সেরা দন্ত চিকিৎসক - কুমিল্লা

সামনের দাঁতটা ধীরে ধীরে ধূসর হয়ে গেল

বয়স ৪১। বদলটা এত আস্তে এসেছে যে প্রথমে খেয়ালই করেননি তিনি। আগের বছরের পারিবারিক ছবিতে হাসিটা সমান দেখায়। সাম্প্রতিক ছবিগুলোতে সামনের একটা দাঁত পাশেরগুলোর চেয়ে গাঢ়, সাদার মাঝে ধূসর হয়ে বসে আছে।

অনেক বছর আগে পড়ে গিয়ে ঠিক এই দাঁতটাতেই আঘাত পেয়েছিলেন। দুই-তিন দিন ব্যথা ছিল, তারপর ঠিক হয়ে গেছে ভেবে ভুলেই গিয়েছিলেন। এখনো ব্যথা নেই। শুধু দেখতে অস্বস্তি লাগে, আর হাসতে গেলে মুখে হাত চলে যায়। সেই আঘাতের কথা আজকাল কারো মনেই পড়ে না।

পুরনো আঘাতের অনেক পরে দাঁতের রঙ বদলালে সেটা দেখিয়ে নেওয়া উচিত। আঘাতে ভেতরের স্নায়ু ধীরে ধীরে মরে গেলে দাঁত ভেতর থেকে কালচে হতে পারে। আবার রঙের বদল ওপরের দিকেও থাকতে পারে। কোনটা ঘটেছে, পরীক্ষা আর অনেক সময় এক্স-রে ছাড়া বোঝা যায় না।

ডেন্টিস্ট দাঁত, তার গোড়া আর চারপাশের মাড়ি দেখে তারপর সিদ্ধান্তের কথা বলেন। সমস্যা চোয়াল পর্যন্ত গেলে কিংবা অস্ত্রোপচারের দরকার হলে কুমিল্লার জেনারেল সার্জন সেই আলোচনায় থাকতে পারেন। শুরুটা হোক দাঁতটা দেখানো দিয়ে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ডেন্টিস্ট যেসব সমস্যা দেখেন

ডেন্টিস্ট দাঁত, মাড়ি আর মুখের ভেতরের নরম অংশের যত্ন নেন। দাঁতের ক্ষয় আর ফিলিং তাঁর রোজকার কাজ। দাঁতব্যথা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দুর্ঘটনায় বা শক্ত খাবারে ভাঙা দাঁতও তিনি দেখেন।

জমে যাওয়া পাথর স্কেলিং করে তোলা হয়। দাঁতের ভেতরে সংক্রমণ হলে বা স্নায়ু মরে গেলে রুট ক্যানেল চিকিৎসার কথা আসে। নষ্ট দাঁতের জন্য ক্রাউন, হারানো দাঁতের জায়গায় ব্রিজ বা ডেঞ্চার। বারবার ঝামেলা করা আক্কেল দাঁত আর বাচ্চাদের দাঁতের সব ধাপও এই আওতায় পড়ে।

কখন দেখানো উচিত

ব্যথা না থাকলেও দাঁতের রঙ বদলে গেলে দেখিয়ে নিন। ব্যথা ফিরে ফিরে এলে, ফিলিং নড়বড়ে লাগলে, কিংবা খাওয়ার পর একই ফাঁকে বারবার খাবার আটকালেও বসে থাকবেন না।

কিছু লক্ষণে একদিনও দেরি চলে না। মুখ ফুলে যাওয়া, ফোলার সঙ্গে জ্বর, মুখ খুলতে বা ঢোক গিলতে কষ্ট হলে সেদিনই যান। মুখের ভেতরের ঘা দুই সপ্তাহেও না সারলেও পরীক্ষা করানো দরকার।

