সেরা শিশু সার্জন - নাটোর
গালের লাল দাগটা বড় হয়েই চলেছে
জন্মের ছবিগুলোতে দাগটা প্রায় দেখাই যায় না। গালে হালকা গোলাপি একটা ছাপ, ডেলিভারির দাগ বলে ভেবে নেওয়া যায়।
এখন ওর বয়স ছয় মাস। ছাপটা এখন উঁচু, টকটকে লাল একটা দাগ। ঠাকুমা বলেন, দেখতে ঠিক পাকা স্ট্রবেরির মতো। মেয়ের বাড়ার চেয়ে দাগটা বেড়েছে তাড়াতাড়ি।
দাগটায় ওর কোনো কষ্ট নেই। খায়, ঘুমায়, ন্যাপি বদলের সময় হাসেও। দুশ্চিন্তাটা অন্য জায়গায়। এটা আর কত বড় হবে? স্কুলে যাওয়ার বয়সে গালটা কেমন দেখাবে?
শিশুদের গায়ে এমন দাগ মোটেও বিরল নয়। একটা পরিচিত কারণ হলো চামড়ার নিচে ছোট ছোট অতিরিক্ত রক্তনালির জট। পরীক্ষায় এটা সম্ভাবনা হিসেবেই দেখা হয়। আপনার মেয়ের রোগের নাম এটা নয়।
এ ধরনের অনেক দাগ কয়েক মাস বাড়ে। তারপর বছরের পর বছর ধরে খুব ধীরে ছোট হতে থাকে। এটা শুধু সাধারণ ধরন। ওর দাগও সেই পথেই যাবে, এমন কথা কেউ দিতে পারে না। তারিখ বলেও কেউ দেবে না।
দাগের জায়গাটা গুরুত্ব বদলে দেয়। চোখের কাছের দাগ আগেভাগে দেখা হয়। রক্ত পড়লে, চামড়া ফেটে গেলেও তাই। সপ্তাহে সপ্তাহে বড় হলেও অপেক্ষা নয়।
নাটোরে শিশু সার্জন দেখালে প্রথম ভিজিটে দাগটা শান্তভাবে, কাছ থেকে দেখা হবে। শুধু নজরে রাখা হবে নাকি চিকিৎসা লাগবে, সেটা বিশেষজ্ঞ দলের সিদ্ধান্ত। তাঁরা ওকে পরীক্ষা করেই তা ঠিক করবেন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
পরীক্ষায় যা যা দেখা হয়
দল জানতে চাইবে, দাগটা প্রথম কবে দেখা গেছে। জন্মের সময়ই ছিল, নাকি প্রথম কয়েক সপ্তাহে ফুটে উঠেছে? বাড়ছে কতটা দ্রুত?
তারপর কাছ থেকে দেখা হয়। এখন দাগটা কত বড়? কতটা উঁচু? উপরটা মসৃণ, নাকি কখনো ফেটেছে?
