সেরা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ - ঢাকা
ভালো লাগছিল বলে আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া হয়নি
বয়স ৩৯। দুই বছর আগে অফিসের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তাঁর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। তখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ বোধ করতেন। রিপোর্টটা দেখে নিজেই অবাক হয়েছিলেন।
প্রথম কয়েকবার ঠিকমতো গিয়েছিলেন। তারপর ব্যস্ততা বাড়ল। শরীরে কোনো সমস্যা নেই, খাওয়াদাওয়াও মোটামুটি চলছে। নিজেকে বুঝ দিলেন, বারবার যাওয়ার দরকার কী।
এক বছরের বেশি সময় কোনো ফলোআপ হয়নি। স্ত্রী অনেকদিন ধরে বলছিলেন। এই মাসে একটা রুটিন পরীক্ষায় দেখা গেল, HbA1c আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। এবার স্ত্রী নিজেই অ্যাপয়েন্টমেন্টটা করে দিয়েছেন।
শরীর ভালো লাগা আর সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকা এক কথা নয়। কোনো লক্ষণ ছাড়াই সুগার ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। নিয়মিত রিভিউতে গেলেই এই বদলটা সময়মতো ধরা পড়ে।
আপনার অবস্থাও এমন হলে ভয়ের কিছু নেই। দরকার শুধু নতুন করে একবার দেখিয়ে নেওয়া, যাতে বর্তমান অবস্থাটা পরিষ্কার বোঝা যায়। তারপর ডাক্তারের সঙ্গে মিলে পরের ধাপগুলো ঠিক করা যাবে। DoctorBD24-এ তালিকাভুক্ত ঢাকার ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের দেখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন। সাম্প্রতিক রিপোর্ট আর ওষুধের তালিকা সঙ্গে নিন।
46 available specialists found
ডা. মোঃ মাসুদুল হাসান খান
ডা. ইন্দিরা রায়
ডা. খালেদ হাসান
ডা. এস.এম. মহিউদ্দিন
ডা. মোহাম্মদ আমুদ্দিন
ডা. শাহানা আক্তার
ডা. এইচ. কে. সেন শোমা
ডা. লায়লা খায়রুন নাহার
ডা. মো. আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী
ডা. মো. মতিউর রহমান সুমন
ডা. মো. শাহাদাত হোসেন
ডা. সুলতানা পারভীন
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কী কী দেখেন
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ দীর্ঘমেয়াদে আপনার রক্তের সুগার দেখভাল করেন। HbA1cসহ বিভিন্ন রিপোর্ট দেখে তিনি বোঝেন, আপনার বর্তমান রুটিন কতটা কাজ করছে।
ডায়াবেটিস শরীরের যেসব জায়গায় নীরবে প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলোও রিভিউতে দেখা হয়। চোখ, কিডনি, পা আর স্নায়ুর দিকে আলাদা নজর দেওয়া হয়।
রক্তচাপ আর কোলেস্টেরল নিয়েও সাধারণত একই আলোচনায় কথা হয়। ঝুঁকিটা শুধু সুগার দিয়ে মাপা যায় না।
কখন ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
অনেকদিন আগে রোগ ধরা পড়েছে, তারপর আর যাওয়া হয়নি, এমন হলে রিভিউয়ের সময় নিন। এক বছরের বেশি বিরতি থাকলেই সেটা যথেষ্ট কারণ।
সাম্প্রতিক রিপোর্টে খারাপের দিকের বদল দেখা গেলে দেরি করবেন না। শরীর ভালো লাগলেও HbA1c বেড়ে যাওয়া দেখিয়ে নেওয়া দরকার।
কিছু লক্ষণে সেদিনই জরুরি চিকিৎসা লাগে। পায়ে কাটা বা ঘা শুকাচ্ছে না, কিংবা লাল হয়ে সংক্রমণের মতো দেখাচ্ছে, এমন হলে দেরি করা যাবে না।
