সেরা দন্ত চিকিৎসক - বগুড়া

সামনের দাঁতের কোণা ভেঙে গেছে, জিভে খোঁচা লাগছে বারবার

সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে সপ্তাহখানেক আগে সামনের একটা দাঁতের কোণা ভেঙে গেছে তাঁর। ব্যথা নেই একদমই। কিন্তু ভাঙা জায়গার ধারালো কিনারা বারবার জিভে লাগছে। অফিসে হাসতে গেলেও এখন মুখে হাত চলে যায়।

ব্যথা না থাকলে অনেকেই বিষয়টা এড়িয়ে যান। কিন্তু ব্যথা না থাকা মানেই ভেতরে কোনো ক্ষতি হয়নি, তা নয়। চোখে দেখা যায় না এমন সরু ফাটল থাকতে পারে। ধারালো কিনারা জিভ বা গালের ভেতরের নরম অংশে ঘষা লেগে ঘা-ও তৈরি করতে পারে।

আরেকটা বিষয় হলো, ভাঙা জায়গাটা অমসৃণ থাকে বলে সেখানে খাবার আর ময়লা জমে বেশি। সময় গেলে ওই জায়গা থেকেই নতুন করে ক্ষয় শুরু হতে পারে। তখন সাধারণ চিকিৎসায় কাজ নাও হতে পারে।

ডেন্টিস্ট দেখে বুঝবেন ক্ষতিটা কতটা গভীর। কখনো শুধু বাইরের স্তরেই ভাঙন থাকে। কখনো ফাটল আরও ভেতরে ছড়িয়ে যায়। দরকার মনে হলে তিনি এক্স-রে করতে বলতে পারেন।

আপনার ক্ষেত্রেও এমন কিছু ঘটে থাকলে ব্যথা শুরু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। বগুড়ার সব ডাক্তারের তালিকা থেকে কাছের একজন ডেন্টিস্ট খুঁজে নিন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ডেন্টিস্ট কোন কোন সমস্যার চিকিৎসা করেন

বেশিরভাগ রোগী আসেন প্রতিদিনের সমস্যা নিয়ে। দাঁতের ক্ষয় তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত। শুরুতেই ধরা পড়লে ফিলিং দিয়ে সামলানো যায় অনেক সময়। এছাড়া দাঁতব্যথা, শিরশিরে ভাব, মাড়ি ফুলে যাওয়া বা রক্ত পড়া, আর দুর্ঘটনায় ভেঙে যাওয়া দাঁতের চিকিৎসাও করেন তিনি।

কাজের পরিধি আরও বড়। স্কেলিং আর পলিশিং করে দাঁতের গায়ে জমা পাথর ও ময়লা তোলা হয়। যে দাঁত আর রাখা যাচ্ছে না, সেটা তুলে ফেলতে হয় কখনো। দাঁতের ভেতরের অংশে সংক্রমণ হলে রুট ক্যানেল চিকিৎসার কথা আসে। বেশি ভাঙা বা হারানো দাঁতের জন্য ক্রাউন, ব্রিজ আর ডেনচারের ব্যবস্থা আছে। আক্কেল দাঁতের সমস্যা আর বাচ্চাদের দাঁতের যত্নও এই চিকিৎসার মধ্যে পড়ে।

কখন ডেন্টিস্ট দেখানো জরুরি

দাঁতে টানা ব্যথা থাকলে দেখানো উচিত। ঠান্ডা বা মিষ্টি খেলে ঝাঁকুনির মতো ব্যথা উঠলেও বসে থাকবেন না। ফিলিং নড়বড়ে মনে হলে, কিংবা মাড়ি থেকে বারবার রক্ত পড়লে একবার দেখিয়ে নেওয়া ভালো। ভাঙা দাঁত ব্যথাহীন হলেও একই কথা।

কিছু লক্ষণে সেদিনই দেখানো দরকার। মুখ বা চোয়াল ফুলে গেলে দেরি করবেন না। ফোলার সঙ্গে জ্বর থাকলে, মুখ পুরোপুরি খুলতে না পারলে কিংবা ঢোক গিলতে কষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসা লাগে। এগুলো ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।

