সেরা দন্ত চিকিৎসক - কক্সবাজার

রাত নামলেই যে দাঁতটা ধড়ফড় শুরু করে

বয়স ত্রিশ। কক্সবাজারের একটা মাছ ধরার নৌকায় কাজ করেন তিনি। সারাদিন দাঁতটায় হালকা একটা ভোঁতা ব্যথা থাকে। জাল টানার ধকলে সেটা প্রায় টেরই পাওয়া যায় না। কিন্তু রাতে শুলেই শুরু হয় আসল যন্ত্রণা। ব্যথাটা ধড়ফড় করে ওঠে। ব্যথার ওষুধ খেলে ঘণ্টা কয়েক ঘুম আসে। তারপর রাত দুটোর দিকে আবার জেগে ওঠেন তিনি। ভোরের দিকে ক্লান্তিতে চোখ জড়িয়ে আসে তাঁর।

শুয়ে পড়লে ব্যথা বাড়ার ধরনটা ডেন্টিস্টরা প্রায়ই শোনেন। এর পেছনে গভীর ক্ষয় থাকতে পারে। দাঁতের ভেতরের স্নায়ুতে প্রদাহ হলেও এমন হয়। তবে কোনটা আপনার বেলায় ঘটেছে, সেটা পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না। দিনের বেলা সহ্য হয়ে যায় বলেই তিনি দেখানো পেছাতেই থাকেন। দিনের ব্যথা কম বলেই সমস্যাটা ছোট নয়।

রাতের এমন ধড়ফড়ে ব্যথা সাধারণত নিজে থেকে পুরোপুরি সারে না। ডেন্টিস্ট দাঁতটা পরীক্ষা করে, দরকার হলে এক্স-রে করে, বলতে পারবেন আসলে কী চিকিৎসা লাগবে। রাতের ঘুম নষ্ট হলে দিনের কাজেও তার ছাপ পড়ে। সাগরে যাওয়ার ফাঁকে সময় মিলিয়ে নিতে কক্সবাজারের ডাক্তারদের তালিকা থেকে সুবিধামতো চেম্বার খুঁজে নিতে পারেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ডেন্টিস্ট যেসব সমস্যার চিকিৎসা দেন

ডেন্টিস্টের কাজ দাঁত, মাড়ি আর মুখের ভেতরের অংশ নিয়ে। ক্ষয় আর ফিলিংই সবচেয়ে বেশি আসে। দাঁতের ব্যথার কারণ অনেক রকম, আর সঠিক কারণটা খুঁজে পাওয়াই কাজের অর্ধেক। মাড়ির ঘা কিংবা রক্ত পড়াও তিনি দেখেন। জমে থাকা পাথর স্কেলিং করে পরিষ্কার হয়। ভাঙা বা ফাটা দাঁতও তাঁর কাছেই আসে। যেসব দাঁত আর বাঁচানো যায় না, সেগুলো তুলতে হয়, আক্কেল দাঁতসহ। দুর্বল দাঁতে ক্রাউন বসে, হারানো দাঁতের জায়গায় ব্রিজ বা ডেঞ্চার। বাচ্চাদের দাঁতেও ক্ষয় দ্রুত ছড়ায় বলে নিয়মিত দেখানো দরকার।

দেখানোর সময় হয়েছে বুঝবেন যেভাবে

ঘুম নষ্ট করা ধড়ফড়ে ব্যথা দিনকয়েকের মধ্যে দেখানো উচিত, মাস ফেলে নয়। গরম বা ঠান্ডায় ব্যথা ধরে অনেকক্ষণ থেকে গেলেও একই কথা। ব্যথাহীন ভাঙা দাঁত কিছুদিন অপেক্ষা করতে পারে, তবে অনন্তকাল নয়। ফোলা দেখা দিলে হিসাব পুরো বদলে যায়। গাল ফোলা, জ্বরসহ ফোলা, কিংবা মুখ খুলতে কষ্ট হলে সেদিনই যান। ফোলা গভীরে গেলে সার্জনের সাহায্যও লাগতে পারে। কক্সবাজারের জেনারেল সার্জন সেই দিকটা সামলান।

