সেরা হরমোন বিশেষজ্ঞ - খুলনা

খুলনায় এন্ডোক্রিনোলজিস্ট

তাঁর বয়স আটচল্লিশ। বছরের পর বছর ধরে সকালের থাইরয়েডের ট্যাবলেটটা তাঁর দিনের সবচেয়ে নির্দিষ্ট কাজগুলোর একটি। ঘুম থেকে উঠেই কাজটা সেরে ফেলতেন তিনি। একটা ট্যাবলেট, এক গ্লাস পানি, আর প্রায় একই রকম আসা রিপোর্ট। তিনি এ নিয়ে ভাবাই ছেড়ে দিয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ রিপোর্টটা তাঁকে অবাক করেছে। ডাক্তার বলেছেন, একই ডোজে এবার মানটা বেশি এসেছে। যে মাত্রা এত বছর ঠিকঠাক ছিল, তা যেন আর খাপ খাচ্ছে না। রুটিনে আর কিছুই বদলায়নি বলে ফলটা মেনে নেওয়া আরও কঠিন লাগছে।

তাই তাঁর ডাক্তার তাঁকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্টের কাছে পাঠিয়েছেন। বিশেষজ্ঞের কাজ হবে বদলের কারণটা খুঁজে বের করা, আর সামনের রিপোর্টগুলো নতুন চোখে পড়া। পাশাপাশি তিনি নিজের ডাক্তারকেই দেখিয়ে যাবেন, যিনি তাঁর ইতিহাস সবচেয়ে ভালো জানেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে ডোজ ঠিক যেভাবে দেওয়া আছে, সেভাবেই চলবে। একটু কমিয়ে খেয়ে দেখার ইচ্ছে তাঁর হয়েছে, কিন্তু তিনি তা করবেন না। যেকোনো বদল আসতে হবে রিপোর্ট পড়া ডাক্তারদের কাছ থেকে, বাড়ির অনুমান থেকে নয়।

আপনার রিপোর্টও যদি একসময়ের উপযোগী ডোজে বদলে গিয়ে থাকে, তাহলে খুলনায় ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট খুঁজে রিভিউয়ের সময় নিতে পারেন।

6 available specialists found

Dr. Tonmoy Reza Masum

Qualifications
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

Dr. A. H. M. Shadequl Islam

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Endocrinology & Metabolism)
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

Dr. S.M. Zakir Hossain

Qualifications MBBS (Dhaka), CCD (Diabetes, BIRDEM), CC-CD (National Heart Foundation), Diabetic Footcare Training (CMC Vellore, India)
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

Dr. MD. Mehedi Hasan

Qualifications MBBS, CCD (BIRDEM)
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

Dr. M. Ashraf Ali

Qualifications MBBS, FRSH (LONDON), CCD (BIRDEM)
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

Dr. M B Zaman

Qualifications MBBS, MPH, CCD
অবস্থান খুলনা সিটি, খুলনা

একই ডোজ যখন আর খাপ খায় না

থাইরয়েডের ডোজ সারাজীবনের জন্য ঠিক করা থাকে না। তা ঠিক হয় এখনকার শরীরের জন্য, আর শরীর বছরের পর বছর নীরবে বদলায়। ওজন ওঠানামা করে, অন্য ওষুধ শুরু বা শেষ হয়, বয়সের সঙ্গে গ্রন্থির আচরণও বদলাতে পারে।

তাই পুরোনো ডোজে রিপোর্ট বেশি আসা মানে আপনার ব্যর্থতা নয়। এটা একটা তথ্য, যা বিশেষজ্ঞকে বলে দেয় ভারসাম্যের কোথাও নড়াচড়া হয়েছে। পরের কাজ হলো সেই নড়াচড়াটা কী, তা খুঁজে বের করা। বাড়িতে বসে অনুমান করা নয়।

কিছু লক্ষণ রুটিন অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা করতে পারে না। বুক ধড়ফড় করা বা বুকে ব্যথা হলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। অতিরিক্ত দুর্বলতা, জ্ঞান হারানো কিংবা বমি না থামলেও সেদিনকার চিকিৎসাই দরকার। এর মধ্যে তিনি ট্যাবলেট ঠিক যেভাবে দেওয়া আছে সেভাবেই খেয়ে যাবেন; বদল শুধু তাঁর ডাক্তাররাই করতে পারেন।

