সেরা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ - দিনাজপুর
সংখ্যাটা মন খারাপ করে দিত, তাই মাপাই বন্ধ করে দিয়েছিলেন
বয়স ৫২। ছয় বছর ধরে ডায়াবেটিস আছে। অনেকদিন তিনি নিয়ম মেনে বাড়িতে সুগার মেপেছেন, যেভাবে বলা হয়েছিল সেভাবেই।
তারপর একসময় চুপচাপ মাপা বন্ধ করে দিলেন। বেশি রিডিং এলেই সারাদিন মন খারাপ থাকত। সংখ্যাটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেন, অথচ বুঝতেন না আলাদা করে কী করবেন। না মাপলেই যেন স্বস্তি।
এভাবেই কেটে গেছে কয়েক মাস। এই সপ্তাহে একটা রুটিন ল্যাব পরীক্ষার রিপোর্ট এলো, সুগার অনেক বেশি। রিপোর্টটা তাঁকে নাড়িয়ে দিয়েছে। মনে মনে ভেবেছিলেন, সব হয়তো নিজে থেকেই ঠিকঠাক চলছে।
মাপা বন্ধ করে দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেকেই এমন করেন। রিডিং শুধু একটা তথ্য, আপনার সম্পর্কে কোনো রায় নয়। যদিও মনে সবসময় সেভাবে লাগে না।
আবার শুরু করতে অপরাধবোধ লাগবে না। দরকার একটা সহজ পরিকল্পনা, আর এমন ডাক্তার যিনি সামনের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন, পুরনো ভুল ধরে বসে থাকবেন না। DoctorBD24-এ তালিকাভুক্ত দিনাজপুরের ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের দেখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন। ল্যাব রিপোর্টটা সঙ্গে নিন, সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলতে সেটাই থাকলেও চলবে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কী কী দেখেন
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ দীর্ঘমেয়াদে আপনার সুগার দেখভাল করেন। ল্যাব রিপোর্ট আর বাড়ির রিডিং একসঙ্গে দেখে তিনি বোঝেন, রুটিন কতটা কাজ করছে।
ডায়াবেটিস যেসব জায়গায় নীরবে প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলোর দিকেও নজর থাকে। চোখ, কিডনি, পা আর স্নায়ু সময়ে সময়ে পরীক্ষা করা হয়।
রক্তচাপ আর কোলেস্টেরলও সাধারণত একই রিভিউয়ের অংশ। আপনার মোট ঝুঁকি সবগুলো মিলিয়ে তৈরি হয়।
সুগার মাপার অভ্যাসটাও চিকিৎসার অংশ। মাপতে ভয় পেলে বা এড়িয়ে গেলে বিশেষজ্ঞকে জানান। অভ্যাসটা আবার গড়ে তোলাও চিকিৎসারই কাজ।
কখন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
কয়েক মাস ধরে সুগার মাপা বন্ধ থাকলে ভিজিটের সময় নিন। লম্বা বিরতির পর ল্যাব রিপোর্টে বেশি সুগার এলে রিভিউ আবার শুরু করাই উচিত।
রিডিং খুব ওঠানামা করলেও দেখান। নিজের সংখ্যাগুলোর মানে বুঝতে না পারলেও দেখানো যায়। দ্বিধাটাই একটা যথেষ্ট কারণ।
কিছু লক্ষণে সেদিনই জরুরি চিকিৎসা লাগে। পায়ে কাটা বা ঘা শুকাচ্ছে না, কিংবা লাল হয়ে সংক্রমণের মতো দেখাচ্ছে, এমন হলে দেরি করা যাবে না।
হঠাৎ দৃষ্টি বদলে যাওয়াও জরুরি লক্ষণ। বমি হয়ে শরীরে পানি ধরে রাখতে না পারলেও সেদিনই দেখাতে হবে। অতিরিক্ত পানিশূন্যতা বা হঠাৎ বিভ্রান্তিও জরুরি।
দিনাজপুরে ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কীভাবে বেছে নেবেন