কুমিল্লায় ডেন্টিস্ট বাছাই

শুরু করুন সামনের সমস্যাটা দিয়ে। গাঢ় হয়ে যাওয়া সামনের দাঁতের ক্ষেত্রে এমন ডেন্টিস্ট দরকার, যিনি ঢাকনা বা ক্রাউনের কথা বলার আগে পরীক্ষা আর এক্স-রে করে নেবেন। প্রথম দেখায় কী হবে, রিপোর্ট দেখে কী কী পথ খুলবে, আগেই জিজ্ঞেস করুন।

কোন চিকিৎসা আগে, কোনটা অপেক্ষা করতে পারে, সেটাও জেনে নিন। বুকিংয়ের সময় ক্লিনিকে নিশ্চিত হোন, ভিজিটে কতক্ষণ লাগতে পারে। বিকল্প মেলাতে গিয়ে অনেকে DoctorBD24-তে ঢাকার ডেন্টিস্টদের তালিকাও দেখে নেন।

যাওয়ার আগে

দাঁতটায় কবে আঘাত লেগেছিল, অনেক বছর আগের হলেও মনে করে রাখুন আর বলুন। রঙ বদলটা প্রথম কবে চোখে পড়ল, সেটাও ভেবে রাখুন। ফোনে তোলা পুরোনো ছবি থাকলে বদলটা স্পষ্ট বোঝা যায়।

নিয়মিত খাওয়া ওষুধের তালিকা রাখুন। ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে জানান। আগের ডেন্টাল রিপোর্ট বা এক্স-রে থাকলে সঙ্গে নিন।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

পড়ে যাওয়ার কয়েক বছর পর দাঁত ধূসর হয় কেন?

জোরে আঘাতে দাঁতের ভেতরের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্নায়ুটা মাস বা বছর ধরে ধীরে ধীরে মরে গেলে দাঁতের রঙও বদলাতে থাকে। এক্স-রে আর সহজ কিছু পরীক্ষায় গোড়ার অবস্থা বোঝা যায়।

কালচে দাঁত মানেই কি রুট ক্যানেল লাগবে?

সবসময় নয়। স্নায়ু মৃত, সংক্রমিত, নাকি এখনো জীবিত, তার ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। সিদ্ধান্তের আগে ডেন্টিস্টকে জিজ্ঞেস করুন, আপনার ক্ষেত্রে পরীক্ষায় কী পাওয়া গেল।

পরিষ্কার করলেই কি রঙ ঠিক হয়ে যাবে?

স্কেলিংয়ে ওপরের জমা ময়লা ওঠে। রঙের বদল ভেতর থেকে এলে শুধু পরিষ্কারে তা যায় না। আপনার দাঁতের ক্ষেত্রে কোনটা প্রযোজ্য, পরীক্ষার পর ডেন্টিস্ট বুঝিয়ে বলবেন।

ব্যথা নেই, এভাবেই রেখে দিলে চলবে?

নীরব দাঁত মানেই সুস্থ দাঁত নয়। মৃত স্নায়ু চুপচাপ থাকলেও গোড়ার ডগায় সংক্রমণ জমতে পারে। এখন দেখিয়ে নেওয়া পরে জরুরি অবস্থা সামলানোর চেয়ে সহজ।

প্রথম ভিজিটে কী হয়?

ডেন্টিস্ট আঘাতের কথা শুনবেন, দাঁত আর মাড়ি পরীক্ষা করবেন, দরকার হলে এক্স-রে করবেন। তারপর শুনবেন সম্ভাব্য সমস্যা কী আর আপনার সামনে পথ কোনগুলো।

কিছু না হলেও কতদিন পরপর দেখানো উচিত?

অনেকে বছরে এক বা দুবার চেকআপ আর পরিষ্কারের জন্য যান। শুরুর দিকের ক্ষয় আর মাড়ির সমস্যায় প্রায়ই কোনো লক্ষণ থাকে না। আপনার মুখের জন্য কোন ব্যবধান ঠিক, ডেন্টিস্টকে জিজ্ঞেস করে নিন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.