সেরা শিশু সার্জন - ফেনী

কুঁচকির ভাঁজে ছোট্ট ফোলাটা আসে, আবার চলে যায়

ন্যাপি বদলাতে গিয়েই ব্যাপারটা চোখে পড়েছে। মেয়ের বয়স মাত্র কয়েক মাস, ওর ঊরুর ওপরের ভাঁজে নরম একটা ফোলা।

কাঁদলে ফোলাটা দেখা দেয়। ঘুমিয়ে গেলে আবার ভেতরে সরে যায়। এর মধ্যে আপনি দুইবার হাত দিয়ে খুঁজেছেন, মনে মনে আশা করেছেন, বোধহয় আর নেই।

ওর কোনো ব্যথা মনে হচ্ছে না। দুধ খাচ্ছে ভালোই, ঘুমাচ্ছেও আগের মতো। তবু এত ছোট বাচ্চার গায়ে নতুন ফোলা দেখলে মন মানে না।

প্রথম দিকে ফোলাটা শুধু কান্নার সময়ই দেখা যেত। এখন মাঝে মাঝে এমনিতেও চোখে পড়ে, আর সেটাই আপনার দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।

শিশু সার্জন খুব আলতো করে পরীক্ষা করবেন, তারপর যা বুঝলেন বুঝিয়ে বলবেন। মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রে পেটের প্রাচীরে ছোট্ট একটা ফাঁক থাকলে ওই ভাঁজে এমন ফোলা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষায় এটা সম্ভাবনা হিসেবেই দেখা হয়। বাসা থেকে আন্দাজে কোনো নাম বসানো যাবে না।

ফেনীতে শিশু সার্জন খুঁজলে শুরুটা হোক সেই শান্ত পরীক্ষা দিয়েই। ওর বয়স আর ফোলার আচরণ দেখেই পরের সব সিদ্ধান্ত হবে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পরীক্ষায় সার্জন যা বোঝেন

সার্জন ভাঁজটা আলতো করে ছুঁয়ে দেখেন, সাধারণত বাচ্চা শান্ত থাকা অবস্থায়। কখনো ভিজিটে গিয়ে ফোলাটা পাওয়া যায় না। এই ধরনের ফোলায় এমনটা খুবই স্বাভাবিক, তাই আপনার বর্ণনাটাই তখন বড় ভরসা।

জিজ্ঞেস করা হবে, ফোলাটা কখন দেখা দেয়। কাঁদলেই বেরিয়ে আসে কিনা। ঘুমালে সবসময় সরে যায় কিনা। কখনো বাইরে আটকে থেকেছে কিনা, তাও জানতে চাইবেন।

মেয়েশিশুর ক্ষেত্রে ফোলাটা আপাতত শান্ত দেখালেও সার্জন গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। সরাসরি জিজ্ঞেস করুন, কতটা কাছ থেকে নজর রাখবেন। কোন বদল দেখলে সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসবেন, সেটাও জেনে নিন।

পরিকল্পনাটা ঠিক হয় যেভাবে

পরিকল্পনা দাঁড়ায় তিনটা বিষয়ের ওপর। পরীক্ষায় যা পাওয়া গেল। ওর বয়স কত কম। আর দিনে দিনে ফোলাটা কেমন আচরণ করছে।

কোনো ফোলা কাছ থেকে দেখে রাখা হয়, আগে থেকে পরের ভিজিট ঠিক করে। কোনোটায় সার্জন একটা পরিকল্পিত ধাপের কথা বলেন, সঙ্গে সময়টা কেন ওই রকম, তাও ব্যাখ্যা করেন।

অপেক্ষা করলে কী হবে, জিজ্ঞেস করুন। ধাপটা কী জন্য, তাও জানুন। ফাঁকে ওর বাড়ন্ত আর টিকার খেয়াল রেখে দিতে পারেন ফেনীতে শিশু বিশেষজ্ঞ।

বাসায় একটা নিয়ম মনে রাখুন। আঙুল দিয়ে জোরে চেপে ফোলাটা ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা কখনো নয়। আলতো হাতে ন্যাপি বদলানো ঠিক আছে, জোরাজুরি নয়।

যখন অপেক্ষা চলবে না

বেশিরভাগ দিন এই ফোলা চুপচাপ আসে আর যায়। কিন্তু এক ধরনের বদল আলাদা।

ফোলাটা বাইরে থেকে গেলে আর ভেতরে সরতে না চাইলে সেদিনই দেখাতে হবে। শক্ত মনে হলেও তাই, ব্যথা মনে হলেও তাই।

বমি থাকলে, কিংবা বাচ্চা কেঁদেই যাচ্ছে আর কিছুতেই শান্ত হচ্ছে না, তাহলে আরও জরুরি। সেক্ষেত্রে সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

এই ফোলাটা কী হতে পারে?

একটা সম্ভাবনা হলো পেটের প্রাচীরে ছোট্ট ফাঁক, যেখান দিয়ে কাঁদলে ফোলা হয়ে দেখা দেয়। আপনার মেয়ের ক্ষেত্রে আসলে কী, তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যাবে না।

ভিজিটে গিয়ে ফোলাটা পাইনি। সমস্যা হবে?

না, আসা-যাওয়া করা ফোলায় এটা স্বাভাবিক। কখন দেখা দেয়, ভালো করে বলুন। বাসায় তুলে রাখা ফোনের ছবি সার্জনকে আপনার দেখা ছবিটা বুঝতে সাহায্য করে।

মেয়ে বলে কি একটু বেশি নজর রাখতে হবে?

সার্জনকে ঠিক এই প্রশ্নটাই করুন। মেয়েশিশুদের বাবা-মাকে এমন ফোলায় প্রায়ই একটু বেশি কাছ থেকে নজর রাখতে বলা হয়। ওর ক্ষেত্রে কী দেখবেন, তিনি বুঝিয়ে দেবেন।

বাসায় চেপে ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে পারি?

কখনো জোরে চাপ দেবেন না। নিজে থেকে ভেতরে সরে না গেলে, কিংবা ব্যথা মনে হলে, বদলে সেদিনই দেখিয়ে নিন।

ওর কি অপারেশন লাগবে?

পরীক্ষার আগে কেউ বলতে পারে না। পরিকল্পনা নির্ভর করে পরীক্ষার ফল, ওর বয়স আর ফোলার আচরণের ওপর। উপায়গুলো সার্জনের কাছে একে একে বুঝে নিন।

বিপদের লক্ষণগুলো কী কী?

ফোলা বাইরে আটকে থাকা, শক্ত বা ব্যথা হওয়া একটা। বমি আরেকটা। থামানো যায় না এমন কান্না তৃতীয়টা। যেকোনো একটা দেখলেই সেদিন দেখাতে হবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.