সেরা শিশু সার্জন - জামালপুর

পিঠের নিচে ছোট্ট একটা গর্ত

ছেলের বয়স দুই বছর। ওর পিঠের একদম নিচে, নিতম্বের ভাঁজের ঠিক ওপরে চামড়ায় ছোট্ট একটা গর্ত আছে।

বেশিরভাগ দিন ওটা শুধু ওভাবেই থাকে, চোখেই পড়ে না। কিন্তু মাঝে মাঝে ওখান থেকে অল্প পানি ঝরে। দুইবার এর চারপাশের চামড়া লাল হয়ে ব্যথাও করেছে।

আপনি পরিষ্কার করেন, ঠিক হয়ে যায়, কয়েক সপ্তাহ পর আবার একই ঘটনা। এই বারবার হওয়াটাই আপনার দুশ্চিন্তা।

প্রথম প্রথম আপনি ভেবেছিলেন, এমনিই হয়তো জন্মের দাগ। সময় যাওয়ার সঙ্গে সেই ধারণাটা বদলেছে।

শিশু সার্জন জায়গাটা ভালো করে পরীক্ষা করবেন। ওর পা আর পায়ের পাতাও দেখবেন। ও কীভাবে হাঁটে, ন্যাপি ভেজানোর অভ্যাস কেমন চলছে, এসবও জানতে চাইবেন।

এত যত্ন করে দেখার কারণটা সহজ। ওই এলাকার চামড়ার ছোট্ট খোলা মুখ দেখতে যেমন, ভেতরে তার চেয়ে গভীরে যুক্ত থাকতে পারে। আপনার ছেলের গর্তটা আসলে কী, আর কী নয়, সঠিক পরীক্ষা ছাড়া তা বলা যায় না।

জামালপুরে শিশু সার্জন খুঁজলে বাসায় বসে আবার লাল হওয়ার অপেক্ষা না করে ওই পরীক্ষাটাই করিয়ে নিন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পরীক্ষায় যা যা দেখা হয়

সার্জন শুরু করেন গর্তটা দিয়েই। আজ ওটা দেখতে কেমন? পানি ঝরছে কিনা? শেষবার খেয়াল করার পর চারপাশের চামড়ায় কোনো বদল এসেছে কিনা?

তারপর পরীক্ষা আরও বিস্তৃত হয়। সার্জন ওর পা আর পায়ের পাতা দেখেন। কীভাবে দাঁড়ায়, ঘরের এমাথা থেকে ওমাথা কীভাবে হেঁটে যায়, সেটাও খেয়াল করেন।

আপনাকে ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে স্বাভাবিক কিছু প্রশ্ন করা হবে। ও কবে থেকে হাঁটছে? সমবয়সীদের চেয়ে বেশি পড়ে যায় কিনা? দিনে ন্যাপি ভেজানো কেমন চলছে?

এসব প্রশ্ন এলোমেলো নয়। ওই এলাকার চামড়ার নিচে যা থাকে, তার সঙ্গে পায়ের কাজের যোগ থাকতে পারে। নিশ্চিত কিছু বলার আগে সার্জন পুরো ছবিটাই গুছিয়ে নিচ্ছেন।

ছবির পরীক্ষা আর পরের ধাপ

কখনো সার্জন জায়গাটা নজরে রাখতেই সন্তুষ্ট থাকেন, মাঝে মাঝে দেখে নেওয়ার নিয়মে। কখনো আগে একটা ছবির পরীক্ষার প্রস্তাব আসে। ছবির পরীক্ষায় সার্জন চামড়ার নিচে কী আছে দেখতে পান, তারপর সিদ্ধান্ত হয়।

পরীক্ষাটা ব্যথাহীন। ওকে কিছুক্ষণ চুপচাপ শুইয়ে রাখা হয়, যন্ত্র ভেতরের ছবি তৈরি করে। কোন পরীক্ষা লাগবে আর কেন, দল সেটা বুঝিয়ে বলবে।

পরের ধাপ যাই হোক, তা আপনার বোঝা ভাষায় ব্যাখ্যা পাওয়া উচিত। জিজ্ঞেস করুন, পরীক্ষায় কী বদলাবে। শুধু নজরে রাখলে কী হবে, তাও জানুন।

পাশাপাশি ওর নিয়মিত যত্ন চলবে। জামালপুরে শিশু বিশেষজ্ঞ নিয়মিত পরীক্ষায় ওর বাড়ন্ত আর বিকাশ দেখে দিতে পারেন।

যেসব বদলে আগেভাগে আসবেন

গর্তের চারপাশের চামড়া আবার লাল হলে বা ফুলে উঠলে আগেই আসুন। সঙ্গে জ্বর থাকলে, কিংবা ঝরা পানি বেড়ে গেলে অপেক্ষা করবেন না।

ওর পায়ের দিকেও চোখ রাখুন। হাঁটা, দাঁড়ানো বা পা ব্যবহারের ধরনে কোনো বদল দেখলেই দ্রুত দেখান।

গর্তটা চেপে ধরবেন না, ভেতরে পরিষ্কার করার চেষ্টাও করবেন না। উপরের অংশ পরিষ্কার রাখুন, বাকি বিচার সার্জনের হাতে ছাড়ুন।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

অনেক বাচ্চার পিঠেই তো গর্ত থাকে। এটা কি আলাদা?

পিঠের অনেক গর্তই শুধু চামড়ার গর্ত, কোনো সমস্যাই করে না। কিন্তু যেটা থেকে পানি ঝরে বা বারবার লাল হয়ে ব্যথা করে, সেটা যত্ন করে দেখা দরকার। তফাতটা বোঝা যায় পরীক্ষাতেই।

সার্জন ওর পা কেন দেখেন?

পিঠের ওই অংশের চামড়ার নিচে পায়ের সঙ্গে যুক্ত কাঠামো থাকে। ও কীভাবে দাঁড়ায়, হাঁটে আর নড়াচড়া করে, তা দেখলে সার্জন বুঝতে পারেন গর্তটা শুধু চামড়া পর্যন্তই কিনা।

গর্তটায় ওর ব্যথা হয়?

গর্তটা সাধারণত ব্যথা করে না। তবে চারপাশ লাল হয়ে ব্যথা করলে অস্বস্তি হতে পারে। সেসব দিনে ও কেমন আচরণ করে, জ্বর আসে কিনা, সার্জনকে জানান।

ছবির পরীক্ষা দুই বছরের বাচ্চার জন্য কেমন?

এটা ব্যথাহীন পরীক্ষা। চামড়ার নিচে কী আছে, যন্ত্র তার ছবি তৈরি করে, ওকে শুধু কিছুক্ষণ চুপচাপ শুয়ে থাকতে হয়। এ বয়সী বাচ্চাকে কীভাবে শান্ত রাখা হয়, দল বুঝিয়ে বলবে।

ওর কি অপারেশন লাগবে?

পরীক্ষার আগে এ কথা কেউ বলতে পারে না, কখনো ছবির পরীক্ষার আগেও না। কোনো কোনো গর্ত শুধু নজরে রাখা হয়। আপনার সন্তানের ক্ষেত্রে যুক্তিটা সার্জন বুঝিয়ে বলবেন।

বাসায় কী কী খেয়াল রাখব?

গর্তের চারপাশে লালভাব বা ফোলা খেয়াল করুন। পানি ঝরা, জ্বর, আর হাঁটার ধরনে বদলও লক্ষ করুন। তারিখ লিখে রাখুন। এই ধারাবাহিকতাটা সার্জনের কাজে লাগে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.