সেরা শিশু সার্জন - দিনাজপুর

সন্ধ্যায় বড় হয়, সকালে ছোট হয়ে যায় এই ফোলাটা

ছেলের বয়স চার বছর। কয়েক সপ্তাহ আগে গোসল করানোর সময় আপনি ওর অণ্ডকোষের একপাশে নরম একটা ফোলা টের পেলেন।

সন্ধ্যা হলে ফোলাটা গোল হয়ে ফুলে ওঠে। সকালে, রাতে ঘুমিয়ে ওঠার পর, অনেকটাই ছোট হয়ে থাকে। কোনো কোনো দিন মনে হয়, আদৌ ছিল তো?

ফোলায় ব্যথা নেই। ছেলে খেলছে, দৌড়াচ্ছে, টয়লেটে যাচ্ছে আগের মতোই। শরীর খারাপের কোনো ভাব নেই।

আত্মীয়-প্রতিবেশীরা নানা কথা বলবেন। কেউ বলবেন বয়স বাড়লেই ঠিক হয়ে যাবে, কেউ আবার ভয় দেখাবেন। এসব কথায় সিদ্ধান্ত না নিয়ে একবার পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াই ভালো।

তবু দিনের মধ্যে এতটা বদলায় এমন ফোলা একবার ভালো করে দেখানো দরকার। শিশু সার্জন ওকে শুইয়ে দেখবেন, তারপর দাঁড় করিয়েও দেখবেন। দুই অবস্থায় ফোলার বদলটাই সার্জনকে অনেক কিছু বলে দেয়।

এমন ধরনের একটা পরিচিত কারণ হলো অণ্ডকোষের চারপাশে পানি জমা। পরীক্ষায় এটা একটা সম্ভাবনা হিসেবেই দেখা হয়। বাসা থেকে বসে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না।

দিনাজপুরে শিশু সার্জন খুঁজলে শুরুটা হোক সেই প্রথম পরীক্ষা দিয়েই। পরীক্ষার আগে কোনো চিকিৎসার সিদ্ধান্ত হয় না।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

সার্জন যা যা দেখেন

পরীক্ষাটা আলতো আর সংক্ষিপ্ত। সার্জন ফোলাটা নরম হাতে ছুঁয়ে দেখেন, শুধু ফোলা পাশটা নয়, দুই পাশই দেখেন।

আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে ফোলাটা কখন দেখা দেয়। সকালে থাকে কিনা, দিন গড়ালে বাড়ে কিনা। কাশি বা কোঁত দিলে বড় হয় কিনা, তাও জানতে চাইবেন।

একদম ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এমন ফোলা শরীর বাড়ার সঙ্গে কখনো নিজে থেকে মিলিয়ে যায়। চার বছর বয়সে হিসাবটা একটু আলাদাভাবে দেখা হয়। আপনার ছেলের ক্ষেত্রে এর মানে কী, সার্জন বুঝিয়ে বলবেন।

কখনো ব্যথাহীন একটা ছবির পরীক্ষা করতে বলা হতে পারে। ত্বকে জেল দিয়ে শব্দতরঙ্গের সাহায্যে ছবি তোলা হয়। তাতে বোঝা যায়, পানি আছে কিনা, থাকলে কতটা।

দেখে রাখা, নাকি পরিকল্পিত ধাপ

পরীক্ষার পর সার্জন হয়তো বলবেন, কয়েক মাস দেখে রাখুন। তখন কী খেয়াল করবেন আর কবে আবার আসবেন, সেটা বলে দেওয়া হবে।

আবার তিনি এটাও বলতে পারেন, ওর জন্য একটা পরিকল্পিত ধাপই ভালো হবে। জিজ্ঞেস করুন, সেই ধাপে কী লাভ হবে। অপেক্ষা করলে কী হয়, তাও জানুন।

এক ভিজিটেই সব ঠিক করে ফেলতে হবে, এমন নয়। ফাঁকে ফাঁকে ওর বাড়ন্ত, টিকা আর সাধারণ যত্ন দেখে দিতে পারেন দিনাজপুরে শিশু বিশেষজ্ঞ।

যেসব বদলে অপেক্ষা নয়

নরম, ব্যথাহীন ফোলাও কখনো হঠাৎ বদলে যেতে পারে। কিছু বদল মানে সেদিনই দেখাতে হবে।

ফোলাটা হঠাৎ ব্যথা শুরু করলে সেদিনই আসুন। শক্ত মনে হলেও আসুন। ছেলে কাঁদতে শুরু করে থামানো না গেলেও দেরি করবেন না।

ব্যথার ফোলার সঙ্গে বমি থাকলে সেটা আরও জরুরি লক্ষণ। এমন কিছু দেখলে পরের নির্ধারিত ভিজিটের অপেক্ষা করবেন না।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

সন্ধ্যায় বড় আর সকালে ছোট হয় কেন?

পানি অবস্থানের সঙ্গে নড়াচড়া করে। সারা রাত শুয়ে থাকলে পানি ধীরে ধীরে ফিরে যায়। সারা দিন দাঁড়ানো আর খেলাধুলায় আবার জমে। এই দিনের ধরনটাই সার্জনের কাছে একটা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।

এমন ফোলায় কি ব্যথা হয়?

সাধারণত হয় না, আপনার ছেলেও দিব্যি স্বস্তিতে আছে। তবে ব্যথা শুরু হলে সেটা আলাদা কথা, সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। হঠাৎ ব্যথা ওঠা ফোলার নিয়ম আলাদা।

এটা কি নিজে থেকে সেরে যাবে?

শিশুদের ক্ষেত্রে কখনো যায়। চার বছর বয়সে যেতেও পারে, নাও পারে। পরীক্ষা করে দেখার পরই সার্জন সৎভাবে বলতে পারবেন, তার আগে নয়।

ওর কি অপারেশন লাগবে?

পরীক্ষার আগে কেউ বলতে পারে না। কোনো ফোলা শুধু দেখে রাখা হয়। কোনোটায় পরিকল্পিত ধাপ লাগে। আপনার ছেলের ক্ষেত্রে যুক্তিটা সার্জনের কাছে বুঝে নিন।

ভিজিটের আগে কী খেয়াল রাখব?

ফোলাটা কখন সবচেয়ে বড় দেখায়, লিখে রাখুন। সকালে সবসময় ছোট থাকে কিনা, তাও। সন্ধ্যায় একটা ছবি তুলে রাখলে কাজে দেয়, চেম্বারে গিয়ে ফোলা ছোট দেখাতে পারে। টিকার কার্ডটাও সঙ্গে আনুন।

কোনো সন্ধ্যায় হঠাৎ ব্যথা শুরু হলে কী করব?

জরুরি হিসেবে দেখুন। শক্ত, ব্যথার ফোলা, বমি, কিংবা থামানো যায় না এমন কান্না মানে সেদিনই দেখাতে হবে, পরের সকাল পর্যন্ত নয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.