সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট
তাঁর বয়স চুয়াল্লিশ। থাইরয়েডের অপারেশনটা এখন অনেক বছর আগের কথা। দাগটা মিলিয়ে গেছে প্রায়। কিন্তু সকালের ছোট্ট ট্যাবলেটটা রয়ে গেছে প্রতিদিনের নিয়মে।
অপারেশনের পর তাঁর শরীর আর নিজে থেকে যথেষ্ট থাইরয়েড হরমোন বানাতে পারে না। ট্যাবলেটটা সেই ঘাটতিই পূরণ করে। নিজের ডাক্তার এত বছর ধরে তাঁর রিপোর্ট দেখে আসছেন। নিয়মটা অনেক দিন ধরেই স্থির ছিল।
তবে শেষ ভিজিটে ডাক্তার চাইলেন, আরেকজন বিশেষজ্ঞ চোখে রিপোর্টগুলো দেখা হোক। সেই জন্যই এবার হরমোন বিশেষজ্ঞের রিভিউয়ের ব্যবস্থা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে রিপোর্ট আর ডোজ নতুন করে রিভিউ করা দরকার। আটত্রিশ বছরে যে ডোজ ঠিক ছিল, চুয়াল্লিশে তা নাও মিলতে পারে।
একটা নিয়ম তিনি কখনো ভাঙেননি। ট্যাবলেটটা নিজে থেকে বদলানো তাঁর কাজ নয়। ব্যস্ত সকালে তিনি তা বাদ দেন না। প্রতিবেশী অন্য মাত্রার ওষুধ খান বলে তিনিও বদলে ফেলেন না। রিপোর্টে কিছু বুঝতে না পারলে তিনি ডাক্তারকেই জিজ্ঞেস করেন।
রিভিউটা করবেন হরমোন বিশেষজ্ঞ, নিজের ডাক্তারের পাশাপাশি থেকে। একজন দেখবেন পুরো ইতিহাস, আরেকজন হরমোনের ছবিটা খুঁটিয়ে পড়বেন। আপনার ডাক্তারও এমন রিভিউর পরামর্শ দিয়ে থাকলে ময়মনসিংহে ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট খুঁজে নিতে পারেন।
8 available specialists found
Prof. Dr. Md. Anowar Hossain
Dr. Nizamul Karim Khan
Dr. A.B.M. Kamrul Hasan
Dr. Mir Rabeya Aktar
Prof. Dr. M. Nazrul Islam Siddiqui
Dr. Palash Kumar Chanda
Dr. Mamun Ur Rashid
Dr. Niyaz Rahman
থাইরয়েড অপারেশনের পরের জীবন
তাঁর কাছে অপারেশনের অধ্যায়টা শেষ হয়ে গেছে। গ্রন্থিটা বাদ গেছে, ক্ষত শুকিয়ে গেছে, জীবন ফিরেছে চেনা ছন্দে। চলমান অংশটা নীরব: একটা ট্যাবলেট, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা, আর রিপোর্ট ধরে রিভিউ।
এই ট্যাবলেট এমন ওষুধ নয় যা খেয়ে শেষ হয়ে যায়। শরীর যেই হরমোন আর বানাতে পারে না, এটা তার জায়গা নেয়। তাই তিনি সম্পূর্ণ ভালো বোধ করলেও ফলোআপ থামে না।
এত বছর পরেও ডোজ রিভিউ হয় কেন
ওজন বদলায়। নতুন ওষুধ আসে, পুরোনোটা যায়। বয়সের সঙ্গে শরীরও বদলায়। এসবের যেকোনোটাই ট্যাবলেটের প্রয়োজনীয় মাত্রা নাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডাক্তার ধরে না নিয়ে রিপোর্ট পড়েন।
তিনি নিজের দিক থেকে নিয়মটা সরল রাখেন। প্রতিদিন একই সময়ে ট্যাবলেট, ঠিক যেভাবে দেওয়া আছে। ডোজে হাত দেওয়ার একমাত্র সিদ্ধান্তকারী তাঁর ডাক্তার আর বিশেষজ্ঞ। শরীর ভালো লাগছে বলে বাড়িতে চুপিচুপি ওষুধ বন্ধ করা চলে না।