সঠিক ডেন্টিস্ট বেছে নেওয়ার উপায়

প্রথমে দেখুন আপনার সমস্যাটা ঠিক কী। বাচ্চাদের দাঁত নিয়ে যিনি বেশি কাজ করেন, ডেনচারের সমস্যায় তিনি সেরা নাও হতে পারেন। জিজ্ঞেস করুন আপনার ক্ষেত্রে কাজটা তাঁর কাছে নিয়মিত কিনা, আর প্রথম দেখাতেই কী কী হবে।

ব্যবহারিক দিকটাও ভাবুন। বাড়ি বা কর্মস্থল থেকে চেম্বার কত দূরে, যাতায়াত সহজ কিনা দেখুন। বসার দিন ও সময় আগে জেনে নিন। কোনো ক্ষেত্রে ডেন্টিস্ট নিজেই বলবেন সমস্যাটা সার্জনের কাছে যাওয়া দরকার। পাশাপাশি বগুড়ার জেনারেল সার্জনদের তালিকাটাও দেখে রাখতে পারেন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সময় ভিজিটের খরচ জেনে নিলে পরে ভোগান্তি থাকে না।

দেখা করার আগে মনে রাখুন

সমস্যা কবে থেকে শুরু, আর কিসে বাড়ে, তা আগে ভেবে রাখুন। ঠান্ডা পানি, কামড় দেওয়া, রাতে শুয়ে থাকা, এসব তথ্য ডেন্টিস্টের কাজে আসে। নিয়মিত যেসব ওষুধ খান, তার তালিকা রাখুন। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা আগের চিকিৎসায় কোনো সমস্যার কথা থাকলে জানান।

আগের এক্স-রে বা প্রেসক্রিপশন থাকলে সঙ্গে নিন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আগে থেকে সহজ করে বুঝিয়ে বললে ভয় কমে।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

দাঁত ভেঙে গেছে কিন্তু ব্যথা নেই। এভাবেই রেখে দিলে চলবে তো?

ঝুঁকি থাকে। ব্যথা না থাকলেও ভেতরে সরু ফাটল থাকতে পারে, ধারালো কিনারা জিভ কেটে দিতে পারে। এখন দেখিয়ে নিলে পরে বড় চিকিৎসা এড়ানো সহজ হয়।

ভাঙা দাঁতে ডেন্টিস্ট কী কী পরীক্ষা করেন?

তিনি ভাঙনের গভীরতা দেখেন, দাঁতের ভেতরের অংশ ঠিক আছে কিনা বোঝার চেষ্টা করেন। লুকানো ফাটলের সন্দেহ থাকলে এক্স-রে করতে বলতে পারেন।

কতদিন পরপর দাঁত পরিষ্কার করানো উচিত?

সবার জন্য এক নিয়ম নেই। বছরে একবার বা দুবার স্কেলিং আপনার উপযোগী কিনা, ডেন্টিস্টকে জিজ্ঞেস করে জেনে নিন।

ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। এটা কি গুরুতর?

বেশিরভাগ সময় এটা মাড়িতে জমা ময়লা থেকে প্রদাহের লক্ষণ। পরিষ্কার রাখলে অনেক সময় কমে যায়। তবে বারবার হলে দেখিয়ে নেওয়া উচিত।

বেশি ক্ষয়ে যাওয়া দাঁত কি সবসময় বাঁচানো যায়?

সবসময় যায় না। দাঁতের বেশিরভাগ অংশই নষ্ট হয়ে গেলে তুলে ফেলাই নিরাপদ হতে পারে। আপনার দাঁতের অবস্থা দেখে ডেন্টিস্ট বুঝিয়ে বলবেন কোনটা বাস্তবসম্মত।

বাচ্চাদের দাঁতের জন্য কখন প্রথম দেখানো উচিত?

প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই নিয়মিত নজর রাখা ভালো। ব্যথা বা কালো দাগ দেখলেই দেরি না করে দেখান। শিশুদের অভ্যাস গড়ার দিক থেকেও আগেভাগে দেখানো কাজে দেয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.