি বিষয়টা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলেছিলেন। দুই বছর পর দ্বিতীয়বারের ব্যথা যেন আগের ঘটনারই পুনরাবৃত্তি।
পাথর এলে তার চিকিৎসা এক কাজ। আর শরীর কেন বারবার পাথর বানাচ্ছে, সেই প্রশ্নটা আরেক কাজ। এবারের রেফারাল এই দ্বিতীয় প্রশ্নটার জন্যই।
ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের প্রশ্ন
রক্তের ক্যালসিয়াম একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে প্যারাথাইরয়েড হরমোনের কাজে। তাঁর চিকিৎসক সহজ করে বলেছেন, এই হরমোন প্রয়োজনের বেশি কাজ করলে ক্যালসিয়ামের হিসাব বদলাতে পারে। আর তখন পাথর হওয়ার পথ খুলতে পারে।
এটা পরীক্ষা করে দেখার মতো একটা সম্ভাবনা, কোনো রায় নয়। রিপোর্টে হরমোন আর ক্যালসিয়াম স্বাভাবিকও আসতে পারে। তখন খোঁজটা অন্য দিকে যাবে।
রিভিউয়ের অপেক্ষায় তিনি নিজে থেকে কিছুই বদলাচ্ছেন না। পাথরের জন্য কোনো টোটকা বা বাড়তি ওষুধ তিনি শুরু করেননি। নিয়মিত কোনো প্রেসক্রিপশন থাকলে তা চলছে ঠিক আগের নিয়মেই। বদল দরকার হলে তা ঠিক করবেন চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞই।
কিছু লক্ষণ অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না। বুক ধড়ফড় করলে বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা দরকার। অতিরিক্ত দুর্বলতা বা জ্ঞান হারালেও তাই। বমি থামতে না চাইলেও সেদিনই দেখাতে হয়।
দুইবারের চিকিৎসার কাগজপত্র
দুইবারের ঘটনা মানেই দুই সারি কাগজ। প্রথমবারের রিপোর্ট দেখায় তখন কী পাওয়া গিয়েছিল। দ্বিতীয়বারের কাগজ বলে দেয় মাঝখানে কী বদলেছে, আর কী একই রয়ে গেছে।
স্ক্যানের রিপোর্ট, প্রস্রাব ও রক্তের ফলাফল, আর দুইবারের প্রেসক্রিপশন, সবই তিনি সঙ্গে নেবেন। কোনো পাথর সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়ে থাকলে সেই রিপোর্টটাও ফাইলে থাকা দরকার।
তারিখের ছোট্ট একটা নোটও কাজে আসে। কোন ব্যথা কবে শুরু হয়েছিল, কতক্ষণ ছিল।
রাজশাহীতে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া
এই ধরনের প্রশ্নের জন্য এমন বিশেষজ্ঞ দরকার, যিনি নতুন পরীক্ষা দেওয়ার আগে পুরো পাথরের ইতিহাসটা পড়েন। জেনে নিন, ক্যালসিয়াম আর হরমোনের ফলাফল তিনি কীভাবে বুঝিয়ে বলবেন।
কার কাজ কোনটা, তা পরিষ্কার রাখুন। কোনো পাথর আটকে গিয়ে অপারেশন লাগলে সেই কাজ রাজশাহীতে জেনারেল সার্জন-এর। আর পাথর কেন হচ্ছে, সেই হরমোনের প্রশ্নটা থাকবে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট আর তাঁর নিজের চিকিৎসকের হাতে।
বুকিংয়ের আগে চেম্বারের ঠিকানা আর সিরিয়ালের সময় জেনে নিন। প্রথম ভিজিটে পুরো ফাইলটাই সঙ্গে রাখুন।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
কিডনির পাথরের জন্য হরমোন পরীক্ষা কেন?
ক্যালসিয়ামের হিসাবের একটা অংশ হরমোনের কাজ। এই দিকটা চুপচাপ পাথর বানাতে সাহায্য করছে কি না, তা তাঁর চিকিৎসক জানতে চান। উত্তর দেবে রিপোর্ট, অনুমান নয়।
একবার ক্যালসিয়াম স্বাভাবিক এসেছিল। তাতেই কি প্রশ্নটা শেষ?
তিনি নিজে তা শেষ ধরে নেবেন না। একটা রিপোর্ট লম্বা ছবির একটা মুহূর্ত মাত্র। বিশেষজ্ঞ তা হরমোনের রিপোর্ট আর তাঁর পাথরের ইতিহাসের পাশাপাশি রেখে পড়বেন।
পাথরের জন্য কি আমার অপারেশন লাগবে?
এই রেফারালে সেরকম কিছু বলা হয়নি। রিভিউটা কারণ খোঁজা নিয়ে, অপারেশন নিয়ে নয়। কখনো পাথর বের করার দরকার হলে সেই সিদ্ধান্ত আসবে রিপোর্ট আর সার্জনের পরীক্ষা থেকে।
অপেক্ষার এই সময়ে খাবার বা পানীয় বদলে ফেলব?
নিজে থেকে কোনো বিশেষ খাদ্যনিয়ম বা টোটকা তিনি শুরু করবেন না। খাবার নিয়ে কোনো পরামর্শ লাগলে তা আসবে রিপোর্ট দেখা চিকিৎসকের কাছ থেকে।
হরমোনের রিপোর্টও স্বাভাবিক এলে কী হবে?
তাহলে একটা সন্দেহ অন্তত তালিকা থেকে বাদ যাবে। সেটাও কাজের তথ্য। এরপর কোন দিকে দেখা হবে, তা ঠিক করবেন তাঁর চিকিৎসক আর বিশেষজ্ঞ মিলে।
এই রিভিউয়ে কয়বার যেতে হতে পারে?
প্রথম ভিজিটে তাঁর ফাইল আর নতুন রক্তের রিপোর্ট একসঙ্গে পড়া হবে। পরের ধাপ নির্ভর করবে সেখানে যা পাওয়া যায় তার ওপর।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.