কী বদলে যেতে পারে

বিশেষজ্ঞ প্রথমে দেখবেন ট্যাবলেট খাওয়ার সময় আর ধরনটা। খাবার, চা বা অন্য ওষুধের সঙ্গে খেলে ট্যাবলেট শরীরে কম শোষিত হতে পারে। নতুন ব্র্যান্ড বা বদলে যাওয়া রুটিনও গুরুত্ব পেতে পারে।

অন্য অসুখ, নতুন প্রেসক্রিপশন আর ওজনের বদলও ছবিতে আসে। সময়ের নিজের গতিও আসে। বিশেষজ্ঞ এসব সম্ভাবনা তাঁর ইতিহাস আর পরপর রিপোর্টের ধারা দিয়ে যাচাই করেন, একটা ফল দিয়ে নয়।

খুলনায় এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বেছে নেওয়া

তাঁর মতো সমস্যায় এমন বিশেষজ্ঞ বেছে নিন, যিনি শুধু নতুন পৃষ্ঠা নয়, পুরো ফাইলটা পড়েন। জেনে নিন, কত দিন পরপর রিপোর্ট করতে হবে, আর ডোজ রিভিউর সিদ্ধান্ত কে নেবেন।

বুকিংয়ের আগে চেম্বারের ঠিকানা আর ভিজিটের সময় মিলিয়ে দেখুন। ভূমিকাগুলোও পরিষ্কার রাখুন। আলাদা কোনো সমস্যায় অপারেশন লাগলে সেটা খুলনায় জেনারেল সার্জন-এর কাজ, আর তাঁর নিজের ডাক্তার দৈনন্দিন যত্ন চালিয়ে যাবেন।

যেসব রিপোর্ট সঙ্গে নেবেন

শুধু অবাক করা রিপোর্টটা নয়, তাঁর কাছে থাকা সব থাইরয়েড রিপোর্ট নিন, পুরোনো থেকে নতুন। সামনে স্থির থাকা বছরগুলো না থাকলে একটা বেশি রিডিংয়ের মানে বোঝা কঠিন।

চলতি প্রেসক্রিপশনটা রাখুন, সঙ্গে গত এক বছরে শুরু হওয়া যেকোনো নতুন ওষুধের নাম। লক্ষণগুলোর তারিখসহ ছোট একটা নোট বিশেষজ্ঞকে রিপোর্টের সঙ্গে মানুষটাকে মেলাতে সাহায্য করে।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

একই ডোজে হঠাৎ রিপোর্ট বেশি এল কেন?

শরীর বদলায়, রুটিন সরে যায়, অন্য ওষুধও বাধা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞ পুরোনো আর নতুন রিপোর্ট মিলিয়ে দেখবেন, কোন ব্যাখ্যাটা আপনার ক্ষেত্রে খাটে।

ভিজিটের আগে নিজে ট্যাবলেট অর্ধেক করে খাব?

না। নিজে থেকে পরিমাণ বদলালে পরের রিপোর্ট এলোমেলো হতে পারে, চিকিৎসাও কমবেশি হয়ে যেতে পারে। ঠিক যেভাবে দেওয়া আছে সেভাবেই খান, বদলের সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞের ওপর ছাড়ুন।

এখন থেকে কি ডোজ বারবার বদলাতেই থাকবে?

জরুরি নয়। একটা রিপোর্ট বদলানো মানেই শেষহীন বদল নয়। কয়েকটা চেকের ধারা দেখে বিশেষজ্ঞ একটা স্থির পরিকল্পনায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

রিপোর্ট আবার কত দিন পর করতে হবে?

আপনার ফাইল পড়ার পর বিশেষজ্ঞ সময়টা ঠিক করে দেবেন। থাইরয়েডের রিপোর্ট সাধারণত নির্দিষ্ট ব্যবধানে করা হয়, কারণ যেকোনো বদলের ফল আসতে সময় লাগে।

অপেক্ষার সময়ে কোন লক্ষণে নজর রাখব?

বুক ধড়ফড়, নতুন কাঁপুনি, অস্বাভাবিক গরম বা অস্থির লাগলে খেয়াল করুন। তারিখসহ লিখে রাখুন। হঠাৎ তীব্র লক্ষণ দেখা দিলে সেদিনই চিকিৎসা লাগবে, নোটের অপেক্ষা নয়।

নিজের ডাক্তারকেও কি আগের মতো দেখাব?

হ্যাঁ। আপনার যত্নের কেন্দ্রে নিজের ডাক্তারই থাকেন, বিশেষজ্ঞের মতামত তাঁর কাছেও পৌঁছায়। এন্ডোক্রিনোলজিস্ট তার পাশাপাশি হরমোনের রিপোর্টের একটা কেন্দ্রীভূত রিভিউ যোগ করেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.