সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট
তিনি নিজেই পেয়েছেন সেটা, আয়নার সামনে শেভ করতে গিয়ে। গলার পাশে ছোট্ট একটা গাঁট, আগের মাসে যা ছিল না। তাঁর বয়স একত্রিশ। সেদিন থেকে মাথায় অন্য চিন্তা ঢোকা কঠিন হয়ে গেছে।
তাঁর ডাক্তার গলাটা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা করেছেন। তাড়াহুড়ো করে কোনো নাম বলেননি তিনি। একটা আলট্রাসাউন্ড দেওয়া হয়েছে। পুরো ছবিটা দেখতে তাঁকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এমন গাঁট একটা প্রশ্ন, নিজে থেকে কোনো রায় নয়।
অপেক্ষার সময়টাই সবচেয়ে কঠিন। রাতে ফোনে খুঁজলে শান্ত উত্তরের আগে দশটা ভয়ের উত্তর আসে। ডাক্তার তাঁকে এসব খোঁজাখুঁজি বন্ধ করতে বলেছেন। রিপোর্টগুলোকে ধারাবাহিকভাবে কথা বলতে দিতে বলেছেন। তবু রাত গভীর হলে দুশ্চিন্তা ফিরে আসে। দিনের বেলা তিনি নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেন। পরিবারের মানুষরাও তাঁর দিকে খেয়াল রাখছেন আজকাল।
বিশেষজ্ঞ বিষয়টা দেখবেন তাঁর নিজের ডাক্তারের পাশাপাশি। প্রতিটা ধাপের পেছনে কারণ থাকবে। ফলাফল হাতে না আসা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
আপনার ডাক্তারও এমন কিছু পেয়ে যাচাই করতে চাইলে নারায়ণগঞ্জে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট খুঁজে নিতে পারেন।
3 available specialists found
ডাঃ মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
Dr. Shoma Sharker
Dr. Rezwana Laboni
গলায় গাঁট ধরা পড়লে দিনটাই বদলে যায়
সকালটা ছিল আর পাঁচটা দিনের মতোই, যতক্ষণ না রেজরটা ধীর হয়ে এল। তিনি গাঁটটা আরও দুবার ছুঁয়ে দেখলেন। সেদিনই ডাক্তারকে ফোন করলেন। রিপোর্টে যাই আসুক, এই তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্তটাই ঠিক ছিল।
গলার গাঁট থাইরয়েডের ভেতরে বা কাছাকাছি থাকতে পারে। এর ব্যাখ্যাও একটা নয়, অনেকগুলো হতে পারে। কোনোটা নজরে রাখলেই চলে, কোনোটার চিকিৎসা লাগে। শুধু ছুঁয়ে তাঁর ক্ষেত্রটা আলাদা করা যায় না। ঠিক এই কারণেই যাচাই দরকার।
বিশেষজ্ঞ কীভাবে ধাপে ধাপে দেখেন
বিশেষজ্ঞ সাধারণত শুরু করেন তাঁর গল্প আর পরীক্ষা দিয়ে। তারপর আলট্রাসাউন্ডটা পড়েন গলার আসল অবস্থার পাশাপাশি রেখে। থাইরয়েডের রক্ত পরীক্ষাও প্রায়ই আসে এর পরে। গ্রন্থিটা দেখতে কেমন, তার পাশাপাশি তা কীভাবে কাজ করছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।
এর জন্য তিনি এখনো কোনো ওষুধ শুরু করেননি। অপেক্ষার সময়ে নিজে থেকে কিছু শুরু করাও ঠিক হবে না। অন্য কারণে নিয়মিত ওষুধ চললে তা ঠিক দেওয়া নিয়মেই চলবে। ডোজ বদলানোর সিদ্ধান্ত শুধু ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞের, বাড়ির অনুমানে নয়।
কিছু লক্ষণ নির্ধারিত ভিজিটের অপেক্ষা করতে পারে না। বুক ধড়ফড় করা বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা লাগে। তীব্র দুর্বলতা, জ্ঞান হারানো কিংবা না থামা বমিও একই জরুরি তালিকায় পড়ে।
নারায়ণগঞ্জে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বাছাই
এমন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন যিনি প্রতিটা পরীক্ষা দেওয়ার আগে তার কারণ বুঝিয়ে দেন। কোন পরীক্ষা কী দেখাতে পারে আর কী পারে না, যিনি সরাসরি বলেন, তাঁর কাছে অপেক্ষাটা সহনীয় হবে।
রিপোর্টের পর কখনো অপারেশনের পরামর্শ এলে তা করবেন একজন নারায়ণগঞ্জে জেনারেল সার্জন, বিশেষজ্ঞের মতামতের সঙ্গে মিলে। সেই সিদ্ধান্ত এলে আসবে প্রমাণ থেকে, ভয় থেকে নয়, এবং পরে।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
আমার কি ভয় পাওয়া উচিত?
দুশ্চিন্তা হওয়া স্বাভাবিক, তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু গাঁট একটা পর্যবেক্ষণ, রোগের নাম নয়। সত্যি উত্তর হলো, তাঁর ফলাফল এখনো কেউ জানে না। পরীক্ষাগুলো ঠিক সেটাই জানার জন্য।
এটার কি অপারেশন লাগবে?
রিপোর্টের আগে এ প্রশ্নের উত্তর হয় না। কোনো গাঁট শুধু নজরে রাখা হয়, কোনোটার অন্য চিকিৎসা চলে, কোনোটা বাদ দেওয়া হয়। তাঁর ফল কোন দিকে ইঙ্গিত করছে, বিশেষজ্ঞ তা বুঝিয়ে বলবেন।
আলট্রাসাউন্ডে কী দেখা যাবে?
গাঁটের আকার, গড়ন আর ঠিক কোথায় তা বসে আছে, এসব দেখা যাবে। আরও পরীক্ষা লাগবে কি না, তা ঠিক করতেও এটা সাহায্য করে। ব্যথা হয় না, আর সাধারণত এটাই প্রথম শক্ত প্রমাণ।
চিকিৎসা না করে শুধু নজরে রাখা যায়?
কখনো যায়, তবে সেই সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞের, রিপোর্ট পড়ার পরে। নজরে রাখা নিজেই একটা পরিকল্পনা, যার তারিখ আর খেয়াল রাখার বিষয় ঠিক থাকে। মানে এই নয় যে তাঁকে ভুলে বাড়ি পাঠানো হলো।
কত তাড়াতাড়ি যাওয়া উচিত?
ডাক্তারের পরামর্শমতো দ্রুতই যান। আতঙ্কের দরকার নেই, আবার মাসের পর মাস ফেলে রাখাও ঠিক নয়। আগেভাগে করা আলট্রাসাউন্ড পরের প্রতিটা ধাপকে শক্ত ভিত্তি দেয়।
ভিজিটে কী কী নিয়ে যাব?
আলট্রাসাউন্ডের রিপোর্ট, হয়ে থাকলে রক্ত পরীক্ষা, আর নিয়মিত ওষুধ থাকলে প্রেসক্রিপশন। গাঁটটা কবে প্রথম টের পেয়েছেন, এর মধ্যে তা বদলেছে কি না, তার নোট থাকলে ভালো হয়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.