সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন - ময়মনসিংহ

দিনে বারবার হঠাৎ ছুটতে হয় টয়লেটে

বয়স ৪১ বছর। কয়েক মাস ধরে এমন চলছে। হঠাৎ পায়খানার চাপ আসে। ছুটে যেতে হয়। চেপে রাখা খুব কঠিন লাগে।

দিনে কয়েকবার এমন হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরপরই একবার ছুটতে হয়। খাওয়ার পরেও অনেকদিন এমন চাপ আসে। রাতে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙে উঠতে হয়। তখনো একই তাড়া থাকে। বাড়িতে কোনোমতে সামলানো যায়। বাইরে গেলে ভয় আর ক্লান্তি দুটোই লাগে। এখন টয়লেট কাছাকাছি আছে কিনা ভেবে দিন সাজাতে হয়।

মাঝে মাঝে পায়খানার গায়ে রক্তের দাগও দেখেন। ছোটাছুটির চেয়ে এই রক্তটাই তাকে বেশি ভাবায়। দুটো একসঙ্গে হওয়ায় ব্যাপারটা এখন একটা ধরন মনে হয়।

বারবার ফিরে আসা এই চাপ পরীক্ষা করে দেখা দরকার। সঙ্গে রক্ত থাকলে পরীক্ষা আরও জরুরি। পুরো ধরনটা শুনে পরীক্ষা না করে সার্জন কিছু বলতে পারবেন না।

কয়েকদিনের ছোট্ট একটা হিসাব লিখে রাখুন। দিনে কয়বার ছুটতে হলো লিখুন। কোন কোন দিন রক্ত দেখলেন তাও লিখুন। তারপর ময়মনসিংহে কোলোরেক্টাল সার্জনদের তালিকা দেখে হিসাবটা সঙ্গে নিয়ে দেখা করুন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পরীক্ষায় কী কী দেখা হয়

সার্জন জানতে চাইবেন হঠাৎ চাপটা দিনে কয়বার আসে। এই ধরনটা কতদিন ধরে চলছে তাও জিজ্ঞেস করবেন। রক্ত, ব্যথা আর পায়খানার বদল নিয়েও প্রশ্ন থাকবে।

আপনার লেখা হিসাবটা এখানে খুব কাজে লাগবে। দিনে কয়বার ছুটতে হয় তা পরিষ্কার বোঝা যাবে। কোন দিন রক্ত ছিল তাও দেখা যাবে। লেখা হিসাব থেকে ধরন বোঝা সহজ হয়।

পরীক্ষায় পায়ুপথের জায়গাটা ভালো করে দেখা হতে পারে। দস্তানা পরা আঙুল দিয়ে হালকা পরীক্ষাও হতে পারে। কখনো ছোট আলোওয়ালা নল দিয়ে ভেতরের শুরুটা দেখা হয়।

আরও ভেতরে দেখা দরকার হলে ক্যামেরা পরীক্ষার কথা আসতে পারে। সরু ক্যামেরা দিয়ে অন্ত্রের ভেতরটা দেখা যায়। পরীক্ষা ঠিক করার আগে কারণ বুঝিয়ে বলা হবে।

দেখা করার আগে কাজের কিছু পরামর্শ

হিসাবটা সহজ আর সত্যি করে লিখুন। তারিখসহ দিনে কয়বার ছুটতে হলো লিখুন। রক্ত দেখা দিনগুলোতে ছোট একটা চিহ্ন দিন।

পায়খানা আগের চেয়ে নরম হয়েছে কিনা তাও লিখুন। চাপ আসার আগে পেটে মোচড়ের ব্যথা হয় কিনা খেয়াল করুন। ভিজিটে প্রতিদিন খাওয়া ওষুধের কথা জানান।

ছোটাছুটির কথা বলতে লজ্জা পাবেন না। কোলোরেক্টাল সার্জনের কাছে এটা সাধারণ তথ্য। পরিষ্কার বিবরণ পেলে ধরনটা ঠিকমতো বোঝা যায়।

সাধারণ সার্জারির মতামতও দেখতে চাইলে ময়মনসিংহে জেনারেল সার্জনদের তালিকাও দেখতে পারেন। তবে রক্তসহ বারবার চাপের জন্য প্রথমে কোলোরেক্টাল সার্জনই ঠিক হবে।

এসব লক্ষণ দেখলে দেরি না করে আসুন

কিছু লক্ষণ থাকলে ভিজিট এগিয়ে আনা উচিত। পায়খানার সঙ্গে রক্ত মিশে আসা তার একটি। কালো পায়খানাও দ্রুত দেখানো দরকার।

চেষ্টা ছাড়া ওজন কমতে থাকলে অবহেলা করবেন না। তীব্র পেটব্যথা হলে সেদিনই দেখান। পায়খানার সমস্যার সঙ্গে বমি বা জ্বর থাকলে তা জরুরি।

রক্ত যাওয়া বন্ধ না হলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য নিন। মাথা ঘোরা বা খুব দুর্বল লাগলেও দ্রুত দেখান। এই অবস্থায় বাড়িতে অপেক্ষা করবেন না।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

ছোটাছুটির হিসাব লিখে রাখতে হবে কেন?

হিসাব থাকলে কয়েকদিনের আসল ধরনটা বোঝা যায়। শুধু মনে করে বললে অনেক কিছু বাদ পড়ে। সার্জন চাপ আর রক্তের দিনগুলো পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।

পায়খানায় রক্তের দাগ মানেই কি বড় সমস্যা?

আপনার ক্ষেত্রে এর মানে কী তা পরীক্ষাতেই বোঝা যাবে। বারবার চাপের সঙ্গে রক্ত থাকলে অবশ্যই দেখানো উচিত। বাড়িতে আন্দাজ করবেন না।

প্রথম ভিজিটে কী হবে?

সার্জন প্রথমে আপনার পুরো বিবরণ শুনবেন। তারপর যত্ন করে পরীক্ষা করবেন। দরকার হলেই কেবল আরও পরীক্ষার কথা বলবেন।

আমার কি ক্যামেরা পরীক্ষা লাগবে?

প্রথম পরীক্ষায় যা পাওয়া যাবে তার ওপর নির্ভর করে। ভেতরে ভালো করে দেখতে অনেককেই এই পরীক্ষা দেওয়া হয়। কারণ পরিষ্কার করে বলা হবে।

হিসাবটা কয়দিনের লিখব?

চার পাঁচদিনের হিসাব হলেও কাজে লাগবে। দিনে কয়বার ছুটতে হলো আর কোন দিন রক্ত ছিল লিখুন। ভিজিটে হিসাবটা সঙ্গে নিন।

আরও কয়েক মাস দেখে তারপর যাব?

ধরনটা ইতিমধ্যে কয়েক মাস ধরে চলছে। আরও অপেক্ষায় তেমন লাভ হয় না। এখন পরীক্ষা করালে ছবিটা পরিষ্কার হবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.