মাপটা যত্ন করে লিখে রাখা হয়। ফাইলে একটা ছবি থাকলেও ভালো। পরের ভিজিটে তখন স্মৃতির বদলে আসল মাপের সঙ্গে মেলানো যাবে।
ওর খাওয়া আর সাধারণ বাড়ন্ত নিয়েও প্রশ্ন আসবে। গালের দাগে এসব সাধারণত বাধা পায় না। তবু দল শুধু দাগ নয়, পুরো বাচ্চাটাকেই দেখতে চায়।
নজরে রাখা, নাকি চিকিৎসা
দুটোই সত্যিকারের পরিকল্পনা, দুটোই হরহামেশা ব্যবহার হয়। নিরাপদ জায়গায় ছোট দাগ শুধু নজরেই রাখা হতে পারে। মাঝে মাঝে ভিজিটে মেপে বদল দেখা হয়।
আবার দ্রুত বাড়তে থাকা বা চোখের কাছের দাগে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কোন চিকিৎসা আর কখন, সেটা বিশেষজ্ঞ দলের বিষয়। দাগের ধরন, ওর বয়স আর পরীক্ষার ফল মিলিয়েই তা ঠিক হয়।
নজরে রাখা মানে বাস্তবে কী, জিজ্ঞেস করুন। কোন বদল দেখলে দল পথ বদলাবে, তাও জানুন। বুঝে নেওয়া পরিকল্পনা নিয়ে থাকা অনেক সহজ।
যে পরিকল্পনাই হোক, ওর নিয়মিত যত্ন চলবে পাশাপাশি। নাটোরে শিশু বিশেষজ্ঞ স্বাভাবিক ভিজিটে ওর বাড়ন্ত আর টিকা দেখে দিতে পারেন।
যেসব বদলে আগেভাগে আসবেন
দাগ থেকে রক্ত পড়ে থামতে না চাইলে আগেই আসুন। ওপরের চামড়া ফেটে গেলেও আসা দরকার।
হঠাৎ বাড়ার গতি বেড়ে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। দাগ চোখের দিকে এগোতে থাকলে নিয়মিত তারিখের অপেক্ষা করবেন না।
জায়গাটা ব্যথা মনে হলে, ফুলে উঠলে, কিংবা ও আগের চেয়ে বিরক্ত মনে হলে দলকে জানান। শিশুর ছোট বদলেও একটা ফোনকল করা যায়।
বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন
এই দাগটা আসলে কী?
একটা পরিচিত সম্ভাবনা হলো চামড়ার নিচে ছোট ছোট অতিরিক্ত রক্তনালির জট। আপনার মেয়ের ক্ষেত্রে এটাই কিনা, পরীক্ষা ছাড়া বলা যাবে না। ছবি দেখে বা এক নজরে নাম বসানো ঠিক নয়।
এটা কি নিজে নিজে মিলিয়ে যাবে?
এ ধরনের অনেক দাগ কয়েক মাস বাড়ে, তারপর বছরের পর বছর ধরে খুব ধীরে ছোট হয়। এটা সাধারণ ধরন, ওর ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি নয়। দল ভিজিটে ভিজিটে ওর আসল দাগটাই দেখবে।
কারো বাচ্চার চিকিৎসা হয়, কারোটা শুধু দেখা হয় কেন?
দাগটার ওপরেই তা নির্ভর করে। আকার, বাড়ার গতি আর জায়গা, তিনটাই হিসাবে থাকে। চোখের কাছের দাগে যত্ন বেশি, শান্ত কোনো কোণের দাগে তুলনামূলক কম।
গর্ভাবস্থায় আমার কোনো ভুলে কি এমন হয়েছে?
না। আপনি খেয়েছেন, করেছেন বা বাদ দিয়েছেন, এসবের কোনোটার কারণে এমন দাগ হয় না। পুরোপুরি সুস্থ শিশুদের গায়েও এটা দেখা যায়। পরীক্ষার মনোযোগ দাগটায়, দোষ খোঁজায় নয়।
বড় হলে মুখে কি দাগ থেকে যাবে?
সত্যি বলতে এটা শিশুভেদে আলাদা। বছরের পর বছর ধরে দাগ কেমন দাঁড়াবে, তার কোনো নিশ্চয়তা হয় না। দলের কাছে জেনে নিন, ওর ক্ষেত্রে বাস্তবে কী আশা করা যায়। ভিজিটগুলোতে কী কী দেখা হবে, তাও জানুন।
এর মধ্যে বাসায় কী করব?
চামড়া পরিষ্কার রাখুন, দাগটা নিজের মতো থাকতে দিন। চাপ দেওয়া, বাসার ক্রিম লাগানো, ঘষে পরীক্ষা করা, এসব নয়। রক্ত পড়া বা ফাটল খেয়াল করুন। মাঝে মাঝে তারিখসহ একটা ছবি তুলে রাখুন, তুলনা করতে কাজে দেবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.