সেরা শিশু সার্জন - খুলনা
পিঠের ওপর নরম একটা গোটা, প্রায় এক বছর ধরে
প্রায় এক বছর আগে গোসল করানোর সময় মেয়েটার বাবা প্রথম খেয়াল করলেন। পিঠের ওপর চামড়ার নিচে নরম একটা গোটা। আলতো করে চাপ দিলেন। মেয়েটা ব্যথায় কুঁকড়ে উঠল না।
গোটাটায় কখনো ব্যথা হয়নি। ও খেলে, সাঁতারে যায়, স্কুলের ব্যাগ কাঁধে নেয়, আর দশটা সাত বছরের বাচ্চার মতোই থাকে। বেশিরভাগ দিন কেউ মনেই রাখে না ওটা আছে।
কিন্তু গোটাটা বড় হয়েছে। ধীরে ধীরে, ওর বাড়ন্তের সঙ্গে তাল মিলিয়েই যেন। এই ধীর বাড়টাই বাবা-মায়ের মাথায় ঘুরতে থাকে। মাঝে মাঝে হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখেন, আবার বড় হলো কিনা।
এমন গোটা বাসায় বসে আন্দাজ করা ঠিক নয়। শিশু সার্জন যত্ন করে ছুঁয়ে দেখবেন। কত বড়? কতটা নরম? আলতো চাপে চামড়ার নিচে একটু নড়ে, নাকি এক জায়গায় আটকে থাকে?
চামড়ার নিচে নরম চর্বির গোটা এমন গোটার একটা পরিচিত কারণ। তবে সেটা একটা সম্ভাবনা মাত্র, সার্জন সেটা যাচাই করে দেখবেন। আজই কেউ নিশ্চিত উত্তর দিতে পারে না। খুলনায় শিশু সার্জন খুঁজলে শুরুটা হোক এই পরীক্ষা দিয়েই।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
সার্জন ছুঁয়ে যা বোঝার চেষ্টা করেন
অভিজ্ঞ হাত অনেক কিছু বলে দেয়। গোটাটা এখন কত বড়? নরম নাকি শক্ত? আলতো চাপ দিলে চামড়ার নিচে একটু সরে যায় কিনা?
ওপরের চামড়াটাও দেখা হয়। পিঠের বাকি অংশের মতোই রং আছে তো? কোনো বদল এসেছে কিনা?
কতদিন ধরে আছে, তা জানতে চাওয়া হবে। ধীরে ধীরে বড় হয়েছে, নাকি হঠাৎ হঠাৎ বেড়ে ওঠে? কখনো কি একবারও ব্যথা করেছে?
চামড়ার নিচে নরম চর্বির গোটা এমন গোটার একটা পরিচিত কারণ। শুনে স্বস্তি লাগতে পারে। কিন্তু এটা এখনো সম্ভাবনাই, ওর রোগের নাম নয়। আগে পরীক্ষা।
ছবির পরীক্ষার কথা উঠতে পারে
সার্জন হয়তো আলট্রাসনোগ্রাম করাতে বলতে পারেন। এটা ব্যথাহীন একটা ছবি তোলার পরীক্ষা। জেল দিয়ে ত্বকের ওপর যন্ত্রটা ঘোরানো হয়, ছবিতে দেখা যায় গোটাটা কোথায় আছে।
গোটার ভেতরের চেহারাটাও ছবিতে বোঝা যায়। সেটা দেখে সার্জনের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
ওকে কয়েক মিনিট চুপ করে শুয়ে থাকতে হয়। ব্যথা লাগে না, এই পরীক্ষায় কোনো সুইয়ের ব্যাপারও নেই।
দেখে রাখা, নাকি বের করে ফেলা
এমন কোনো কোনো গোটা শুধু দেখে রাখা হয়। কয়েক মাস পর আবার আসতে বলা হতে পারে, যাতে সার্জন ছুঁয়ে মিলিয়ে দেখতে পারেন বদল এসেছে কিনা।
আবার কোনোটার ক্ষেত্রে সার্জন গোটাটা বের করে ফেলার পরামর্শ দেন। সিদ্ধান্তটা পরীক্ষার পরেই হয়, কখনো ছবির পরীক্ষার পরেও হতে পারে।
বের করার আলোচনা উঠলে জিজ্ঞেস করুন, তাতে সাধারণভাবে কী হবে। এখনই কেন, পরে হলেই বা কী? বদলে শুধু দেখে রাখলে কেমন হবে, আর কোন বদল দেখলে সেই দেখা শেষ হবে?
এর মধ্যে ওর সাধারণ যত্ন চলতে থাকবে। নিয়মিত চেকআর বাড়ন্তের হিসাব রাখতে পারেন খুলনায় শিশু বিশেষজ্ঞ।
যেসব বদলে আগেভাগে আসতে হবে
গোটাটা দ্রুত বড় হতে থাকলে আগেই আসুন। সপ্তাহের হিসাবে বাড়া আর মাসের হিসাবে বাড়া এক কথা নয়।
ব্যথা শুরু হওয়াও আগেভাগে আসার কারণ। হঠাৎ শক্ত লাগলেও তাই, কিংবা একটু নড়ার বদলে এক জায়গায় আটকে থাকলেও।
ওপরের চামড়ার রং বদলে গেলে, ফেটে গেলে, কিংবা টান টান চকচকে দেখালে পরের নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করবেন না।
বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন
এই গোটাটা সবচেয়ে সম্ভবত কী?
একটা পরিচিত কারণ হলো চামড়ার নিচে নরম চর্বির গোটা। এমন গোটার সঙ্গে তা মেলে, কিন্তু মেলা মানেই নিশ্চিত হওয়া নয়। পরীক্ষা, আর কখনো ছবির পরীক্ষাই এগিয়ে বলতে পারে।
গোটাটায় ওর ব্যথা হয়?
এমন গোটায় সাধারণত ব্যথা হয় না, ওরটাতেও হয়নি। এখন ব্যথা শুরু হলে সেটা জানানোর মতো বদল। কখনো বিরক্ত করতে শুরু করলে সার্জনকে বলুন।
ওর কি অপারেশন করে গোটাটা বের করতে হবে?
পরীক্ষার আগে কেউ বলতে পারে না। এমন কোনো গোটা বছরের পর বছর শুধু দেখা হয়। বের করার পরামর্শ এলে জিজ্ঞেস করুন, তাতে কী হবে, আর দেখে রাখা কেন ভালো হবে না।
আলট্রাসনোগ্রাম বাচ্চার জন্য কেমন হয়?
এটা ব্যথাহীন ছবি তোলার পরীক্ষা। ও উবু হয়ে শোয়, পিঠের ওপর জেল দিয়ে যন্ত্রটা ঘোরানো হয়। কয়েক মিনিটেই হয়ে যায়, বাবা-মা পাশে থাকতে পারেন।
সারাজীবন এভাবেই রেখে দেওয়া যায় না?
সার্জন পরামর্শ দিলে দেখে রাখাটা সত্যিকারের পরিকল্পনা, মাঝে মাঝে এসে বদল যাচাই করে নেওয়া হয়। এটা ভুলে যাওয়া নয়। গোটা বদলালে পরিকল্পনাও বদলায়।
দুই ভিজিটের মাঝখানে কী খেয়াল রাখব?
গোটার আকার আর হাতে কেমন লাগে, খেয়াল রাখুন। ব্যথা, শক্ত ভাব, কিংবা ওপরের চামড়ার কোনো বদল লিখে রাখুন। আগের ছবির পাশে নতুন ছবি রাখলে ধীর বদলটা সত্যভাবে বোঝা যায়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.