সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - নোয়াখালী
নোয়াখালীতে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট
তাঁর বয়স তেতাল্লিশ। কয়েক মাস ধরে শরীরে একটা অদ্ভুত ভাটা চলছে। কাজে আগের মতো জোর পান না। ঘুম হয়, কিন্তু সকালে শরীর টাটকা লাগে না। ওজন প্রায় একই আছে। আর সবচেয়ে অস্বস্তির কথা, স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার আগ্রহটাও ধীরে ধীরে কমে গেছে।
কথাটা ডাক্তারের সামনে তুলতেই তাঁর সবচেয়ে বেশি সময় লেগেছে। দুবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করার কথাও ভেবেছিলেন। স্ত্রী বিষয়টা লক্ষ্য করেছিলেন, তবে তিনিও মুখ ফুটে কিছু বলেননি। শেষে ক্লান্তির কথা বলে শুরু করলেন, আর বাকিটা বললেন একদম শেষে, চোখ নিচু করে।
ডাক্তার হাসেননি, উড়িয়েও দেননি। তিনি বললেন, আগে রক্তের হরমোন প্যানেলটা করা দরকার। তাঁর ভাষায়, তাতে টেস্টোস্টেরন আর থাইরয়েডের পরীক্ষাও থাকবে। কারণ শক্তি কমে যাওয়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, অনুমান করে লাভ নেই।
রিপোর্ট এলে তা ভালোভাবে পড়ার জন্য তাঁকে একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছে। আপনার ডাক্তারও এমন পরীক্ষা দিয়ে থাকলে নোয়াখালীতে ডাক্তারদের তালিকা থেকে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নিতে পারেন।
এখনো কোনো রোগের নাম ঠিক হয়নি। হয়নি কোনো প্রতিশ্রুতিও। আগে রিপোর্ট, তারপর কথা।
1 available specialists found
Dr. Syed Azmal Mahmood
আগে পরীক্ষা, তারপর সিদ্ধান্ত
লজ্জা মাপার কোনো পরীক্ষা নেই। তবে কোনো হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার বাইরে আছে কি না, তা রক্তের রিপোর্টে ধরা পড়ে। তাঁর ডাক্তার আপাতত এতটুকুই জানতে চান।
এমন অবস্থায় অনেকেই ফার্মেসি থেকে টনিক কিনে খান, কিংবা বন্ধুর পরামর্শে কিছু শুরু করে দেন। তিনি দুটোর কোনোটাই করেননি। রিপোর্ট না দেখে শরীরে কী দরকার, তা কেউ বলতে পারে না। না বুঝে খাওয়া ওষুধ ছবিটা আরও ঘোলাটে করে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো মানেও রোগ ধরা পড়া নয়। এর মানে হলো, রিপোর্টগুলো এমন কারো সামনে যাবে, যিনি হরমোনের ধাঁচ মিলিয়ে পড়তে জানেন।
হরমোন প্যানেলে যা যা দেখা হয়
টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় দেখা হয় শক্তি, মেজাজ আর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে জড়িত হরমোনটার অবস্থা। থাইরয়েডের পরীক্ষাগুলো দেখে আরেকটা গ্রন্থি, যার গতি কমলেও গায়ে এমনই ক্লান্তি নামে। প্যানেলের বাকি মানগুলো মিলিয়ে বিশেষজ্ঞ কারণগুলো একে একে যাচাই করেন।
একটা মাত্র ফল দিয়ে পুরো ছবি মেলে না। উপসর্গ, ঘুম, ওজন আর চলতি ওষুধের সঙ্গে মিলিয়ে তবেই রিপোর্ট পড়া হয়।
সেই পড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজে থেকে কিছু শুরু করা যাবে না। টনিক নয়, অন্যের ওষুধ তো নয়ই। পরে কোনো ওষুধ দেওয়া হলে তা চলবে ঠিক নিয়ম মেনে, আর বদলাবেন শুধু ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ। কিছু উপসর্গ আবার নিয়মিত ভিজিটের অপেক্ষা রাখে না। বুক ধড়ফড় বা বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা জ্ঞান হারানো, আর বমি না থামলে সেদিনই চিকিৎসা নিতে হয়।
নোয়াখালীতে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া
এমন বিশেষজ্ঞ বেছে নিন, যাঁর সামনে কথা বলতে গলা শুকিয়ে যায় না। তিনি ঠিক করেছেন, এবার অস্বস্তির কথাটা সবার আগে বলবেন।
জেনে নিন, প্যানেলের ফল কীভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, আর পরে আবার পরীক্ষা লাগতে পারে কি না। বুক করার আগে চেম্বারের জায়গা আর দেখার সময় মিলিয়ে নিন।
কার কাজ কোনটা, তা মনে পরিষ্কার রাখুন। হরমোনের প্রশ্ন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে, অপারেশন দরকার হলে কাজটা নোয়াখালীতে জেনারেল সার্জন-এর কাছে। আর নিজের ডাক্তার পুরো সময়টাই ছবিতে থাকেন, কারণ পুরো ইতিহাসটা তাঁর কাছেই আছে।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
শক্তি কম মানেই কি হরমোনের সমস্যা?
না। ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতাসহ অনেক কারণেই এমন লাগতে পারে। সেজন্যই অনুমান না করে আগে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
টেস্টোস্টেরন আর থাইরয়েড একসঙ্গে কেন দেখা হচ্ছে?
দুটোই শক্তি আর আকাঙ্ক্ষায় একই রকম ছাপ ফেলতে পারে। একসঙ্গে পরীক্ষা হলে বিশেষজ্ঞ পুরো ছবিটা একবারে পান।
রিপোর্ট আসার আগে টনিক খেয়ে দেখব?
না। রোগ না জেনে খাওয়া টনিক উপসর্গ ঢেকে দিতে পারে, পরের রিপোর্টও এলোমেলো করতে পারে। আগে রিপোর্ট পড়া হোক।
প্রথম ভিজিটেই কি কারণ জানা যাবে?
রিপোর্ট পরিষ্কার হলে হয়তো যাবে। কখনো আবার একটা পরীক্ষা আরেকবার করতে হয়, তারপর সিদ্ধান্তে আসা যায়।
আমার বয়সে এ সমস্যা কি অনেকের হয়?
তাঁর ডাক্তার বিষয়টাকে স্বাভাবিক প্রশ্ন হিসেবেই নিয়েছেন। অনেকেই লজ্জায় চুপ থেকে দেরি করে ফেলেন।
অ্যাপয়েন্টমেন্টে কী কী নিয়ে যাব?
প্যানেলের রিপোর্ট, আগের রক্ত পরীক্ষা থাকলে সেগুলো, আর এখন যেসব ওষুধ খাচ্ছেন তার তালিকা। ক্লান্তি কবে থেকে শুরু, ঘুম কেমন হচ্ছে, তা মনে করে রাখুন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.