হঠাৎ দৃষ্টি বদলে যাওয়াও জরুরি লক্ষণ। বমি হয়ে শরীরে পানি ধরে রাখতে না পারলেও সেদিনই দেখাতে হবে। অতিরিক্ত পানিশূন্যতা বা হঠাৎ বিভ্রান্তিও জরুরি।
ঢাকায় ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ কীভাবে বেছে নেবেন
আগে ডাক্তারের যোগ্যতা যাচাই করুন। ডায়াবেটিস তাঁর চিকিৎসার মূল অংশ কিনা, সেটাও জেনে নিন।
ফলোআপের কথা ভাবুন। ডায়াবেটিসের চিকিৎসা মানেই নিয়মিত ফলোআপ। তিন মাস পর আবার যাঁর কাছে যেতে পারবেন, তিনি একবার দেখা নামকরা ডাক্তারের চেয়ে কাজের।
জিজ্ঞেস করুন, রিভিউতে কী দেখা হয়। বাড়িতে মাপা রিডিং দেখবেন, নাকি শুধু ল্যাব রিপোর্ট? দুটোই দেখা হয়, এমন উত্তরই আপনি চাইবেন।
চেম্বার কাছে হলে যাওয়াও নিয়মিত হবে। প্রয়োজনে DoctorBD24-এ তালিকাভুক্ত ঢাকার জেনারেল সার্জনদের তালিকাও দেখে রাখতে পারেন। পায়ের ঘায়ে কখনো সার্জনের মতামত লাগতে পারে।
ভিজিটের আগে যা প্রস্তুত রাখবেন
সর্বশেষ ল্যাব রিপোর্ট সঙ্গে নিন, বিশেষ করে সর্বশেষ HbA1c। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও নিন। একটা সংখ্যার চেয়ে ধারাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব ওষুধ খাচ্ছেন, ডোজসহ পুরো তালিকা লিখে নিন। ভিজিটের আগে নিজে থেকে কোনো ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না।
বাড়িতে সুগার মাপলে সেই রিডিংগুলোও নিন। অল্প কয়েকদিনের রিডিংও ডাক্তারের জন্য কাজের তথ্য।
প্রশ্নগুলো আগেভাগে গুছিয়ে রাখুন। আপনার উপযুক্ত টার্গেট রেঞ্জ কোনটা, ডাক্তারকেই জিজ্ঞেস করুন। ব্যক্তিগত টার্গেট ঠিক করা ডাক্তারের সিদ্ধান্ত।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন
শরীর একদম ভালো লাগে। তবু ফলোআপে যাওয়া লাগবে?
লাগবে। সুগার বেশি থাকলেও অনেকদিন কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। নিয়মিত পরীক্ষা আর রিভিউতেই নীরব বদলগুলো আগেভাগে ধরা পড়ে।
HbA1c আসলে কী বোঝায়?
এতে মোটামুটি গত তিন মাসের গড় সুগারের ছবি পাওয়া যায়। আঙুল ফুটিয়ে মাপা রিডিং শুধু ওই মুহূর্তটা দেখায়। HbA1c দেখায় পুরো সময়ের ধারাটা।
HbA1c বেড়ে গেছে। মানে আমি ব্যর্থ?
মোটেই না। মানসিক চাপ, অসুস্থতা, রুটিনের বদলসহ নানা কারণে নিয়ন্ত্রণ এদিক-ওদিক হতে পারে। ভিজিটের উদ্দেশ্য দোষ খোঁজা নয়, পরিকল্পনা ঠিক করা।
ভালো লাগছে বলে ওষুধ বন্ধ করে দিতে পারি?
নিজে থেকে কখনো ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না। ভালো লাগাটাই হয়তো ওষুধ কাজ করার লক্ষণ। কিছু কমাতে চাইলে ভিজিটে বলুন, সিদ্ধান্ত ডাক্তার নেবেন।
কতদিন পরপর পরীক্ষা করা উচিত?
এটা আপনার নিয়ন্ত্রণ, অন্যান্য শারীরিক অবস্থা আর ডাক্তারের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে। আপনার জন্য কোন ব্যবধান ঠিক, জিজ্ঞেস করুন। পরের তারিখটা সেদিনই ঠিক করে আসুন।
অনেকদিন পর প্রথম রিভিউতে কী নিয়ে যাব?
সর্বশেষ ল্যাব রিপোর্ট নিন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও নিন। ডোজসহ ওষুধের তালিকা আর বাড়িতে মাপা রিডিং থাকলে সেগুলোও রাখুন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.