আগে ডাক্তারের যোগ্যতা দেখুন। ডায়াবেটিসের চিকিৎসা তাঁর কাজের মূল অংশ কিনা, সেটাও যাচাই করুন।
এমন ডাক্তার খুঁজুন, যিনি বাড়িতে মাপা রিডিংকে গুরুত্ব দেন। ডাক্তার নিজে আপনার খাতা দেখতে চাইলে সেটা ভালো লক্ষণ। প্রতিদিনের সংখ্যা এমন গল্প বলে, যা ল্যাব পরীক্ষায় মেলে না।
জিজ্ঞেস করুন, কঠিন সময়ে তিনি কীভাবে সামলান। এমন ডাক্তার চাই, যিনি আপনার সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা বদলাবেন। বেশি রিডিং জানাতে ভয় পেতে হবে, এমন যেন না হয়।
নিয়মিত যাওয়ার সুবিধাটাও ভাবুন। প্রয়োজনে DoctorBD24-এ তালিকাভুক্ত দিনাজপুরের জেনারেল সার্জনদের তালিকাও দেখে রাখতে পারেন। পায়ের ঘায়ে কখনো সার্জনের মতামত লাগতে পারে।
ভিজিটের আগে যা প্রস্তুত রাখবেন
এই সপ্তাহের ল্যাব রিপোর্টটা নিন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও নিন। পুরনো আর নতুনের তুলনাটা সত্যিই কাজে লাগে।
যেসব ওষুধ খাচ্ছেন, ডোজসহ তালিকা লিখে নিন। সর্বশেষ সংখ্যা যেমনই হোক, নিজে থেকে কোনো ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না।
আবার মাপা শুরু করলে প্রতিটা রিডিং তারিখ আর সময়সহ লিখে রাখুন। সাধারণ একটা তারিখসহ খাতাই ধারাটা পরিষ্কার দেখায়। মনে রাখার চেয়ে এটা অনেক ভালো।
মাপা বন্ধ রাখার কথাটা সত্যি করে বলুন। ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই। কেন বন্ধ ছিল জানলে ডাক্তার এমন রুটিন সাজাতে পারবেন, যা আপনি মানতে পারবেন।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
কয়েক মাস ধরে সুগার মাপিনি। আবার শুরু করব কীভাবে?
এই ভিজিট দিয়েই শুরু করুন। সাম্প্রতিক ল্যাব রিপোর্ট আর ওষুধের তালিকা নিয়ে যান। ডাক্তার আপনার দিনের সঙ্গে মেলে এমন সহজ রুটিন সাজিয়ে দিতে পারবেন।
মনে রাখার বদলে তারিখসহ খাতায় লিখতে হয় কেন?
মনে থেকে যায় সবচেয়ে খারাপ সংখ্যাগুলোই, বাকিগুলো হারিয়ে যায়। তারিখসহ খাতায় দিনের পর দিনের আসল ধারাটা দেখা যায়। এই ধারা দেখেই ডাক্তার নিয়ন্ত্রণ বিচার করেন।
মাপিনি বলে ডাক্তার বকা দেবেন?
ভালো রিভিউয়ের উদ্দেশ্য বকা নয়, সামনের পথ ঠিক করা। অনেকেই কিছুদিন মাপা বন্ধ রাখেন, প্রায়ই আপনার মতো একই কারণে। সত্যি করে বললে ভিজিটেরই উপকার হয়।
ল্যাব রিপোর্টে সুগার বেশি এসেছে। নিজে ডোজ বদলে দেব?
না। নিজে থেকে কখনো ওষুধ বা ডোজ বন্ধ, বদল বা যোগ করবেন না। রিপোর্টে বেশি সুগার এলে করণীয় হলো দ্রুত ডাক্তার দেখানো।
একদিনের একটা বেশি রিডিং আসলে কী বোঝায়?
একটা রিডিং মানে একটা মুহূর্ত। খাবার, অসুস্থতা বা মানসিক চাপে সেটা বাড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো সময়ের সঙ্গে পুরো ধারাটা। তাই ল্যাব পরীক্ষা আর বাড়ির খাতা দুটোই লাগে।
আবার শুরু করলে বাড়িতে কতবার মাপব?
এটা আপনার চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ আর ডাক্তারের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে। আপনার জন্য কোন নিয়ম ঠিক, জিজ্ঞেস করুন। যেই রুটিন চালাতে পারবেন, সেটাই ভালো।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.