সেরা শিশু সার্জন - হবিগঞ্জ

নাভিটা বারবার ভিজে ওঠে

মেয়ের বয়স চার বছর। ওর নাভি তো অনেক আগেই শুকিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তা হয়নি।

নাভির ভেতরে ছোট্ট একটা গোলাপি ফোলা বসে আছে। জায়গাটা ভেজা থাকে, গেঞ্জিতে ছোট ছোট দাগ পড়ে। আপনি পরিষ্কার করেন, শুকনো রাখেন, সন্ধ্যার মধ্যেই আবার ভিজে ওঠে।

এভাবে কেটে গেছে কয়েক সপ্তাহ। ফোলাটা শুকায়নি, আর ওটা আসলে কী, আন্দাজ করতে করতে আপনিও ক্লান্ত।

রাতে ঘুমানোর আগেও আপনি একবার করে তাকিয়ে দেখেন, আজও জায়গাটা ভেজা কিনা।

শিশু সার্জন নাভিটা ভালো করে দেখবেন। একটা সম্ভাবনা হলো, শুকিয়ে ওঠার সময়ের ছোট্ট একটা টিস্যু নাভিতে থেকে গেছে। নতুন শুকানো চামড়া যেমন ভেজা থাকে, ওটাও তেমন ভিজে থাকে। কিন্তু নাভির ছোট্ট সমস্যার কারণ একটা নয়। তাই আরেক সপ্তাহ বাসায় আন্দাজ না করে ভালো করে দেখানোটাই জরুরি।

দেখানোর আগ পর্যন্ত একটা নিয়ম মনে রাখুন। যতই চল থাকুক, নাভিতে লবণ, পেস্ট বা বাসার বানানো কিছু লাগাবেন না। জায়গাটা পরিষ্কার আর শুকনো রাখুন, বাকিটা সার্জনের পরামর্শে হবে।

হবিগঞ্জে শিশু সার্জন খুঁজলে শুরুটা হোক এই যত্নে দেখা পরীক্ষা দিয়েই।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ভালো করে দেখাটা কেন জরুরি

নাভি ভিজে থাকার কারণ একটা নয়। একটি সম্ভাবনা হলো শুকিয়ে ওঠার সময়ের ছোট্ট একটু টিস্যু থেকে যাওয়া। নাড়ির জায়গাটা স্তরে স্তরে শুকায়, কখনো ছোট্ট নরম একটা অংশ থেকে গিয়ে ভিজতেই থাকে।

কিন্তু আরও কারণ আছে, আর বাইরে থেকে সেগুলো দেখতে প্রায় একই রকম। তাই দরকার তাড়াহুড়া না করে নাভিটা মন দিয়ে দেখা।

সার্জন জানতে চাইবেন, ফোলাটা কতদিন ধরে আছে। কখনো রক্ত এসেছে কিনা? ঝরা পানিতে গন্ধ আছে কিনা? নাভির চারপাশের চামড়া লাল হয়েছে কখনো?

আপনার উত্তর আর নিজে দেখা, এই দুই মিলেই পরের সিদ্ধান্ত। তার আগে কিছুই ঠিক করা হয় না।

এরপর কী প্রস্তাব আসতে পারে

পরীক্ষার পর সার্জন উপায়গুলো সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলবেন। কোনো কোনো নাভির ফোলা সাধারণ যত্ন আর সময়ে ঠিক হয়ে যায়, মাঝে মাঝে দেখিয়ে নিলেই চলে। কোনোটার জন্য ক্লিনিকে ছোট্ট একটা ধাপ লাগতে পারে। কোন ধাপ লাগবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করে সার্জন কী দেখলেন তার ওপর।

জিজ্ঞেস করুন, লক্ষ্যটা কী। অপেক্ষা করলে কী হবে, তাও জানুন। অর্ধেক শোনা পরিকল্পনার চেয়ে বুঝে নেওয়া পরিকল্পনা মানা সহজ।

বাসায় নাভি পরিষ্কার আর শুকনো রাখুন। গোসলের পর মুছে শুকিয়ে নিন। পাড়া-প্রতিবেশী যতই বলুক, লবণ, পেস্ট বা বাসার মিশ্রণ লাগাবেন না। এগুলো কচি চামড়ায় জ্বালা করে, আর সার্জনের যা দেখা দরকার তা আড়াল করে।

ওর সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলবে আগের মতোই। হবিগঞ্জে শিশু বিশেষজ্ঞ ওর বাড়ন্তের চেকআপ আর টিকা দেখে দিতে পারেন।

যেসব লক্ষণে আগেই আসবেন

নাভির চারপাশে লালভাব ছড়িয়ে পড়লে আগেভাগে আসুন। জ্বরও আগেভাগে আসার কারণ। ঝরা পানিতে দুর্গন্ধ এলে কিংবা রক্ত মিশলে তো আসতেই হবে।

ফোলাটা দ্রুত বড় হতে থাকলেও নিয়মিত ভিজিটের অপেক্ষা করবেন না। পেট ধরে রাখা ব্যথা, খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়াও আগেভাগে দেখানোর লক্ষণ।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

কয়েক সপ্তাহ পরিষ্কার রাখার পরও শুকাচ্ছে না কেন?

পরিষ্কারে উপরের অংশ পরিষ্কার থাকে, কিন্তু নাভিতে থেকে যাওয়া টিস্যু তাতে বদলায় না। অমন টিস্যু থাকলে সার্জন নিজে না দেখলে তা সাধারণত বসে না।

এটা কি গুরুতর কিছু হতে পারে?

শিশুদের নাভির বেশিরভাগ ছোট ফোলা জরুরি অবস্থা নয়। তবে একই রকম দেখতে হলেও কারণ আলাদা হতে পারে। ভালো করে দেখা ছাড়া তা আলাদা করা যায় না। দেখানোর কারণটাই এটা।

মা বলছেন লবণ দিতে। দেওয়া ঠিক হবে?

না। লবণ, পেস্ট বা বাসার মিশ্রণ চামড়ায় জ্বালা করতে পারে। সার্জনের যা দেখা দরকার, সেটাও ঢাকা পড়ে যায়। নাভি পরিষ্কার আর শুকনো রাখুন, সার্জনের পরামর্শের অপেক্ষা করুন।

ওর কি অপারেশন লাগবে?

পরীক্ষার আগে এ কথা কারো বলা উচিত না। অনেক নাভির ফোলা সাধারণ যত্নে বা ক্লিনিকের ছোট্ট ধাপেই ঠিক হয়ে যায়। ভালো করে দেখার পর সার্জন উপায়গুলো বুঝিয়ে বলবেন।

গোসল কি আগের মতোই করানো যাবে?

হ্যাঁ, স্বাভাবিক গোসল চলবে। গোসলের পর নাভি ঘষে নয়, চাপ দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিন। গোসল করালে ভেজা ভাব বাড়ে মনে হলে সার্জনকে জানান।

ভিজিটের আগে কী খেয়াল রাখব?

ফোলাটা কতদিন ধরে আছে, লিখে রাখুন। রক্ত, গন্ধ বা চারপাশে লালভাব দেখেছেন কিনা, তাও। যেদিন অবস্থা খারাপ, ফোনে একটা ছবি তুলে রাখুন। চেম্বারে গিয়ে জায়গাটা শান্ত দেখাতে পারে, ছবিটা তখন কাজে দেবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.