কক্সবাজারে ডেন্টিস্ট বাছাইয়ের কথা

এমন ডেন্টিস্ট খুঁজুন, যিনি চিকিৎসার আগে কারণটা খুঁজবেন। রাতের ব্যথার কারণ একাধিক হতে পারে, আর কারণভেদে চিকিৎসাও আলাদা। প্রথম ভিজিটে কী কী হবে, জিজ্ঞেস করুন। এক্স-রে তার অংশ কিনা, সেটাও জেনে নিন। দাঁতটা বাঁচানো যাবে কিনা ডেন্টিস্টকে জিজ্ঞেস করুন। প্রতিটি বিকল্পে কী করতে হবে, সেটাও বুঝে নিন। বুকিংয়ের সময় ক্লিনিক থেকে নিশ্চিত হোন, কখন পৌঁছাতে হবে আর কতক্ষণ লাগতে পারে। তাড়াহুড়ো না করে সোজা উত্তর পাওয়াটা অনেক বড় ব্যাপার।

দেখানোর আগে নিজের ব্যথাটা গুছিয়ে নিন

নিজের ব্যথার ধরনটায় আগে নজর দিন। কখন শুরু হয়, আর কীসে বাড়ে? শুলে, গরম খাবারে, ঠান্ডা পানিতে, নাকি কামড়ে, খেয়াল করুন। কত রাত ঘুম ভেঙেছে, সেটাও মনে রাখুন। নিয়মিত যেসব ওষুধ খান, তালিকা করে নিন। পুরোনো ডেন্টাল রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিন।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

রাতেই দাঁতের ব্যথা বাড়ে কেন?

শুয়ে পড়লে মাথার দিকে রক্তপ্রবাহের ধরন বদলায়। প্রদাহ থাকা দাঁত সেই বাড়তি চাপটা ভালোই টের পায়। রাতের নীরবতাও একটা কারণ। দিনের শব্দে যা ঢাকা থাকে, রাতে সেটাই পুরো মনোযোগ টানে। দুটো মিলে দিনের হালকা ব্যথা মাঝরাতে ধড়ফড়ে হয়ে ওঠে।

ব্যথার ওষুধে কয়েক ঘণ্টা কমে, এভাবেই চললে হবে?

ওষুধ ব্যথা চাপা দেয়, কারণ সারায় না। ক্ষয় কিংবা প্রদাহ যেখানে ছিল, সেখানেই থেকে যায়। প্রতিরাত এভাবে পার করা কোনো পরিকল্পনা নয়। দাঁতটা পরীক্ষা করালেই আসল উত্তরটা পাওয়া যাবে।

আমার কি রুট ক্যানেল লাগবেই?

সবসময় নয়। দাঁতের ভেতরের স্নায়ু সারানো না গেলে রুট ক্যানেল দিয়ে দাঁতটা বাঁচানোর চেষ্টা হয়। ক্ষয় অগভীর হলে শুধু ফিলিংয়েই কাজ চলতে পারে। কোনো কোনো দাঁত আবার রাখাই যায় না। আপনারটা বাঁচবে কিনা আর কীসের ওপর তা নির্ভর করে, ডেন্টিস্টকে জিজ্ঞেস করুন।

ব্যথা হঠাৎ থেমে গেছে, মানে কি সেরে গেছি?

তা নাও হতে পারে। দাঁতের ভেতরের স্নায়ু মরে গেলে ব্যথা থেমে যায়। অথচ গোড়ার চারপাশে সমস্যা চুপচাপ চলতে থাকে। সপ্তাহজুড়ে ধড়ফড় করা দাঁত হঠাৎ চুপ হয়ে গেলেও পরীক্ষা দরকার। দাঁতের এই নীরবতা একটা তথ্য, সুস্থতার সনদ নয়।

ধড়ফড়ে ব্যথা নিয়ে কতদিনের মধ্যে দেখাব?

কয়েক দিনের মধ্যে দেখানোই যুক্তিসংগত লক্ষ্য। ঘুম চুরি করা ব্যথা নিয়ে সুবিধাজনক সপ্তাহের অপেক্ষা করবেন না। ফোলা, জ্বর, কিংবা মুখে বারবার খারাপ স্বাদ ফিরলে আরও আগে যান। ফোলা থাকলে সেটা সব হিসাবের আগে।

চেম্বারে গিয়ে কী কী বলব?

কবে থেকে শুরু আর রাতে কেমন থাকে, সেটা বলুন। কীসে বাড়ে, তাও জানান, শুলে হোক, কামড়ে হোক, গরম-ঠান্ডায় হোক। ঘুম কেমন হচ্ছে, সেটাও বলুন। যেসব ওষুধ ইতিমধ্যে খাচ্ছেন, সেগুলো উল্লেখ করুন। পরিষ্কার করে বললে ডেন্টিস্ট সঠিক দাঁতটা আগে পরীক্ষা করতে পারেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.