কয়েকটা লক্ষণের ক্ষেত্রে পরের রুটিন ভিজিট পর্যন্ত বসে থাকা চলে না। বুক ধড়ফড় করা বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা দরকার। তীব্র দুর্বলতা বা জ্ঞান হারানো হলেও তাই। বমি না থামলেও সেদিনই দেখাতে হয়। এমন দিনে তিনি অপেক্ষা না করে সরাসরি যান।
পুরোনো ফাইল থেকে যা যা নিয়ে যাবেন
বাড়ির ফাইলে বছরের পর বছর জমা কাগজ আছে। তাঁর ধারণার চেয়ে বেশিগুলোই কাজে লাগবে। অপারেশনের নোট থেকে বিশেষজ্ঞ জানবেন ঠিক কী বাদ গেছে। অপারেশনের পরের প্রথম রিপোর্টগুলো দেখাবে মাত্রা তখন কীভাবে স্থির হয়েছিল।
সাম্প্রতিক রক্তের রিপোর্ট, পুরোনো প্রেসক্রিপশন আর এখনকার সব ওষুধের তালিকা নিন। নতুন কোনো অনুভূতি হলে তার ছোট্ট নোটও সঙ্গে রাখুন। ছোট মনে হলেও তা কাজে লাগতে পারে।
ময়মনসিংহে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বাছাই
তাঁর অপারেশন ছিল সার্জনের দায়িত্ব, সেই কাজ শেষ। চলমান হরমোন রিভিউর জায়গা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে, যিনি বছরের পর বছর মাত্রা পড়েন। আলাদা কোনো সমস্যায় নতুন অপারেশন লাগলে সেটা যাবে ময়মনসিংহে জেনারেল সার্জন-এর কাছে।
এমন বিশেষজ্ঞ খুঁজুন যিনি শুধু নতুন পাতা নয়, পুরোনো রিপোর্টও দেখতে চান। প্রতিটা ফলাফল সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেওয়া মানুষটাও তাঁর জন্য বেশি উপযুক্ত হবে।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
এই ট্যাবলেট কি সারা জীবন খেতে হবে?
প্রথম ভিজিটেই কেউ সেই রায় দিয়ে দেবেন না। দীর্ঘমেয়াদের কথা বলার আগে বিশেষজ্ঞ সময় নিয়ে তাঁর রিপোর্টগুলো দেখবেন। আপাতত ট্যাবলেট চলবে ঠিক ডাক্তারের দেওয়া নিয়মেই।
যেদিন শরীর ভালো লাগে, সেদিন ট্যাবলেট বাদ দিলে হবে?
না। ভালো লাগার পেছনে ট্যাবলেটের কাজও আছে। মাঝে মাঝে বাদ গেলে পরের রিপোর্ট পড়া কঠিন হয়ে যায়। কারণ ছাড়াই ক্লান্তি ফিরে আসতে পারে তাতে।
রিপোর্টের ফল আগের ধারা থেকে সরে গেলে কী হবে?
বিশেষজ্ঞ আর তাঁর ডাক্তার আগে কারণ খুঁজবেন। ওজন, অন্য ওষুধ কিংবা খাওয়ার সময়, এসবই ভূমিকা রাখতে পারে। ডোজে কোনো বদল এলে তা আসবে রিপোর্ট একসঙ্গে পড়ার পরেই।
পুরোনো কাগজের মধ্যে কোনগুলো আসলে দরকার?
অপারেশনের নোট, অপারেশনের পরের প্রথম রিপোর্টগুলো, আর তার পরের সব প্রেসক্রিপশন। একসঙ্গে থাকলে বিশেষজ্ঞ শুধু শেষ সংখ্যাটা নয়, পুরো ধারাটা দেখতে পান।
এমন রিভিউ কত দিন পরপর হওয়া উচিত?
তাঁর ফাইল পড়ে বিশেষজ্ঞ তা ঠিক করে দেবেন। মাত্রা স্থির থাকলে রিভিউয়ের ব্যবধান বাড়তে পারে। কিছু বদলাতে শুরু করলে পরের চেক সাধারণত আগেই আসে।
কোন লক্ষণ দেখলে দেরি না করে জানাব?
বুক ধড়ফড়, বুকে ব্যথা, তীব্র দুর্বলতা বা জ্ঞান হারানো হলে সেদিনই দেখাতে হয়। বমি না থামলেও একই কথা। সাধারণ ক্লান্তি রিভিউ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে, এগুলো পারে না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.